Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মুক্তি পেলো গেইম অব থ্রোনস উইন্টার ইজ কামিং গেমস

মুক্তি পেলো গেইম অব থ্রোনস উইন্টার ইজ কামিং  গেমস
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

 ১৪ এপ্রিল গেমস অফ থ্রোনসের পরবর্তী সিজন মুক্তি আগেই সারা বিশ্বে ইংরেজি সংস্করণে মুক্তি পেয়েছে ‘গেইম অব থ্রোনস উইন্টার ইজ কামিং’ ব্রাউজার গেইম। এটি তৈরি করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান ইয়োজো গেইম। রিয়েল টাইম স্ট্র্যাটেজি পিসি ব্রাউজার গেইমটি ওয়ার্নার ব্রাদার থেকে লাইসেন্স পেয়েছে।

অ্যাডার্ড স্টার্কের (নেড) মৃত্যুর পর থেকে শুরু হওয়া গেমটি এগিয়ে যাবে গেইম অব থ্রোনসের মূল গল্পের সাথে মিল রেখে। তার মৃত্যুর পর প্লেয়াররাই বসবেন সিংহাসনে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তাদেরকে সেনাঘাঁটি তৈরি ও অনুসারী যোগাড় করতে হবে। আর্মিদেরও প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

গেইমটি খেলার সময় আর্মি যোগাড় করতে প্লেয়াররা বন্ধুদের ইনভাইটেশনও পাঠাতে পারবেন। আয়রন থ্রোনে বসার জন্য গেইম এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে অর্থ, প্রভাব ও শক্তি সঞ্চয় করতে হবে।খেলার সময় অন্তত ৩০ রকম ভূখন্ড ও আবহাওয়ার দেখা মিলবে।

গেইম অব থ্রোনসের আসল টিভি সিরিজে ঢেকে রাখা কিছু রহস্যের সমাধানও করা যাবে গেইমটিতে। এছাড়াও, টিভি সিরিজটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তও যোগ করা হয়েছে গেইমটিতে। যেমন এতে রেড ওয়েডিংয়ের ঘটনার সাক্ষী হওয়া যাবে। এছাড়াও, সিরিজটির জনপ্রিয় কয়েকটি চরিত্রের দেখা মিলবে এতে। সিরিজটির জনপ্রিয় চরিত্র টিরিয়ন ল্যানস্টারের দেখা মিলবে এতে।

ইন্টারনেট ব্রাউজারে গেইমটি খেলতে না চাইলেও সমস্যা নেই। শীঘ্রই গেইমটি স্মার্টফোনেও খেলা যাবে। সরাসরি ব্রাউজারে খেলতে চাইলে ক্লিক করতে হবে এই ঠিকানায়। ডাউনলোড করতে চাইলে প্রবেশ করতে হবে এই ঠিকানায়।

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হবে গেইম অব থ্রোনসের অষ্টম সিজন।

আপনার মতামত লিখুন :

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র

এনওসি বন্ধ হতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন-রবি’র
বকেয়া পরিশোধ না করলে গ্রামীণফোন ও রবি’র এনওসি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিটিআরসি/ ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ডউইথে অবরোধ আরোপে সৃষ্ট অচলাবস্থার অবসানের পর এখন নো অবজেকশান সার্টিফিকেট বা এনওসির নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি ও গ্রামীণফোন।

বকেয়া আদায়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কর্তৃক নেওয়া ব্যান্ডউইথ ব্লকের সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হস্তক্ষেপে উঠিয়ে নেওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নিল বিটিআরসি।

বুধবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক। তিনি বলেন, ‘বিটিআরসি অপারেটরদের কাছে যে টাকা পায় সেটি রাষ্ট্রের টাকা। সুতরাং সেটি যেভাবেই হোক রাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য বিটিআরসি বদ্ধপরিকর।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563369084768.gif
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

জহুরুল হক বলেন, ‘এখানে কম আদায় করা বা মাফ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষা দিতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’ তবে কবে নাগাদ এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দেননি বিটিআরসি চেয়ারম্যান।

