Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

স্যামসাং ইস্পোর্টস ২০১৯ চ্যাম্পিয়ন আইইউবি রানার আপ ইউল্যাব

স্যামসাং ইস্পোর্টস ২০১৯ চ্যাম্পিয়ন আইইউবি রানার আপ ইউল্যাব
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

স্যামসাং ইস্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশীপ ২০১৯’ -এর চ্যাম্পিয়ন আইইউবি’র ‘ফাইনাল রাইজ’ এবং  রানারআপ খেতাব জিতেছে ইউল্যাবের কেটিআর ২। । এতে গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়নশীপ শিরোপার জন্য দেশের ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪৮টি দল অংশ নেয়।

শনিবার(২৪ মার্চ) ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের অডিটরিয়ামে প্রতিযোগিতাটির সমাপনী ঘোষণা করা হয়। 

গত মার্চ ৬ থেকে শুরু হয়ে আজ আইইউবি-এর দল ফাইনাল রাইজ উক্ত গেমিং প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়নশীপ খেতাব জিতে নিয়েছে।

অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সকল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতাটি উন্মুক্ত থাকায়, দল গঠন করে তারা গেমিং প্রতিযোগিতাটিতে অংশ নিয়েছিলো। ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেরা ১টি করে মোট ৬টি দল মূল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় ১টি দল প্রথমবারের মতো ‘স্যামসাং ইস্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশীপ’-এর গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন খেতাব জিতেছে। উল্লেখ্য, পুরো প্রতিযোগিতায় স্যামসাং-এর কিউএলইডি সুপার আল্ট্রা-গেমিং মনিটরে গেম খেলে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।

এছাড়া সেরা ৬টি দল হচ্ছে ব্র্যাকের নো প্র্যাকটিস, ইডব্লিউইউ-এর ডেমিগডস, এআইইউবি-এর টিম সুনামি, এনএসইউ-এর ইলিসিট গেমিং, ইউল্যাবের কেটিআর ২ এবং আইইউবি-এর ফাইনার রাইজ।

 সেরা ৬টি দলই পেয়েছে স্যামসাং-এর পক্ষ থেকে আকর্ষণীয় উপহার। চ্যাম্পিয়ন দলের ৫ জনের প্রত্যেককে একটি করে স্যামসাং ২৭ ইঞ্চির গেমিং মনিটর, রানারআপ দলের ৫ জনের প্রত্যেককে একটি করে স্যামসাং ২৪ ইঞ্চির গেমিং মনিটর এবং বাকি ৪টি দলের ২০ জনের প্রত্যেককে একটি করে স্যামসাং ১৮.৫ ইঞ্চির গেমিং মনিটর পুরস্কার হিসেবে দিয়েছে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ।

 প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্সের হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, “গ্লোবাল ইস্পোর্টস প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভূক্তির লক্ষ্যে আমাদের নতুন এই দীর্ঘ-মেয়াদী পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অনলাইন গেমিং ইকোসিস্টেম তৈরিতে স্থানীয় অনলাইন গেমারদের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা করাই আমারদের মূল লক্ষ্য।”   

স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের হেড অব সেলস সাদ্ বিন হাসান; স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং খন্দকার আশিক ইকবাল এবং স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের প্রোডাক্ট ম্যানেজার-আইটি মাহবুবুল আকরামসহ স্যামসাং-এর অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও আইইউবি-এর হেড অব সিএসই ড. মেহেদী হাসানসহ অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, ক্লাব সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এবারের আসরে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ। 

 

আপনার মতামত লিখুন :

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদকদের জন্য সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেস বা বাজার হতে পারে অ্যামাজন। বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম তৈরি হতে যাচ্ছে এই মার্কেটপ্লেস।

