Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোরবানির পশুর চামড়া

আড়তদার বিক্রি করলেই চামড়ার টাকা পাবে মাদরাসা-এতিমখানা

আড়তদার বিক্রি করলেই চামড়ার টাকা পাবে মাদরাসা-এতিমখানা
পড়ে আছে কোরবানির পশুর চামড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

সারা দেশের মতো পটুয়াখালীর বাজারেও কোরবানির পশুর চামড়ার তেমন কদর নেই। বিগত বছরগুলোতে কিছু বেচা বিক্রি হলেও এবার একেবারেই পানির দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে। কেউ কেউ চামড়া বিক্রি করতে না পেরে ফেলেও দিচ্ছেন। আর যারা বিক্রি করছেন তার দাম এক থেকে দেড়শ টাকার বেশি নয়। এ কারণে অনেকে বাকি টাকায় চামড়া বিক্রি করছেন। আড়ৎ মালিকরা বলছেন, চামড়া বিক্রি করতে পারলেই তারা চামড়ার দাম পরিশোধ করবেন।

বেশ কয়েক বছর আগেও কোরবানির পর পরই বিভিন্ন এলাকায় পশুর চামড়া কিনতে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন দাম দর করত। সে সময়ে অড়াই থেকে তিন হাজার টাকা কিংবা এর বেশি দামেও গরুর চামড়া বিক্রি হতো। আর ছাগলের চামড়া আড়াইশ থেকে তিনশ টাকায় বেচা বিক্রি হতো। চামড়া কিনতে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অনানগোনাও ছিল। তবে সে সব এখন কেবলই স্মৃতি। এখন দাম দরতো দূরের কথা কেউ চামড়া কিনেতেও আসছেন না।

যেহেতু কোরবানি পশুর চামড়ার টাকা গরিবের মাঝে বিলিয়ে দেয়া হয়। সেজন্য অনেকে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদরাসায় চামড়া দান করছেন। আর এক্ষেত্রে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এসব চামড়া বিভিন্ন আড়তে বাকি টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

আড়তদার বিক্রি করতে পারলেই টাকা পাবে মাদরাসা-এতিমখানা

আর আড়ৎ মালিকরা বলছেন, 'কবে দামে চামড়া বিক্রি করতে পারব, কবে নাগাদ ট্যানারি মালিকরা টাকা দেবে, তার ওপর নির্ভর করে চামড়ার মূল্য পরিশোধ করব। বিগত বছর যে চামড়া বিক্রি করছি সেই মূল্যই এখনো পাওয়া যায়নি।'

তবে চামড়ার বাজার এতটাই খারাপ যে, রিকশা ভাড়া দিয়ে বাসা বাড়ি থেকে চামড়া আড়তে পৌঁছে দিতে যে টাকা লাগছে সেই টাকাও পাওয়া যায় না। ফলে এখন এমন পরিস্থিতি যে এক সময়কার মূল্যবান চামড়া এখন কোরবানি পশুর বর্জ্য হিসেবে হয়তো ফেলে দিতে হবে।

তবে মুসলিম ধর্মীয় নেতারা বলছেন, 'এক সময়ে কোরবানির চামড়া দিয়ে মাদরাসা এতিমখানাগুলো একটি তহবিল সংগ্রহ করতে পারলেও এখন আর সেটি হচ্ছে না। চামড়ার মূল্য এভাবে কমে যাওয়ায় অসহায় দরিদ্র মানুষ গুলো সরাসরি বঞ্চিত হচ্ছেন।' এ কারণে কোরবানির চামড়ার দাম নির্ধারণ ও সেই মূল্য মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেয়ার কথা বলছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

আগুনে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই
কোম্পানীগঞ্জ বাজারে লাগা আগুন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

কুমিল্লার মুরাদনগরে অগ্নিকাণ্ডে মাছের আড়তসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- আঁখি এন্টারপ্রাইজ, প্লাস্টিক সামগ্রী বিক্রয়ের দোকান, মাছের আড়ত, বস্তা বিক্রয়ের দোকান এবং বাকি ৬টি ভাঙারির দোকান।

মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের স্টেশন অফিসার মো. বিল্লাল হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রাত সোয়া ১২টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে ৫ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে মাছের আড়তসহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।’

তবে কীভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান

অফিস সময়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, দুদকের অভিযান
হাসপাতালে দুদকের অভিযান, ছবি: সংগৃহীত

কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকে জেলা শহর মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একজন ডাক্তার। এ খবর পেয়ে তার চেম্বারে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ি উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ কর্মস্থলে না গিয়ে অফিসের সময়ে রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মাইজদীর একটি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন এ খবর পেয়ে দুদক ওই ডাক্তারের চেম্বারে অভিযান চালায়। দুদক ওই ডাক্তারের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এ সময় তার প্রেসক্রিপশনে দেখা যায়, তিনি ব্যবস্থাপত্রে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেছেন অথচ তার এমবিবিএস ব্যতীত অন্য কোন ডিগ্রি নেই। এছাড়া তিনি প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৮টা অবধি রোগী দেখেন বলে ব্যবস্থাপত্রে উল্লেখ করেছেন। 

পরে সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান এসে ওই ডাক্তারের ডিউটি রোস্টার ও ডিজিটাল উপস্থিতি পরীক্ষা করার জন্য সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে হাজিরাসহ অন্যান্য ডাক্তারদের উপস্থিতিতে অসংগতি দেখতে পায়। এসময় হাসপাতালে গোডাউন রেজিস্টারের সঙ্গে ওষুধ সরবরাহে অব্যবস্থাপনা পাওয়া যায়। যাচাইকালে অন্যান্য ডাক্তারদের ডিজিটাল উপস্থিতিতেও অসংগতি পাওয়া যায়।

দুদক নোয়াখালীর বিভাগীয় পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুদকের হট লাইনে অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তের পর প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ডাঃ ফৌজিয়া ফরিদ ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র