Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশে ডেটার খনি!

বাংলাদেশে  ডেটার খনি!
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪ডটকম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে এখন ১৬ কোটি মানুষ ১৫ কোটি মোবাইল আর ১৩ কোটি সিম ব্যবহার করছে। ১০ কোটি মানুষ এনআইডি কার্ড এর সেবার আওতায় এসেছে। ফলে দেশ যেভাবে প্রতিনিয়ত ডেটা উৎপাদন করছে তাতে দেশ এখন ডেটার খনিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন এই ডেটা যদি এখনি আমরা ম্যানেজ করা না শিখি তবে তা আমাদের আশির্বাদের পরিবর্তে আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণ এর মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে। 

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত রবি ডেটাথন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন তিনি। গত ১৯ ও ২০ এপ্রিল দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতাটি ২০ এপ্রিল পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। 

আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রবি’র হেড অব কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজি রুহুল আমিন। এ সময় রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদসহ কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন,  আমরা প্রতিনিয়ত যে  ডেটা উৎপাদন করছি  তা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মাধ্যমে উপলব্ধ হয়ে  আমাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে এর ফলে আমরা বুঝতে পারছি না দিনে দিনে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদে পরিণত হচ্ছে।তাই আমরা যদি এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের জালে না আটকা পড়তে চাই তাহলে আমাদের কে ডেটা সাইন্টিস্ট গড়ে তুলতে হবে। 

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ডেটা সাইন্টিস্ট গড়ে তোলার প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শীঘ্রই দেশে ১০ হাজার ডেটা সাইন্টিস্ট গড়ে তুলবো। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/21/1555783781410.jpg

 আগামী দিনে ডেটার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে রবি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও এর সিইও  মাহতাব উদ্দিন আহমেদ  বলেন,  আপাতদৃষ্টিতে সমগ্র বিশ্বে তেল এখন সবার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বা সবচেয়ে দামি সম্পদ কিন্তু ডেটা যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হচ্ছে তা অনেকেই অগোচরে থেকে যাচ্ছে আমাদের লক্ষ্য ছিল সে ডাটা ম্যানেজমেন্ট বিষয়টিকে মাথায় রেখে বাংলাদেশকে বিশ্বের নতুন চ্যালেঞ্জ এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া।

তিনি আরো বলেন, “ডিজিটাল অর্থনীতির চালিকা শক্তি হচ্ছেন   ডেটা বিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলীরা। তারা সেই ব্যক্তি যারা কোন প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ডেটাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে রূপান্তর করেন। সরকারি নীতিনির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন তারা। তাই দেশে প্রথমবারের মতো ডেটাথন আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি, এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশে ডেটা বিজ্ঞানী ও ডেটা প্রকৌশলীদের একটি কমিউনিটি গড়ে উঠবে যারা ডিজিটাল বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে সহায়তা এবং তাদের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে বিশ্ব দরবারে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করবেন।”

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকরা ইন্সটিঙ্কট দলকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন। এ দলের সদস্য হিসেবে ছিলেন আবু মোহাম্মদ সাব্বির খান, ইশফাক জামান, নুরেন শামস ও শরিফুল ইসলাম ফয়সাল। ডেটাথনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বেস্ট ফিটেড এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে আউটলায়ারস দল।

অন্যদিকে দেশে আয়োজিত প্রথম ডেটাথনে সেরা ডেটা বিজ্ঞানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইশফাক জামান ও নুরেন শামস এবং সেরা ডেটা প্রকৌশলী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. কাইফ হোসেন ও পরিমল চন্দ্র।

বিজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ২ লাখ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পেয়েছে এক লাখ টাকা। দুইজন সেরা ডেটা বিজ্ঞানী ও দুইজন সেরা ডেটা প্রকৌশলী প্রত্যেকে পেয়েছেন এক লাখ করে টাকা। প্রতিযোগিতায় মোট ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/21/1555783751237.jpg

চূড়ান্ত পর্বের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টিএম ফোরাম’র অ্যাম্বাসেডর ফর বিগ ডেটা এনালিটিকস অ্যান্ড কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অধ্যাপক পল মরিসন, রবি’র হেড অব আইটি আসিফ নাইমুর রশিদ, বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. সোহেল রহমান এবং হেড অব আজিয়াটা এনালিটিকস পেড্রো উরিয়া রেসিও।