স্বল্প বিনিয়োগে অ্যামাজনের মাধ্যমে তথা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিশ্ব বাজারে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারেন দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুলাই) অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা পাইওনিয়ারের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘দ্যা পাইওনিয়ার ফোরাম: সেলিং গ্লোবালি উইথ অ্যামাজন’ শীর্ষক সম্মেলনে এমনটাই জানান অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান, পাইওনিয়ারের ডিরেক্ট সেলস (ই- কমার্স) বিভাগের প্রধান অমিত আরোরা, অ্যামাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই, ই-কমার্স সাইট স্টেলকরের প্রতিষ্ঠাতা ভারত মণ্ডত, একস প্রো এবং টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, পাইওনিয়ার সব সময় স্থানীয় কমিউনিটি নিয়ে কাজ করে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার বাংলাদেশ এখনকার স্থানীয় কমিউনিটিদের নিয়ে বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে। অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারকদের দারুণ একটি সম্ভাবনা আছে, যা আমরা অনেকেই সেভাবে জানি না। সে বিষয়েই সবাইকে জানাতে এবং অ্যামাজনের প্রতিনিধিদের সাথে আমাদের স্থানীয়দের একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি করতে পাইওনিয়ারের এই আয়োজন।

‘যেমন এখানে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে দেশীয় উদ্যোক্তারা সরাসরি যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পেলেন আজ। উপরন্তু অ্যামাজনের সাথে দেশীয় যেসব ব্যবসায়ীরা কাজ করবেন তাদের টাকা আমাজন থেকে বৈধ উপায়ে দেশে নিয়ে আসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবেও কাজ করতে পারে পাইওনিয়ার। অ্যামাজন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিলেই এখানকার ব্যবসায়ী দেশে বসেই তার টাকা পেয়ে যাবে। কারণ অ্যামাজনের পার্টনার পাইওনিয়ার। ব্যবসায়ীদের টাকা পেতে আর বাড়তি কোন ঝামেলা নিতে হবে না।’

অ্যামাজনের সাথে ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরে আমাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই বলেন, বাংলাদেশে অনেক ধরনের পণ্য আছে যেগুলোর বিশ্ব বাজারে ভাল চাহিদা আছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের টুলসের মাধ্যমে এনালাইসিস করে জানতে পেরেছি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কাপড় চামড়াজাত পন্যে সহ হেলথ, কসমেটিক পণ্য, খাবারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পণ্যের ব্যবসায়ীরা অ্যামাজনের সাহায্য নিয়ে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন। আপনার একটি পণ্য রপ্তানি করতে হলে আপনার গোডাঊন থাকা লাগে, আর কেউ খুচরা বিক্রি করতে চাইলে তার খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এখন অ্যামাজ চলে আসায় এই সমস্যা গুলো থাকবেনা এবং গ্লোবাল সেলারদের সাথে একটা ভালো নেটওয়ার্ক তৈরিরও সুযোগ তৈরি হবে। আর বাল্ক হিসেবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির সুযোগ ও তৈরি হয় অ্যামাজনে। এখন শুধু অ্যামাজনে একটি আইডি, ব্যাংক একাউন্ট, ইমেইল এড্রেস থাকলেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হতে পারবেন একজন।

একস প্রো এবং টেক রাজশাহী এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান বলেন, অ্যামাজনের সাথে কাজ করা বিভিন্ন ধরনের সেলার দের সেবা দিয়ে আমরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪৪টি গ্রাহক আছে আমাদের যার মাত্র একটি বাংলাদেশের। তাই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বড় এবং সম্ভাবনাময়ী বাজার পড়ে আছে। যারা এই প্ল্যাটফর্মে আসবেন তাদের নানাবিধ সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাইওনিয়ার আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

অংশগ্রহণ কম হলেও প্রোগ্রামিংয়ে মেয়েদের আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার (২০ জুলাই) এসিএম-ইন্টারন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০১৯ -এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি সৃজনশীল কাজ। প্রোগ্রামিং কঠিন কোনো কাজ নয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি যাই আসুক না কেন, প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য প্রোগ্রামিং প্রয়োজন। দেশে প্রোগ্রামিং উৎসাহিত করতে এক বছর আগে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু করেছি।

Mostofa Jabbar

দেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ৫৩ ভাগ নারী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য জিইউ আহসান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাত হোসেন।

প্রতিযোগিতায় ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোস্তাফা জব্বার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র