Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

১০ বছর পরে পৃথিবীতে কোনো বিশেষ ভাষা রাজত্ব করবে না

১০ বছর পরে পৃথিবীতে কোনো বিশেষ ভাষা রাজত্ব করবে না
ছবিঃ সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

১০ বছর পরে পৃথিবী হবে মাতৃভাষার পৃথিবী,এখানে  কোন বিশেষ ভাষা রাজত্ব করবেনা বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, আজকে আমরা যদি বাংলাকে সেই স্থানে নিয়ে যেতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে থাকবো। তাই প্রযুক্তির সাথে বাংলা ভাষাকে সম্পৃক্ত করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

শনিবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ডিজিটাল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ এর ডিজিটাল কেওয়াইসি নিবন্ধন প্রক্রিয়া উদ্বোধন কালে এসব মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন  আজকের নগদের এই সেবা উদ্বোধন এর মাধ্যমে কে ওয়াই সি এর মত একটি সময়সাপেক্ষ  বিষয়কে অনেক দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হয়েছে। ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস কে আরও সুপরিচিত করতে এ সেক্টরে প্রতিযোগিতা প্রয়োজন আর নগদ এই সেক্টর কে নিয়ে কাজ করার ফলে এ প্রতিযোগিতার দ্বার উন্মোচিত হলো।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুশান্ত কুমার মন্ডল বলেন, ‘আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের একশ’ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশজুড়ে ডাক বিভাগের ৯৮৮৬টি ডাকঘর ও এর কর্মী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডিজিটাল আর্থিক খাতে দ্রুততা ও কার্যকারীতার সাথে আমরা যেকোনো অনিয়ম মোকাবিলায় প্রস্তুত।’ 

অনুষ্ঠানে বিজয় সফটওয়্যার এর গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ. মিশুক বলেন, এই সফটওয়্যার এর কারণে কেওয়াইসি ডিজিটালাইজড করা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন ‘দেশের যেসব মানুষ আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বাইরে রয়েছে তাদের আর্থিক স্বাধীনতা প্রদানের লক্ষ্যেই নগদ কাজ করে যাচ্ছে।

গ্রাহকদের জন্য ঝামেলাহীন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে এই  ডিজিটাল কেওয়াইসি নিবন্ধন উন্মোচন করলো নগদ।  এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ক্রেতাদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধনকৃত মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে হবে। গ্রাহকের ছবি ও পরিচয়পত্রের তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় রিয়েল টাইমে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের সাথে মিলিয়ে দেখা হবে। কেওয়াইসি আবেদন পত্রের নির্দিষ্ট ঘর স্বয়ংক্রিয় স্ক্যানিং প্রক্রিয়ায় পরিচয় পত্রের তথ্য থেকে পূরণ হবে। এক্ষেত্রে, প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে।

বর্তমানে নগদ অ্যাপটি শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মেই রয়েছে। কম মেগাবাইটের সহজে ব্যবহারযোগ্য এ অ্যাপটির বেটা সংস্করণে ব্যবহারকারী ছিলো ৫০ হাজারেরও বেশি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

নিজেকে বুড়ো বানাতে গিয়ে খোয়াতে পারেন ফেসবুক আইডি

নিজেকে বুড়ো বানাতে গিয়ে খোয়াতে পারেন ফেসবুক আইডি
ফেসঅ্যাপের ইন্টারফেস

কয়েকদিন থেকেই অ্যাপ্স ব্যবহার করে বুড়ো বয়সে নিজেকে কেমন দেখাবে তা বের করার ট্রেন্ড চলছে। আর সেসব ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ব্যাপক সারা ফেলা অ্যাপ্সটি অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যবহারকারীদের নজরে চলে এসেছে। আসবে না-ই বা কেন? কে না চায় নিজের ভবিষ্যৎ আগাম দেখতে?

কিন্তু নিজের বিনোদনের জন্য যে কাজ করে যাচ্ছেন তা কি আসলেই আপনার জন্য নিরাপদ? একবার কি ভেবে দেখেছেন এর মাধ্যমে নিজেই নিজের তথ্য অন্যের হাতে তুলে দিচ্ছেন!

