Barta24

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

English

৪ সংস্থার সাথে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের নতুন অর্থবছরের কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

৪ সংস্থার সাথে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের নতুন অর্থবছরের কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি কাজে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সুশাসন সংহতকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়ন ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে রূপকল্প ২০২১’ এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও এর অধীন ৪টি সংস্থার সাথে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সভাকক্ষে সংস্থা/দপ্তরসমূহের প্রধানগণ স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সংস্থাগুলো হলো: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর ও কন্ট্রোলার অব সার্টিফাইং অথরিটিজ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এনএম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বিসিস’র নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, আইসিটি অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক এ বি এম আরশাদ হোসেন, সিসিএ নিয়ন্ত্রক আবুল মানসুর মোহাম্মদ সার্‌ফ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সময়ের সাথে তালমিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মৌলিক লক্ষ্য তথা ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশকে বাস্তবে রূপ দিতে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুযায়ী অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি অতীতের কাজের সাথে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজের পরিধি বাড়ানোর উপরও জোর দেন।

উল্লেখ্য, এপিএ চুক্তি অনুযায়ী অর্থবছর শেষে চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রকৃত অর্জন মূল্যায়ন করা হয়। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনুযায়ী নম্বর দেয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের

মেয়াদ বাড়ল মটোরোলার কুল অফারের
ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাড়ানো হলো ‘মটো কুল অফার’র মেয়াদ। নির্দিষ্ট অনলাইন স্টোর থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের গ্রাহকরা ডিসকাউন্ট মূল্যে কিনতে পারবেন মটোরোলার নির্দিষ্ট মডেলের হ্যান্ডসেট।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশের মটোরোলার ন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউটর স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত জানান, ‘বাংলাদেশে ই-কমার্স সাইটগুলো দিনদিন জনপ্রিয় হচ্ছে। গ্রাহকরাও অনলাইন প্ল্যাটফরম থেকে পণ্য কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন। বিশেষ করে স্মার্টফোনের জন্য এসব প্ল্যাটফরম খুবই জনপ্রিয়। তাই গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে চলমান অফারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

মটোরোলার অনলাইন স্টোর পার্টনার- রবিশপ, গেজেট অ্যান্ড গিয়ার, দারাজ, পিকাবু, ইভ্যালি, এডিসন স্মার্ট প্লাগ ইন ও ডেলিগ্রাম। গ্রাহকরা এসব অনলাইন স্টোর থেকে মটোরোলার অরিজিনাল হ্যান্ডসেট ক্রয় করতে পারবেন।

‘মটো কুল অফার’র আওতায় গ্রাহকরা এখন থেকে মটো ই৪ প্লাস ৯,৯৯০ টাকায়, মটো ই৫ প্লাস ১৪,৯৯০ টাকায়, মটো জি৭ পাওয়ার ১৮,৯৯০ টাকায় এবং মটোরোলা ওয়ান ২০,৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার

হংকংয়ের বিনিয়োগ পেল ইকুরিয়ার
ইকুরিয়ার লোগো

প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিকতাকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশের ই-কমার্সভিত্তিক অনলাইন কুরিয়ার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুরিয়ার।

ইকুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য তিনশ কোটি টাকা বিবেচনা করে নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে হংকংভিত্তিক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। ২০১৫ সালের শুরুর দিকে বিনিয়োগের প্রাথমিক ধাপ শুরু করেছিল ইকুরিয়ার। নতুন এ বিনিয়োগে কতো টাকা পাচ্ছে ইকুরিয়ার তা জানায়নি কোন পক্ষই।

ইকুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিপ্লব ঘোষ রাহুল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, রাজধানীর বাইরে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা হচ্ছে। উন্নত ওয়্যারহাউস সুবিধা বাড়াতে কাজ চলছে। আর তা করা হবে অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে। এছাড়া আমাদের কার্যক্রমের ভৌগলিক পরিসীমা বাড়ানো, আস্থা অর্জন এবং কাজের দক্ষতায় উন্নয়নে এ বিনিয়োগ ব্যবহার করা হবে। আমাদের গ্রাহক এবং অংশীদাররা নতুন এ বিনিয়োগের সুফল ভোগ করবে। কাজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আমরা তা নিশ্চিত করতে চাই।

২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু করা ইকুরিয়ার বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসায় বহুমুখী সেবা দিয়ে আসছে। অনলাইন মাধ্যমে পরিসেবাগুলোকে একত্রীকরণসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি ঢেলে সাজানো হয়েছে। চালান ব্যবস্থাপনা, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণসহ আন্তঃশহর পণ্য ডেলিভারি সুবিধা, এক্সপ্রেস পণ্য পরিবহন সেবা এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পণ্য রিটার্ন সুবিধা আছে ইকুরিয়ারে।

বর্তমানে ইকুরিয়ার বাংলাদেশের ৬০টি জেলাসহ এক হাজারেরও বেশি ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের সেবা কার্যক্রম নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে যা বাংলাদেশে এখনও কোন কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান পোঁছাতে পারিনি। সাড়ে তিনশরও বেশি কর্মী নিয়ে ইকুরিয়ার বর্তমানে সারাদেশে সরাসরি ৫ হাজার স্থানীয় অংশীজনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত কয়েক বছরে ইকুরিয়ার পণ্য ডেলিভারির খাতে ধারাবাহিক উন্নতি ধরে রেখেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র