Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাড়ছে গ্রামীণফোনের কলরেট ও ডেটা চার্জ

বাড়ছে গ্রামীণফোনের কলরেট ও ডেটা চার্জ
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: মোবাইল ফোনে কথা বলতে গ্রামীণফোন গ্রাহকদেরকে আরো বেশি টাকা খরচ করতে হবে।

গ্রামীণফোনকে সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) ঘোষণার অংশ হিসেবে তাদের কলরেট বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে গ্রামীণফোনের ডেটা চার্জও বেড়ে যেতে পারে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে টেলিযোগাযোগ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসএমপির আওতায় গ্রামীণফোনের কলরেট বাড়ানোর বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত হয়। দেশের বৃহত্তম মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর গ্রামীণফোনকে সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) ঘোষণা করার পর গত ১ মার্চ তা কার্যকর শুরু করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

ওই বৈঠকে টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার সভাপতিত্ব করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বর্তমানে যে কোনো মোবাইল অপারেটরের সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা প্রতি মিনিট। ভ্যাট এবং অন্যান্য শুল্ক আরোপের পর তা দাঁড়ায় ৫৪ পয়সায়। যদিও এমননিতেই যে কোনো অপারেটরের চেয়ে গ্রামীণফোনের কলরেট বেশি।

বিটিআরসির রেগুলেশন বলছে, কোনো গ্রাহকই মার্কেটের ৪০ শতাংশের বেশি দখলে রাখতে পারবে না। গ্রাহক সংখ্যা অনুযায়ী বর্তমানে গ্রামীণফোনের মার্কেট শেয়ার ৪৫.৮ শতাংশ, রবির ৩০ শতাংশ, বাংলালিংকের ২২ শতাংশ এবং টেলিটকের ২.৫ শতাংশ। মোবাইল অপারেটরগুলোর মোট আয়ের অর্ধেকের বেশি গ্রামীণফোনের (৫১ শতাংশ)।

এসএমপি হওয়ার ফলে গ্রামীণফোন কোনো মার্কেট কমিউনিকেশন করতে পারবে না, কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বতন্ত্র বা একক স্বত্ত্বাধিকার চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে, মাসে কল ড্রপ ২ শতাংশের বেশি হতে পারবে না এবং এমএনপি এর মাধ্যমে কোনো গ্রাহককে তার ৩০ দিন পর্যন্ত রাখতে পারবে। যদিও এমএনপিতে একবার অপারেটর পরিবর্তন করলে ৯০ দিন পর আবার অপারেটর পরিবর্তন করা যাবে। কিন্তু গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে তা ৩০ দিন করা হয়েছে।

বিটিআরসি বলছে, টেলিযোগাযোগের বাজারে শৃঙ্খলা ও প্রতিযোগিতা আনতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে এই শিল্পেরই উপকার হবে। এর আগে টেলিযোগাযোগ খাতে মনোপলি বন্ধে প্রণীত সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) রেগুলেশন জারি করেছিল বিটিআরসি।

মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক সংখ্যা ও রাজস্ব আয় দুই বিবেচনাতেই এই অপারেটরটিকে এসএমপি ঘোষণা করা হলো।

মার্কেট নিয়ন্ত্রণের জন্যেই বিভিন্ন দেশে এসএমপি চালু করা হয়। ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে অনেক আগেই এসএমপি চালু হয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের প্রক্রিয়া নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল। এবার তা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলো।

আপনার মতামত লিখুন :

বাংলাদেশের পপআপ ক্যামেরার জগতে পা রাখল হুয়াওয়ে

বাংলাদেশের পপআপ ক্যামেরার জগতে পা রাখল হুয়াওয়ে
হুয়াওয়ের হ্যান্ডসেট ওয়াই৯ প্রাইম, ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রথম অটো পপআপ ক্যামেরার মোবাইল ফোন ওয়াই৯ প্রাইম এখন বাংলাদেশের বাজারে।

রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি। এতে থাকছে হাই-পারফরমেন্সের চিপসেট, ইএমইউআই ৯.০ অপারেটিং সিস্টেম, ট্রিপল এআই ক্যামেরা ফিচার, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি।

মধ্যম বাজেটের এই মোবাইল ফোনটিতে আরও থাকছে ৬.৫৯ ইঞ্চি বিশিষ্ট ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। নো হোল, নো নচ, নন-ডিউড্রপ ডিজাইনের ফোনটির ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লের উপরে ব্যবহার করা হয়েছে ছোট ব্যাজেল। এতে কিরিন ৭১০এফ প্রসেসরের সঙ্গে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ৫১২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। ফলে ফোনের স্টোরেজ নিয়ে বাড়তি চিন্তা থাকবে না গ্রাহকদের।

