Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

অনুমোদনহীন পাঠাও পে, চলছে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

অনুমোদনহীন পাঠাও পে, চলছে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
অনুমোদনহীন পাঠাও পে।
তাসকিন আল আনাস
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও নিয়ন্ত্রিত ই-ওয়ালেট  ‘পাঠাও পে’ অনুমোদনহীন হওয়া সত্ত্বেও চালিয়ে যাচ্ছে তার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় পাঠাও অ্যাপসে প্রবেশ করলেই একটি পপআপ বার্তার মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশনবিহীন গ্রাহকদের পাঠাও পে’তে  রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়।

গ্রাহকরা এই বার্তা উপেক্ষা করতে পারলেও বার বার একই বার্তা প্রদর্শন করায় অনেকেই বিরক্ত হয়ে রেজিস্ট্রেশন করছেন। ইতিমধ্যে এই পাঠাও পে তে অনেক গ্রাহক টাকাও রিচার্জ করে ফেলেন । তবে এর মধ্যে যে সকল গ্রাহক রাইড নেয়ার পর চালকদের  পাঠাও পে’তে টাকা প্রদান করেছেন তাদের অনেকেই নিজেদের টাকা এখনো তুলতে পারেনি বলেও অভিযোগ জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/23/1537674607721.jpg

এছাড়াও কিছুদিন চালু থাকার পর অনেক গ্রাহক ডিসকাউন্ট এর আশায় পাঠাও’পে তে রিচার্জ করলেও সার্ভিস উন্নয়নের দোহাই দিয়ে বন্ধ থাকায়  সম্পূর্ণ টাকাই ওয়ালেট এ অলস পড়ে রয়েছে।

পাঠাও পে এর সীমাবদ্ধতা জানাতে গিয়ে কয়েকজন চালক জানান, আমাদের  টাকা লাগে নগদ, আমাদের যদি টাকা পরে দেয়া হয় তাইলে লাভ কি। আবার এই সব চক্করে পরে আমাদের টাকাও আটকে আছে । এছাড়াও বকেয়া সমন্বয় করতে গিয়েও অনেকে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলেও জানান।

পাঠাওতে রেজিস্ট্রেশন করা কয়েকজন ভুক্তভুগী গ্রাহক জানান, তারা ট্রায়াল বেসিসে পাঠাও ওয়ালেটে রিচার্জ করেছিলেন কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা সেই টাকা ব্যবহার ও করতে পারছেন না। আর অফিস থেকে যাওয়া আসার সময় না পাওয়ায় সে টাকা উত্তোলন ও করা হচ্ছেনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/23/1537674543360.jpg

এত অভিযোগ যখন পাঠাও পে এর দিকে তখন এর অনুমদোনহীনতা কে অস্বীকার করে  কর্তৃপক্ষ জানায় পাঠাও পে অনুমোদনহীন নয় বরং এর সেবা উন্নত করনে কাজ চলছে। এছাড়াও সবার টাকাও ইতিমধ্যে পরিশোধ করে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তারা  ।

তবে অনুমোদন এর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এর গণমাধ্যম মুখপাত্র সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করে হলে তিনি জানান, পুরো বিষয়টি এখনো অনুমোদন দেয়া হয়নি, বিষয়টি এখনো প্রক্রিয়াধীন। এসময়ে এই গেটওয়ে ব্যবহার করে যে কোন প্রকার লেনদেনই অবৈধ। আমরা তো যে কাউকে  এসকল প্রক্রিয়ার অনুমোদন দিয়ে দিতে পারিনা।

অন্যদিকে পাঠাও পে এর চালু করার কারণ উল্লেখ করতে  গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ ফাহাদ বার্তা২৪.কমকে জানান ‘ আমরা আসলে টাকা আদান প্রদান এর পুরো বিষয়টিকে সহজ করতে চেয়েছি। অন্যান্য গেটওয়ে ব্যবহার করতে হলে অনেকগুলো ধাপ পার হতে হয় কিন্তু এখানে গ্রাহক ও চালক একেবারেই পরিশোধ করে দিতে পারছে।

এর বিড়ম্বনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যে কোন পদক্ষেপ এর শুরুতেই বিড়ম্বনা থাকে , আস্তে আস্তে সেগুলো সীমিত হয়ে আসে।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের মে মাসে চালু হয় এই পাঠাও ই-ওয়ালেট তবে চালু হবার কয়েকমাস পরই এই ওয়ালেট সেবা ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন অনুমোদনহীন ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরই কারিগরি প্রক্রিয়ার উন্নয়ন চলছে এমন বার্তা প্রদান করে সম্পূর্ণ সেবা বন্ধ করে দেয় পাঠাও কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন :

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে

যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি অ্যামাজনে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদকদের জন্য সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেস বা বাজার হতে পারে অ্যামাজন। বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের চাহিদা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিশ্বের কাছে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম তৈরি হতে যাচ্ছে এই মার্কেটপ্লেস।

