Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু

ঈদ বিনোদনে পদ্মা সেতু
পদ্মা সেতু। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মাদারীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদুল আজহার ছুটিকে আরও আনন্দময় করে তুলতে অনেকে ছুটে আসছেন পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ দেখতে। পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে প্রতিদিনই মানুষের ঢল নামছে। প্রথম স্প্যান বসানোর পর থেকেই মানুষের আগ্রহ বাড়তে থাকে সেতুটিকে ঘিরে।

ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে বৈরী আবহাওয়া থাকার পরও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পদ্মা সেতুর পাড়ে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে ঘুরতে আসে শত শত মানুষ। এসব মানুষের পদচারণায় এক অন্য রকম মিলনমেলা লক্ষ্য করা গেছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/13/1565708893752.jpg

সরেজমিনে দেখা গেছে, দর্শনার্থীদের মধ্যে অনেকে ট্রলার ও স্পিডবোট ভাড়া করে মাঝ নদীতে ঘুরে বেড়িয়েছেন। আর পদ্মা সেতুর দৃশ্য অবলোকন করেছেন। অনেকে পদ্মার পাড়ে ট্রাক ভাড়া করে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে নেচে বেড়িয়েছেন। কেউবা দূর থেকেই নির্মাণাধীন সেতুকে ফ্রেমবন্দী করতে ছবি তুলছেন। অনেকে আবার প্রিয়জনের হাত ধরে নদীর পাড় ও অ্যাপ্রোচ সড়ক দিয়ে হেঁটে সেতু ও রাস্তার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

ফরিদপুরের বাখুন্ডা কলেজের শিক্ষক সেলিম মিয়া বলেন, ‘অনেক দিন ধরে ইচ্ছা ছিল পদ্মা সেতু এলাকায় আসব। তাই কয়েকজন বন্ধু মিলে সেতু দেখতে চলে এসেছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/13/1565708913671.jpg

বরিশাল বিএম কলেজের গণিত বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী জান্নাতুল সীমা বলেন, ‘আমরা চার বন্ধু নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু দেখতে এসেছি। পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান। পদ্মা সেতুকে কাছ থেকে দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’

তবে ঈদুল আজহার ছুটি থাকলেও থেমে নেই পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ। ‍দিনরাত অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন সেতু নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন :

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই
কোম্পানীগঞ্জ বাজারে লাগা আগুন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুমিল্লার মুরাদনগরে অগ্নিকাণ্ডে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আঁখি এন্টারপ্রাইজ, প্লাস্টিক সামগ্রী বিক্রয়ের দোকান, মাছের আড়ত, বস্তা বিক্রয়ের দোকান এবং বাকি ৬টি ভাঙারির দোকান।

মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের স্টেশন অফিসার মো. বিল্লাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রাত সোয়া ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে মাছের আড়তসহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।’

তবে কীভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান
হাসপাতালে দুদকের অভিযান, ছবি: সংগৃহীত

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে জেলা শহর মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একজন ডাক্তার। এ খবর পেয়ে তার চেম্বারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ কর্মস্থলে না গিয়ে অফিসের সময়ে রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন এ খবর পেয়ে দুদক ওই ডাক্তারের চেম্বারে অভিযান চালায়। দুদক ওই ডাক্তারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এ সময় তার প্রেসক্রিপশনে দেখা যায়, তিনি ব্যবস্থাপত্রে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন অথচ তার এমবিবিএস ব্যতীত অন্য কোন ডিগ্রি নেই। এছাড়া তিনি প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা অবধি রোগী দেখেন বলে ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করেছেন। 

পরে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান এসে ওই ডাক্তারের ডিউটি রোস্টার ও ডিজিটাল উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে হাজিরাসহ অন্যান্য ডাক্তারদের উপস্থিতিতে অসংগতি দেখতে পায়। এসময় হাসপাতালে গোডাউন রেজিস্টারের সঙ্গে ওষুধ সরবরাহে অব্যবস্থাপনা পাওয়া যায়। যাচাইকালে অন্যান্য ডাক্তারদের ডিজিটাল উপস্থিতিতেও অসংগতি পাওয়া যায়।

দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুদকের হট লাইনে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তের পর প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র