হুয়াওয়ের ওয়াই৯ প্রাইম হ্যান্ডসেটটির পেছনে থাকছে তিনটি ক্যামেরা। ১৬, ৮ ও ২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরার জন্য ফোনটিতে ছবি পাওয়া যাবে নিখুঁত ও স্পষ্ট। ১৬ মেগাপিক্সেলের পপআপ ক্যামেরাটি ব্যবহারকারীদের ফুল ডিসপ্লে সুবিধা যেখানে কোনো নচ বা হোল থাকবে না।

পপআপ সেলফি ক্যামেরাটি ১৫ কিলোগ্রাম পর্যন্ত বাহ্যিক চাপ সহ্য করতে পারবে। এক লাখবারের চেয়ে বেশি ওঠানামা করবে এর পপআপ ক্যামেরা। ৪ হাজার মিলি অ্যাম্পায়ার ব্যাটারি থাকায় ব্যবহারকারীরা একবার চার্জে দীর্ঘসময় ব্যবহার করতে পারবেন।

অল্পসময়ে চার্জের জন্য ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইপ-সি চার্জার। স্যাফায়ার ব্লু, অ্যামেরালড গ্রীন ও মিডনাইট ব্ল্যাক আকর্ষণীয় এই তিনটি কালারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

প্রিমিয়াম ফিচারের এই ফোনটি পাওয়া যাবে ২৩ হাজার ৯৯৯ টাকায়।

বাংলাদেশের পপআপ ক্যামেরার জগতে পা রাখলো হুয়াওয়ে

বাংলাদেশের পপআপ ক্যামেরার জগতে পা রাখলো হুয়াওয়ে
হুয়াওয়ে পপআপ ক্যামেরার ফোন ওয়াই নাইন প্রাইম

হুয়াওয়ের প্রথম অটো পপআপ ক্যামেরা ফোন এখন বাংলাদেশে বাজারে। প্রথমবারের মতো সর্বশেষ প্রযুক্তির এই অটো পপআপ ক্যামেরার ফোন ওয়াই নাইন প্রাইম ২০১৯ নিয়ে এসেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।ফোনটিতে থাকছে হাই-পারফরমেন্সের চিপসেট, ইএমইউআই ৯.০ অপারেটিং সিস্টেম, ট্রিপল এআই ক্যামেরা ফিচার, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি।

মধ্যম বাজেটের এই ফোনটিতে আরও থাকছে  ৬.৫৯ ইঞ্চি বিশিষ্ট ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। নো হোল, নো নচ, নন-ডিউড্রপ ডিজাইনের ফোনটির ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লের উপরে ব্যবহার করা হয়েছে ছোট ব্যাজেল। এতে কিরিন ৭১০এফ প্রসেসরের সাথে ৪ জিবি র‌্যাম এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ ব্যবহার করা হয়েছে। যা মাইক্রো এসডি কার্ড দিয়ে ৫১২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। ফলে ফোনের স্টোরেজ নিয়ে বাড়তি চিন্তা থাকবে না গ্রাহকদের। হুয়াওয়ের ওয়াই নাইন প্রাইম ২০১৯ হ্যান্ডসেটটির পিছনে থাকছে তিনটি ক্যামেরা। ১৬, ৮ ও ২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরার জন্য ফোনটিতে ছবি পাওয়া যাবে নিখুঁত ও স্পষ্ট। ১৬ মেগাপিক্সেলের পপ আপ ক্যামেরাটি ব্যবহারকারীদের ফুল ডিসপ্লে সুবিধা যেখানে কোন নচ বা হোল থাকবে না।

পপ আপ সেলফি ক্যামেরাটি ১৫ কিলোগ্রাম পর্যন্ত বাহ্যিক চাপ সহ্য করতে পারবে। এক লাখ বারের চেয়ে বেশি উঠা নামা করবে এর পপ আপ ক্যামেরা। ৪ হাজার মিলিঅ্যাম্পায়ার ব্যাটারি থাকায় ব্যবহারকারীরা একবার চার্জে দীর্ঘসময় ব্যবহার করতে পারবেন।

অল্পসময়ে চার্জের জন্য ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইপ-সি চার্জার। স্যাফায়ার ব্লু, অ্যামেরালড গ্রীন ও মিডনাইট ব্ল্যাক আকর্ষণীয় এই তিনটি কালারে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

প্রিমিয়াম ফিচারের এই ফোনটি পাওয়া যাবে ২৩ হাজার ৯৯৯ টাকায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র