Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভারত থেকে দেশে ফিরল পাচারের শিকার ৮ নারী-শিশু

ভারত থেকে দেশে ফিরল পাচারের শিকার ৮ নারী-শিশু
ফিরে আসা পাচারের শিকার নারী ও শিশুরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বেনাপোল (যশোর)


  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতে পাচারের শিকার বাংলাদেশি আট নারী ও শিশুকে ট্রাভেল পারমিট প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠিয়েছে ভারত সরকার।

মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৫টায় কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

রাইটস যশোর নামে একটি এনজিও সংস্থা সাত নারী, শিশুকে ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এক নারীকে তাদেরকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে নিজেদের জিম্মায় নিয়েছে।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন- কক্সবাজারের ইসমোতারা (২৬), খুলনার নিপা (২২), ঝিনেদাহের ময়না (২৫), পিরোজপুরের সনিয়া (২৬), ময়মনসিংহের বিলকিস (২৪),নড়াইলের লিমা (২৩) ও সাথে শিশু আমান (৩)।

পাচারের শিকার ময়মনসিংহের বিলকিস জানান, ভালো কাজের কথা বলে তাকে সীমান্ত পথে ভারতে নিয়ে যায়। পরে দালালরা তাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে আসে। ভারতীয় পুলিশ তাকে আটক করে জেলে পাঠায়। সেখান থেকে মুম্বাইয়ের কেসকিউ ফাউন্ডেশন নামে একটি এনজিও সংস্থা তাকে ছাড়িয়ে নিজেদের আশ্রয়ে রাখে। দুই বছর পর তিনি বাড়ি ফিরছেন।

এনজিও সংস্থা যশোর রাইটসের তথ্য ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা তৌফিকুজ্জামান জানান, দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদেরকে স্বদেশ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত আনা হয়েছে। এরা যদি পাচারকারীদের শনাক্ত করে মামলা করতে চাই আইনি সহায়তা করা হবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মাসুম বিল্লাহ জানান, কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদেরকে পোর্টথানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

রোহিঙ্গা সংকটের ২ বছর আজ

রোহিঙ্গা সংকটের ২ বছর আজ
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় রোহিঙ্গারা/ ফাইল ছবি

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। ঐদিন মিয়ানমারের সেনা চৌকিতে হামলার অভিযোগে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। এরপর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আকাশে উড়ছে আগুনের কালো ধোঁয়া। সেই দৃশ্য দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত দিয়ে।

তারপরই হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশের প্রবেশের আকুতি জানায়। সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে বাংলাদেশ সরকার। কিছুক্ষণ পরই ঘোষণা আসল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মানবিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার। সেই নির্দেশ সীমান্ত এলাকায় পৌঁছার সাথে সাথে রোহিঙ্গারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে উখিয়া-টেকনাফে ঢুকতে থাকে। নৌ পথে বাংলাদেশে আসতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে মারা যায় প্রায় তিন শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু।

কেউ এসেছে গুলিবিদ্ধ, কেউ এসেছে ধর্ষিত হয়ে। নির্মম নির্যাতনের শিকার অনেক রোহিঙ্গাকে দেখে হতবাক হয়েছে স্থানীয়রা। তাই নিজেদের ভাত খাইয়েছেন রোহিঙ্গা মুসলিমদের। এমন কি, নিজেদের থাকার ঘরেও ভাগাভাগি করে থেকেছেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশ্বের বড় বড় এনজিও ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাম্প তৈরি করে। উখিয়া-টেকনাফের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার একর ভূমিতে ৩২টি ক্যাম্পে ভাগ হয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার বসবাস।

রোববার (২৫ আগস্ট) রোহিঙ্গা সংকটের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। দুই বছর ধরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। চাপের মুখে এক পর্যায়ে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মতি দেয়। পর পর দুই বার প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনা করে।

তবে এ আলোচনা কোনো ধরনের আলোর মুখ দেখেনি। দুই বার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সব প্রস্তুতি নিয়েও তা শুরু করা যায়নি। তার পেছনে কিছু এনজিও সংস্থার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনবিরোধী প্রচারণাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে কী পেয়েছে বাংলাদেশ? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলেই উঠে আসে ভয়াবহ এক চিত্র। যার মধ্যে রয়েছে, নিজেদের জমির উপর যাদের আশ্রয় দিয়েছেন সেসব রোহিঙ্গারা এখন বাংলাদেশিদের অপহরণ ও হত্যা করছে। পাশাপাশি বেপরোয়া আচরণে এখন আতঙ্কিত উখিয়া-টেকনাফবাসী।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উখিয়া ও টেকনাফের সবুজ পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের বসবাসের ঘর তৈরির জন্য কেটে ফেলা হয়েছে পাহাড়ি ছোট-বড় অসংখ্য গাছপালা। একসময়ের সবুজ পাহাড় এখন বৃক্ষশূন্য হয়ে পড়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/25/1566674618093.jpg