মনে হতে পারে একটি অ্যাপ্স কিভাবে তথ্য কিভাবে হাতিয়ে নেবে? একটু খেয়াল করলেই এর জবাব খুঁজে পাবেন। এসব অ্যাপ্স ব্যবহার করতে হলে প্রায় সময় বিভিন্ন ব্যক্তিগত জিনিসের একসেস দিতে হয়। ছবি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অ্যাপ্সগুলো আপনার গ্যালারির একসেস চায়। আর এভাবেই এসব অ্যাপ্স আপনার গ্যালারিতে কী কী আছে সব জেনে নিতে পারে।

এর আগেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অ্যাপ্স ভাইরাল হয়েছে। যেমন নিজেকে দেখতে কোন নায়ক বা নায়িকার মতো দেখতে কিংবা ছেলে না হয়ে মেয়ে হলে কেমন দেখাত ইত্যাদি। এসব নিয়েও একসময় কম মাতামাতি হয়নি। কিন্তু লক্ষ করলে দেখা যায়, যখনই এমন কোনো অ্যাপ্স ভাইরাল হয় তার পরপরই অনেকের আইডি হারিয়ে যেতে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক আইডি ডিজেবল কিংবা ফেসবুক কর্তৃক সাময়িক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে।

তাই বলে কি এসব অ্যাপ্স ব্যবহার করব না? হ্যাঁ, করবেন। মানুষের জীবনে বিনোদনের দরকার আছে। তবে বিনোদন যেন দুশ্চিন্তার কারণ না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরি।

কিভাবে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়?

এসব অ্যাপ্সের কবল থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে ব্যবহার শেষে অ্যাপ্সটি আনইন্সটল করে দিতে পারেন। অন্তত ফোর্স স্টপ করে রাখতে পারেন যেন সেটি আপনার অগোচরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কোনো তথ্য হাতিয়ে নিতে না পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/16/1563263095036.jpg
সেটিংস এন্ড প্রাইভেসি সেকশনে থাকা অ্যাপ্স অপশন থেকে নির্দিষ্ট অ্যাপস রিমুভ করা যায় ◢

 

আর যেসব অ্যাপ্সের ক্ষেত্রে ফেসবুকের কানেকশন দরকার হয় সেসব ব্যবহারের পরে ফেসবুকের সেটিংস এন্ড প্রাইভেসি সেকশনে থাকা অ্যাপ্স অপশন থেকে নির্দিষ্ট অ্যাপ্সটি রিমুভ করে দিতে পারেন। এ সাবধানতা অবলম্বনের ফলে অ্যাপ্সটি পরবর্তী সময়ে আপনার কোনো তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে না।

নিয়ম মেনে সচেতনতার সাথে প্রযুক্তির ব্যবহার করলে এটি আপনার জন্য অকল্যাণ নয়, বরং কল্যাণই বয়ে আনবে।

ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে যত আশঙ্কা

ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা নিয়ে যত আশঙ্কা
ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা 'লিব্রা' ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকের বহুল প্রতীক্ষিত ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সি লিব্রার ঘোষণার পর থেকেই গ্রাহকদের প্রাইভেসি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (১৫ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষের সাধারণ সম্পাদক স্টিভেন ম্যানিউচেন ফেসবুকের ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে এর বিরোধিতা করেন।

ম্যানিউচেন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে অর্থ পাচার এবং জঙ্গি তৎপরতার অর্থায়নে ব্যবহৃত হতে পারে। যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ফেসবুকের এই ডিজিটাল কারেন্সি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

লিব্রার তত্ত্বাবধানে থাকা ডেভিড মার্কাস বলেন, সিনেট ব্যাংকিং কমিটির কাছ থেকে অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত ফেসবুক তাদের ডিজিটাল মুদ্রার কাজ শুরু করবে না।

ম্যানিউচেন বলে, ফেসবুককে লিব্রার কার্যক্রম শুরু করতে হলে আর্থিক নিয়ন্ত্রকদের কাছে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে লিব্রার জন্য রেগুলেটরি কমিশনের কী রকম বিধি-নিষেধ থাকতে পারে এবিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

তিনি বলেন, ‘ক্রিপ্টোকারন্সি দিয়ে সাইবার অপরাধ, কর ফাঁকি, চাঁদাবাজি, মাদকজাতদ্রব্য কেনা এবং মানব পাচারের মতো কোটি কোটি ডলারের অবৈধ কার্যকলাপ সংগঠিত হতে পারে। যা কোনোভাবেই আমাদের কাম্য নয়।’

গত সপ্তাহে, ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি টুইট পোস্টে লেখেন তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সির ভক্ত নন এবং এজন্য ফেসবুককে ব্যাকিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
ফেডারেল রিজার্ভের প্রধান জেরোম পাওয়েল গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে,  এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বিভিন্ন মহলে গুরুতর উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।

লিব্রা কি
ফেসবুকের নিজস্ব গ্লোবাল ডিজিটাল কারেন্সির লিব্রা। যা লিব্রা অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক পরিচালনা করা হবে। এছাড়া ‘ক্যালিব্রা’ নামের একটি সাবসিডিয়ারি চালু করেছে, যা ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে। যেখানে ব্যবহারকারীর ভার্চুয়াল মুদ্রা সংরক্ষণ, আদান-প্রদান ও খরচ করার সুবিধা থাকবে। ২০২০ সালের প্রথমার্ধেই নতুন এ মুদ্রা বাজারে চালু করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক।

সূত্র: বিবিসি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র