Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জিমেইলের নিরাপত্তায় গুগলের ‘স্মার্ট কি’

জিমেইলের নিরাপত্তায় গুগলের ‘স্মার্ট কি’
ছবি: সংগৃহীত
আইসিটি ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

আচ্ছা আমার জিমেইল এর পাসওয়ার্ড তো আমার বন্ধু জানে, ভুলে পাবলিক কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড সেভ করে এসেছি, এখন?

ঠিক এরকম সমস্যা এড়াতে এবং গুগল অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তা আরো জোরদার করতে নতুন ফিচার যুক্ত করেছে গুগল।

এই ফিচারটি অন করে নিলেই অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে গেলে নোটিফিকেশন চলে আসবে স্মার্টফোনে এবং তখন ব্যবহারকারী যদি তা নিশ্চিত করে তবেই লগইন হবে।

যদিও গুগলের টু-ওয়ে ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু আছে। তবে মূলত এই ফিচারকে বলা হচ্ছে ‘স্মার্ট কি’ ফিচার। এতে করে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসই হয়ে উঠবে নিরাপত্তার চাবি।

এই ফিচারটি চালু করতে হলে ক্রোম, উইন্ডোজ অথবা ম্যাকিন্টোশ অপারেটিং সিস্টেম থেকে গুগল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

১. প্রথমে গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ অপশনে যেতে হবে।

২. এসময় আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি আপনার হাতের কাছেই রাখুন।

৩. তারপর ‘অ্যাড সিকিউরিটি কি’ অপশনে ক্লিক করুন।

মূলত এই ফিচারটি চালু করে রাখলে অন্য কেউ আর আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি থেকে ‘নো’ ক্লিক করলেই অন্য কেউ চাইলেও অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে পারবে না।

সূত্র: দ্যা ভার্জ।

আপনার মতামত লিখুন :

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে

আগামী ৩ বছরে ২৫ হাজার ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে
ব্র্যাকাথন পুরস্কার বিতরণী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের ডিজিটাল কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার আরও ২৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এক হোটেলে তরুণ ব্র্যাক আয়োজিত 'ব্র্যাকাথন পুরস্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আগে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ডিজিটাল ল্যাব ছিল না, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর আমরা সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।'

ইন্টারনেট সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার মতো, আগে মানুষের মৌলিক চাহিদা ছিল পাঁচটি। কিন্তু বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্তর্গত হয়েছে। সরকার ইন্টারনেট সেবাকে মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি গ্রামে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে।'

পাঠাও, উবারের, সহজের মতো সেবা সংস্থাগুলো বিকশিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'দেশ ডিজিটাল হওয়ার করণেই এই সংস্থাগুলো আমাদের দেশে ভালোভাবে কাজ করছে, যার ফলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে পাশাপাশি ই-কমার্স কার্যক্রম দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে।' আগামী দশ বছরে আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেও জানান তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, 'আমরা রিস্ক নেওয়ার জাতি, আমরা অনেক রিস্ক নিয়েছি, বিভিন্ন সমস্যা সমাধানও করেছি। এখন আমাদের উচিৎ তরুণদের অনুপ্রাণিত করা, তাদের শুধু বিশ্ব বিদ্যালয়ে পাঠানো নয়, তাদেরকে ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা, যাতে তারা দক্ষতা দিয়ে কাজ করতে পারে।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ এর পরিচালক কে এম মোর্শেদ, জিপি এর সিইওমাইল পয়াট্রিক ফোলি, ডেল-এর এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোথাই ওথায়াকর্ন প্রমুখ।

পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’

দেশীয় ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে ‘টেক মাহিন্দ্রা’
‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের ডিজিটাল রূপান্তরে কাজ করতে আগ্রহী ভারতভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘টেক মাহিন্দ্রা’। বিশেষ করে ব্যাংকিং, পরিবহন ও বন্দর এবং নাগরিক পরিষেবা খাতে ডিজিটাল কার্যক্রম গ্রহণে জোর দিতে চায় এই প্রতিষ্ঠান।

সোমবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ব্যাংকিং পরবর্তী ডিজিটাল নেতৃত্ব সম্মেলন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। টেক মাহিন্দ্রার বিভিন্ন কার্যক্রম এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন টেক মাহিন্দ্রার গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী ।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা আগে শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির ওপর নির্ভর করতাম। এখন আমরা প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির জাতিতে নিজেদেরকে রূপান্তর করেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তাঁর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশে আইসিটি ইকো সিস্টেম গড়ে তুলছি। প্রধানমন্ত্রী তিনটি পরিকল্পনাকে বাতিঘর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এগুলো হল- ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের সব সুবিধা গ্রামে নিয়ে যাওয়া, তারুণ্যের শক্তি এবং সুশাসন।

আর ডিজিটাল বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ- মানবসম্পদ উন্নয়ন, নাগরিকদের সম্পৃক্ত করা, ডিজিটাল সরকার এবং আইটি বা আইটি ইএস ইন্ডাস্ট্রির সম্প্রসারণ।

এই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সেবা আমরা জনগণের ডিজিটাল পদ্ধতিতে দিচ্ছি। আইটি পণ্য বা সেবা রফতানির পরিমাণ এখন ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগামী চার বছরের মধ্যে আমরা পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চাই। এই খাতে প্রায় ১০ লাখ তরুণ কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ১০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা আছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘টেক মাহিন্দ্রা’কে সত্যিকারের বন্ধু মন্তব্য তিনি বলেন, এধরনের বিনিয়োগকারী বন্ধুদের আমরা সব সময়ই স্বাগত জানাই। তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে। যেমন- ২০২৪ সাল পর্যন্ত মুনাফার ওপর কর মওকুফ, ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কর রেয়াত, ১০ শতাংশ পর্যন্ত রফতানিতে ক্যাশ বোনাস ইত্যাদি। বাংলাদেশ বিনিয়োগের একটি আদর্শ স্থান।

নিজেদের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে ‘টেক মাহিন্দ্রা’র গ্লোবাল কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট ও বিজনেস হেড সুজিত বক্সী বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে উদীয়মান বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির দেখেছি। এখানকার লিডিং এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল টেকনোলজি প্রকৃতি আমাদের আকর্ষণ করেছে। টেক মাহিন্দ্রা ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দক্ষতার পরিচয় ইতোমধ্যে দিয়েছে। স্থানীয় প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে বাস্তব করতে চাই।

তিনি বলেন, টেক মাহিন্দ্রা বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশের বিভিন্ন ধরনের প্রফেশনাল সেবাগুলো অফার করছে; যার মধ্যে গ্রাহক হিসেবে রয়েছে- টেলিকম এবং ব্যাংকিং, ফিনান্সিয়াল সার্ভিস এবং ইন্সুরেন্সের মত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সেবা বাড়ানোর একটা অংশ হিসেবে টেক মাহিন্দ্রা গুরুত্ব দিচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর প্রকল্পে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি খাত এবং শিল্প কারখানাগুলোতে গুরুত্ব রয়েছে আমাদের। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে আমরা এক সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র