ফলে সেখানে পরিবেশ, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়েছে। পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের বসতি স্থাপন করতে গিয়ে হাতির আবাসস্থল ও বিচরণক্ষেত্রও বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়া প্রতি মাসে রোহিঙ্গাদের রান্নাবান্নার কাজে ছয় হাজার ৮০০ টন জ্বালানি কাঠ প্রয়োজন। রোহিঙ্গারা স্থানীয় পাহাড়ি বনাঞ্চল থেকেই এই কাঠ সংগ্রহ করে।

গত জুলাই মাসে কক্সবাজারের দক্ষিণ বন বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, বালুখালী ঢালা, ময়নারঘোনা, থাইংখালী তাজনিমার খোলা, হাকিমপাড়া, জামতলি বাঘঘোনা, শফিউল্লাহ কাটা ও টেকনাফের চাকমারকুল, উনচিপ্রাং, লেদা, মৌচনী, জাদিমুরা ও কেরানতলী এলাকাসহ বন বিভাগের গেজেটভুক্ত প্রায় ছয় হাজার ১৬০ একর বনভূমিতে বসতি স্থাপন করেছে।

বনভূমিতে রোহিঙ্গাদের এভাবে বসতি স্থাপনের কারণে টাকার হিসাবে সৃজিত ও প্রাকৃতিক বনের ক্ষতি হয়েছে ৪৫৬ কোটি আট লাখ টাকা। একইভাবে জীববৈচিত্র্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার ৪০৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে বনজ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির পরিমাণ অন্তত এক হাজার ৮৬৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘প্রত্যাবাসন শুরুর লক্ষ্যে দ্বিতীয় বারের মতো রোহিঙ্গাদের বুঝানো হয়েছে। কিন্তু তারা রাজি না হওয়ায় সে প্রক্রিয়া চালু করতে আরও কিছু সময় লাগছে।’

প্রসঙ্গত, ১৯৮০’র দশকে নাগরিকত্ব আইনে মিয়ানমারের জান্তা সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের অধিকার কেড়ে নেয়। গত বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে ধাপে ধাপে সামরিক প্রচারণা চালিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের রোহিঙ্গাবিদ্বেষী করে তোলা হয়। এরপর ৯ অক্টোবর রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা ও স্থানীয় মগদের নির্যাতন শুরু হয়। ঐদিন থেকে কয়েক দফায় বাংলাদেশে এসেছিল রোহিঙ্গারা।

এর আগেও ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে যারা বাংলাদেশে আসে, তাদের কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়ায় দুইটি ক্যাম্পে রাখা হয়। সেখানে তারা এ পর্যন্ত ছিল।

কিন্তু ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট আবারও নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে আসতে হয় রোহিঙ্গাদের। কিন্তু এবার প্রায় সাত লাখের বেশি। নতুন পুরাতন মিলিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংখ্যা এখন প্রায় ১১ লাখ।

দু’বছরে ৪৩ রোহিঙ্গা খুন, বিভিন্ন অপরাধে আসামি সহস্রাধিক

দু’বছরে ৪৩ রোহিঙ্গা খুন, বিভিন্ন অপরাধে আসামি সহস্রাধিক
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩২টি রোহিঙ্গা শিবিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিন দিন অবনতি হচ্ছে। মানবতার দোহায় দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের বিষফোঁড়া। গত দুই বছরে ইয়াবা পাচার, চুরি, ডাকাতি ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে রাহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চার শতাধিক মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি সহস্রাধিক রোহিঙ্গা।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে রোহিঙ্গা শিবিরে নিজেদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে নিহত হয়েছেন ৪৩ রোহিঙ্গা। আর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন আরও ৩২ রোহিঙ্গা। এছাড়াও ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ, চুরি, মাদক ও মানবপাচারসহ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৪৭১টি। যার মধ্যে- মাদক পাচারের দায়ে মামলা ২০৮টি, হত্যা মামলা ৪৩টি ও নারী সক্রান্ত মামলা ৩১টি। এসব মামলায় আসামি এক হাজার ৮৮ জন রোহিঙ্গা।

স্থানীয়দের দাবি, এখনই রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ দিন দিন রোহিঙ্গারা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। পাশাপাশি তারা চুরি, হত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনায় জড়িয়ে পড়ছে। ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে স্থানীয়দের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটছে।

উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বিপুল এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এদিকে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কারসাজিতে পরপর দুই বার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যেখানে রোহিঙ্গাদের এমন অপরাধ কর্মকাণ্ড ও সহিংস আচরণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও ভাবিয়ে তুলেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566668999699.jpg

কক্সবাজার পিপলস্ ফোরামের মুখপাত্র এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন অপরাধে জড়াচ্ছে রোহিঙ্গারা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, তারা স্থানীয়দের ওপর আগ্রাসী হয়ে উঠছে। কিছু এনজিওর উস্কানিতে তারা এমন আচরণ করছে।’

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক ও উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধ দমনে র‌্যাব প্রতিনিয়িত অভিযান পরিচালনা করছে। পাশাপাশি মাদক পাচারে জড়িত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। র‌্যাবের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে। তবে নিরাপত্তা জোরদারে টহল জোরদার করেছে র‌্যাব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘প্রতিদিনই বাড়ছে রোহিঙ্গাদের মামলার সংখ্যা। হত্যা, চুরি, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা। তবে পুলিশ ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র