Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

বগুড়ায় মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

বগুড়ায় মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
সংগৃহীত চামড়া নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের (ফড়িয়া) এবার মাথায় হাত পড়েছে। সতর্কতার সঙ্গে কম দামে চামড়া কিনেও শহরে বিক্রি করতে এসে অর্ধেক দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে। আবার কেউ কেউ লাভের আশায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা চামড়া নিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতা নেই। এর মধ্যে সন্ধ্যায় এক পশলা বৃষ্টিতে আরও ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে শহরের চামড়া কেনা বেচার এলাকাগুলো।

সোমবার (১২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে শহরের চেলোপাড়া, থানামোড়, বাদুড়তলা, কাঁঠাল তলা,কলোনি এলাকা ঘুরে এই দৃশ্য দেখা গেছে।

বগুড়া সদরের জিগাতলা এলাকার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম জানান, গ্রাম ঘুরে ছাগল ও ভেড়ার চামড়া কিনেছে ১০০ পিচ। তার গড়ে প্রতি পিচ চামড়া ২০ টাকা কেনা পড়েছে। শহরে বিক্রি করতে এনে ক্রেতার অভাবে বসে ছিলেন রাত ৮টা পর্যন্ত। এরমধ্যে সন্ধ্যায় আধা ঘণ্টা বৃষ্টির পর চামড়ার বাজার ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়ে রাত ৮টার পর ১০০ চামড়া ১০ টাকা পিচ দরে বিক্রি করে দেন।

তিনি বলেন, 'সারাদিন পরিশ্রম করে ১০০ চামড়া বিক্রি করে লাভতো দূরের কথা আরও ১০০০ টাকা লোকসান। গরুর চামড়া বিক্রি করতে লোকসান না হলেও ক্রেতার অভাবে বসে আছেন রাত ৯টা পর্যন্ত।'

বগুড়া সদরের চকঝুপু গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ী রিপন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, তিনি ফড়িয়াদের কাছ থেকে ছাগল ও ভেড়ার চামড়া গড়ে ২০ টাকা এবং গরুর চামড়া ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কিনেছেন। তিনি শহরের আড়তে চামড়া বিক্রি না করে নিয়ে যাবেন বাড়িতে। সেখানে লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে দাম বাড়লে আড়তে বিক্রি করবেন।

চামড়া ব্যবসায়ীরা বলেন, বগুড়া জেলায় এবার দুই লক্ষাধিক গবাদি পশু কোরবানি হয়েছে। এরপরেও পাশের জেলা জয়পুরহাট ও গাইবান্ধা থেকেও চামড়া বিক্রির জন্য বগুড়ায় আসে। ঈদের তিনদিন পর্যন্ত এসব চামড়া বগুড়ার আড়ৎগুলোতে আসবে।

তারা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে চামড়ার বাজার ধ্বস নামতে শুরু করেছে। ট্যানারি মালিকদের বকেয়া টাকা আটকে দেওয়ার কারণে বগুড়ার ব্যবসায়ীরা ও চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। ঈদের আগে ও পরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৭ জন। এর মধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ৭৮ জন এবং অন্যরা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বগুড়ার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বগুড়ায় ৭২২ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬২৫ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তারা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566297690894.jpg

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ঈদে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা করা হলেও সেভাবে বাড়েনি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা এবং রোগ নির্ণয়ের সব রকম ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে। এ কারণে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এদিকে কোরবানি ঈদের পর পৌরসভার পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, মশক নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পৌরসভার ২১ ওয়ার্ডে ১০টি ফগার মেশিন, ৪৭টি স্প্রে মেশিন দিয়ে কাজ চলছে।

তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে পুলিশ কর্মকর্তাকে মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশের এই কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিনই পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম নিজেই মশা নিধন কার্যক্রম তদারকি করছেন।

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক
বালু উত্তোলনের অবৈধ যন্ত্রপাতি আটক করা হয়, ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীর পুটিয়া বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে নরসিংদী জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। নরসিংদী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শাহ আলম মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শাহরুখ খান উপস্থিত ছিলেন। নরসিংদী সদর উপজেলার সোনাতলা এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে।

ফলে আশপাশের মসজিদ ও দোকানপাট ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। এ অবস্থায় এই অভিযান পরিচালনা করে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিও জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র