স্বল্প বিনিয়োগে অ্যামাজনের মাধ্যমে তথা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিশ্ব বাজারে নিজেদের পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারেন দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ জুলাই) অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা পাইওনিয়ারের উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘দ্যা পাইওনিয়ার ফোরাম: সেলিং গ্লোবালি উইথ অ্যামাজন’ শীর্ষক সম্মেলনে এমনটাই জানান অ্যামাজন এবং অন্যান্য ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান, পাইওনিয়ারের ডিরেক্ট সেলস (ই- কমার্স) বিভাগের প্রধান অমিত আরোরা, অ্যামাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই, ই-কমার্স সাইট স্টেলকরের প্রতিষ্ঠাতা ভারত মণ্ডত, একস প্রো এবং টেক রাজশাহীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পাইওয়ানিয়ার বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান নাহিদ হাসান বলেন, পাইওনিয়ার সব সময় স্থানীয় কমিউনিটি নিয়ে কাজ করে। সেই হিসেবে পাইওনিয়ার বাংলাদেশ এখনকার স্থানীয় কমিউনিটিদের নিয়ে বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের সাহায্যে কাজ করে যাচ্ছে। অ্যামাজনের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারকদের দারুণ একটি সম্ভাবনা আছে, যা আমরা অনেকেই সেভাবে জানি না। সে বিষয়েই সবাইকে জানাতে এবং অ্যামাজনের প্রতিনিধিদের সাথে আমাদের স্থানীয়দের একটি যোগাযোগ সেতু তৈরি করতে পাইওনিয়ারের এই আয়োজন।

‘যেমন এখানে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে দেশীয় উদ্যোক্তারা সরাসরি যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পেলেন আজ। উপরন্তু অ্যামাজনের সাথে দেশীয় যেসব ব্যবসায়ীরা কাজ করবেন তাদের টাকা আমাজন থেকে বৈধ উপায়ে দেশে নিয়ে আসার জন্য পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবেও কাজ করতে পারে পাইওনিয়ার। অ্যামাজন ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিলেই এখানকার ব্যবসায়ী দেশে বসেই তার টাকা পেয়ে যাবে। কারণ অ্যামাজনের পার্টনার পাইওনিয়ার। ব্যবসায়ীদের টাকা পেতে আর বাড়তি কোন ঝামেলা নিতে হবে না।’

অ্যামাজনের সাথে ব্যবসার বিভিন্ন দিক ও সম্ভাবনা তুলে ধরে আমাজনের সেলস অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আংশুমান হার্জাই বলেন, বাংলাদেশে অনেক ধরনের পণ্য আছে যেগুলোর বিশ্ব বাজারে ভাল চাহিদা আছে। আমরা আমাদের বিভিন্ন ধরনের টুলসের মাধ্যমে এনালাইসিস করে জানতে পেরেছি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি কাপড় চামড়াজাত পন্যে সহ হেলথ, কসমেটিক পণ্য, খাবারের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পণ্যের ব্যবসায়ীরা অ্যামাজনের সাহায্য নিয়ে নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার সুযোগ পাবেন। আপনার একটি পণ্য রপ্তানি করতে হলে আপনার গোডাঊন থাকা লাগে, আর কেউ খুচরা বিক্রি করতে চাইলে তার খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু এখন অ্যামাজ চলে আসায় এই সমস্যা গুলো থাকবেনা এবং গ্লোবাল সেলারদের সাথে একটা ভালো নেটওয়ার্ক তৈরিরও সুযোগ তৈরি হবে। আর বাল্ক হিসেবে বিপুল পরিমাণ পণ্য রপ্তানির সুযোগ ও তৈরি হয় অ্যামাজনে। এখন শুধু অ্যামাজনে একটি আইডি, ব্যাংক একাউন্ট, ইমেইল এড্রেস থাকলেই বিশ্ববাজারে প্রতিযোগী হতে পারবেন একজন।

একস প্রো এবং টেক রাজশাহী এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহফুজুর রহমান বলেন, অ্যামাজনের সাথে কাজ করা বিভিন্ন ধরনের সেলার দের সেবা দিয়ে আমরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪৪টি গ্রাহক আছে আমাদের যার মাত্র একটি বাংলাদেশের। তাই বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের জন্য বড় এবং সম্ভাবনাময়ী বাজার পড়ে আছে। যারা এই প্ল্যাটফর্মে আসবেন তাদের নানাবিধ সেবা দিতে প্রস্তুত আমরা।

পাইওনিয়ার আয়োজিত এই সম্মেলনে দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন।

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার

মেয়েদের প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ বাড়ছে: মোস্তাফা জব্বার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

অংশগ্রহণ কম হলেও প্রোগ্রামিংয়ে মেয়েদের আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার (২০ জুলাই) এসিএম-ইন্টারন্যাশনাল গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০১৯ -এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি সৃজনশীল কাজ। প্রোগ্রামিং কঠিন কোনো কাজ নয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি যাই আসুক না কেন, প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টিকে থাকার জন্য প্রোগ্রামিং প্রয়োজন। দেশে প্রোগ্রামিং উৎসাহিত করতে এক বছর আগে জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু করেছি।

Mostofa Jabbar

দেশে নারী শিক্ষার অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মোট শিক্ষার্থীর শতকরা ৫৩ ভাগ নারী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর আতিকুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য জিইউ আহসান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাত হোসেন।

প্রতিযোগিতায় ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোস্তাফা জব্বার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র