Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

সরগরম ঝিনাইদহের বিনোদনকেন্দ্রগুলো

সরগরম ঝিনাইদহের বিনোদনকেন্দ্রগুলো
ঈদের তৃতীয় দিনে জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে দর্শনার্থীদের ভিড়/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঝিনাইদহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ শেষ হলেও কাটেনি আমেজ। আর তাই ঈদের তৃতীয় দিনেও ঝিনাইদহের বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে আনন্দপিয়াসু মানুষদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকে শহরের জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্ক, তামান্না ওয়ার্ল্ড ফ্যামিলি পার্কসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলো মুখরিত হয়ে উঠে দর্শনার্থীদের কোলাহলে। নাগরদোলা, হানি সুইং, ট্রেন, লুডু খেলাসহ বিভিন্ন রাইডে অংশ নিয়ে আনন্দে মেতে উঠেন নানা বয়সী মানুষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565797632597.gif

শহরের বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, নানা বয়সী নারী-পুরুষ, শিশু বিভিন্ন রাইডে উঠা, ফুচকা-চটপটিসহ বিভিন্ন খাবার খেয়ে সময় কাটাচ্ছে।

জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কে শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকা থেকে আসা সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘ঈদের দিন কোরবানির কারণে বের হতে পারিনি। মঙ্গলবার সারাদিন বৃষ্টি হয়েছে তাই আসিনি। আজ (বুধবার) বৃষ্টি না হওয়ায় এসেছি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু সময় কাটাচ্ছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565797647448.gif

সদর উপজেলার নগর বাথান গ্রাম থেকে আসা জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘সারাবছর ব্যস্ততার কারণে পরিবারকে সময় দিতে পারি না। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছি। তাই শিশুদের নিয়ে একটু বাইরে বের হওয়া। এখানে এসে শিশুরা খুব আনন্দ করছে।’

জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কের স্বত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘ঈদের দিন বিকালে বৃষ্টির কারণে দর্শনার্থী কম ছিল। এছাড়াও গতকাল বৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃষ্টি না থাকার কারণে দর্শনার্থীদের ভিড় হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া না থাকলে আরও কয়েকদিন দর্শনার্থীরা আসবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই
কোম্পানীগঞ্জ বাজারে লাগা আগুন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুমিল্লার মুরাদনগরে অগ্নিকাণ্ডে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আঁখি এন্টারপ্রাইজ, প্লাস্টিক সামগ্রী বিক্রয়ের দোকান, মাছের আড়ত, বস্তা বিক্রয়ের দোকান এবং বাকি ৬টি ভাঙারির দোকান।

মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের স্টেশন অফিসার মো. বিল্লাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রাত সোয়া ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে মাছের আড়তসহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।’

তবে কীভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান
হাসপাতালে দুদকের অভিযান, ছবি: সংগৃহীত

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে জেলা শহর মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একজন ডাক্তার। এ খবর পেয়ে তার চেম্বারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ কর্মস্থলে না গিয়ে অফিসের সময়ে রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন এ খবর পেয়ে দুদক ওই ডাক্তারের চেম্বারে অভিযান চালায়। দুদক ওই ডাক্তারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এ সময় তার প্রেসক্রিপশনে দেখা যায়, তিনি ব্যবস্থাপত্রে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন অথচ তার এমবিবিএস ব্যতীত অন্য কোন ডিগ্রি নেই। এছাড়া তিনি প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা অবধি রোগী দেখেন বলে ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করেছেন। 

পরে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান এসে ওই ডাক্তারের ডিউটি রোস্টার ও ডিজিটাল উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে হাজিরাসহ অন্যান্য ডাক্তারদের উপস্থিতিতে অসংগতি দেখতে পায়। এসময় হাসপাতালে গোডাউন রেজিস্টারের সঙ্গে ওষুধ সরবরাহে অব্যবস্থাপনা পাওয়া যায়। যাচাইকালে অন্যান্য ডাক্তারদের ডিজিটাল উপস্থিতিতেও অসংগতি পাওয়া যায়।

দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুদকের হট লাইনে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তের পর প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র