এনওসি বন্ধ করা হলে অপারেটগুলোর সব প্যাকেজ অনুমোদন বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন যন্ত্রপাতি আমদানি বন্ধ, নেটওয়ার্ক বিস্তারের অনুমোদনও বন্ধ হবে। সাধারণত যেকোনো কিছুর জন্যে বিটিআরসি থেকে এই এনওসি নিতে হয়। এমনকি ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলেও। অনেক ক্ষেত্রে অন্য কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে গেলেও এনওসি নিতে হয়।

গত এপ্রিলে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে গ্রামীণফোন ও ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার জন্য নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। টাকা পরিশোধের জন্য অপারেটর দুটিকে দুই সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়। বিটিআরসি থেকে তখন বলা হয়েছিল, গ্রামীণফোন ও রবির সর্বশেষ অডিটের পরে এই ডিমান্ড লেটার পাঠানো হয়েছে।

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’

‘ঘরে ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছি’
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

প্রত্যেক ঘরে ঘরে তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা মনে করি যে রূপান্তরটা আমরা করতে চাচ্ছি—বাংলাদেশের প্রত্যেক বাড়িতে দ্রুত গতির কানেক্টিভিটি যাতে পৌঁছাতে পারি, সেই কারণে তারা (ডিসি) তৃণমূলে কাজ করেন। বস্তুত পক্ষে আমরা ওই যে গ্রামের কথা বলছি, সেই গ্রাম পর্যন্ত যে নিয়ন্ত্রণের জায়গা, সহযোগিতার জায়গা—পুরোটাই কিন্তু জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের ওপর নির্ভর করে।

তিনি বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কানেক্টিভিটি তৈরি করা। এটা আমাদের কমিটমেন্ট। আমি যদি রেলপথ, নৌপথ, সড়ক পথের মতো আমার ইন্টারনেটের পথ তৈরি করতে না পারি তাহলে যে বাংলাদেশের কথাই বলি, ডিজিটাল বলি আর যাই বলি, কিছুই হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এইবার গ্রামগুলোকে শহর বানাতে চাইছি। গ্রামগুলোকে শহর বানানোর মানে কেবল গ্রামগুলোতে বিল্ডিং বানানো কিংবা রাস্তাঘাট পাকা করা কিংবা মানুষের যে অবস্থান আছে সেটা পরিবর্তন করা নয়। ডিজিটাল রূপান্তর সারা পৃথিবীতে হচ্ছে। আমাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করেই রূপান্তরটা করতে হবে। সামনের দিনে আপনি কৃষি থেকে শুরু করে হেন কিছু পাবেন না যেখানে আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করব না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, যদি স্বাস্থ্যসেবা দিতে হয় তাহলেও ডাক্তার পৌঁছে স্পেশালিস্ট দিয়ে সেবা দেওয়ার চাইতে সহজ হয়ে যাবে টেলি মেডিসিন ব্যবহার করা। আইটি ব্যবহার করা সহজ হয়ে যাবে প্রচলিত কৃষি উন্নয়নের জন্য।

তিনি আরও বলেন, আমি যদি কোথাও একটা ফাইবার বসাতে চাই তাহলে সেখানে আমার ফাইবার বসানোর লোকটার নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা লাগে। রাস্তা কাটার জন্য তার অনুমতি দরকার হয়। আমি আশাবাদী, জেলা প্রশাসকরা নতুন পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াবেন। প্রশাসনে পরিবর্তন আসছে। প্রশাসন কাজের দিক থেকে ডিজিটাল হচ্ছে। ডিজিটাল প্রশাসন রূপান্তর করাও আসলে তৃণমূল থেকে করতে হবে। তাদের বলেছি, আপনারা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল‌ রেভল্যুশনের জন্য প্রস্তুত হোন।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের টাইমলাইন একুশ সাল। এই সময়ের জন্য যা যা করণীয় আছে তার জন্য তৈরি হোন। আমি মনে করি আমাদের জনগণ কোন অবস্থাতেই পেছনে পড়ে থাকে না। তারাও তাদের সাথে সহযোগিতা করবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দিক থেকে কমিটমেন্টটা এই রকম যে, আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝাই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে, প্রত্যেক মানুষের কাছে কানেক্টিভিটি যেন থাকে। জেলা প্রশাসকরা এই বিষয়ে উৎসাহী, তারা সহযোগিতা করবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র