সেমি-ফাইনাল পর্বের বিচারক হিসেবে ছিলেন বুয়েটের সিএসই’র সহকারী অধ্যাপক আতিফ হাসান রহমান ও মো. শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া, আজিয়াটা’র চিফ ডেটা সায়েন্টিস্ট ড. কিরাতপাল সিং, এশিয়া স্কুল অব বিজনেস’র অধ্যাপক উইলেম স্মিত, রবি’র এন্টাপ্রাইজ বিজনেস ইন্টেলিজেন্স’র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিব মুসতাবসির এবং রিসোর্সিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট জাভেদ পারভেজ।

ডেটাথন প্রতিযোগিতায় অংশগহণের জন্য নিবন্ধন শুরু হয় গত ২৫ মার্চ। এরপর আজিয়াটা এনালিটিকস’র দেয়া নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন আগ্রহী প্রার্থীরা। মূল্যায়ন প্রশ্নোত্তরের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্তপর্বে অংশগ্রহণের জন্য ৮৪ জন প্রতিযোগীকে নির্বাচন করা হয়।

এরপর আয়োজকরা বাছাইকৃত প্রার্থীদের তালিকা থেকে চারজন করে এক একটি দল গঠন করেন। চূড়ান্তপর্বে মোট ২১টি দল প্রতিদ্ব›দ্বীতা করে। মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের ডেটা সায়েন্স সম্পর্কিত নানা সমস্যার সমাধান  করতে বলা হয়। এরপর নির্ধারিত কয়েকটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি দলের যোগ্যতা যাচাই করেন বিচারকরা।

আপনার মতামত লিখুন :

আরো ১ হাজার স্টার্টআপ তৈরিতে সরকার সহায়তা করবে

আরো ১ হাজার স্টার্টআপ তৈরিতে সরকার সহায়তা করবে
‘সহজ’ -এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

২০২১ সালের মধ্যে আরও এক হাজার স্টার্টআপ তৈরি করতে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনলাইনভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘সহজ’ -এর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (১৭ জুলাই) রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় তরুণরা শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে সফল উদ্যোক্তা হবে। তারা হোমগ্রোন সলিউশনের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি- একজন উদ্যোক্তা সফল হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি মাধ্যমে লক্ষ তরুণের স্বপ্ন পূরণ হবে।

অনুষ্ঠানে ‘সহজ’ -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা এম কাদির সভাপতিত্ব করেন। আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম। ‘সহজ’ -এর ভবিষ্যত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরেন হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক ড. এন্ডি উ।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন- বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক সহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে

সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তাদের গরু দারাজে
দারাজের ঈদ বিগ সেল

অনলাইন শপ দারাজ বাংলাদেশে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে তৃতীয়বারের মত আয়োজন করেছে ঈদ বিগ সেল। এই বছর ঈদ বিগ সেলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে থাকছে দারাজ “অনলাইন গরুর হাট”, যা দ্বিতীয়বারের মতন আয়োজন করেছে দারাজ। এই হাটের বিশেষত্ব হল- প্রতিটি গরু শতভাগ অর্গানিক এবং গরুগুলো লালন-পালন করেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের নারী উদ্যোক্তারা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) থেকে ১২ই আগস্ট পর্যন্ত চলাকালীন এই ঈদ শপিং ক্যাম্পেইনে থাকছে বিশাল মূল্যছাড়, অনলাইন গরুর হাট, টপ রেটেড প্রোডাক্ট, মেগা ডিল, শেক শেক ভাউচার, আই লাভ ভাউচার, রাশ আওয়ার ভাউচার, ফায়ার ভাউচার সহ আরও অনেক আকর্ষণীয় ঈদ অফার।

এবারের দারাজের অনলাইন গরুর হাটের গরুগুলো দারাজ নন্দিনীর উদ্যোগে অ্যাকশনএইড-এর সহায়তায় নিয়ে আসা হচ্ছে প্রত্যন্ত গাইবান্ধা থেকে। ক্রেতারা খুব সহজেই কোরবানির পশুর সকল বিস্তারিত বিষয় জেনে গরুর ভিডিও দেখে দারাজ অ্যাপে (daraz app) তা অর্ডার করতে পারবেন। ১০৭ টি গরুর সমারোহে সাজানো এই হাটে রয়েছে ৪২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১,৩০,০০০ টাকার গরু। দারাজে গরু অর্ডার করার শেষ তারিখ ৫ই আগস্ট আর গরুগুলো ডেলিভারি শুরু হয়ে যাবে ৯ তারিখ থেকে।

তাছাড়াও ক্যাম্পেইনে ঈদের নিত্য প্রয়োজনীয় হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় মূল্যে, যার মধ্যে রয়েছে এসি, ফ্রিজ, এয়ার কুলার ও মাইক্রোওয়েভ কালেকশন। আর ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন, টিভি, ডিএসএলআর ক্যামেরা ইত্যাদি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র