Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোরবানির সংগ্রহ করা মাংসের জমজমাট বাজার

কোরবানির সংগ্রহ করা মাংসের জমজমাট বাজার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
গনেশ দাস
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

শাহীন মিয়া, বাড়ি গাইবান্ধা শহরে। প্রতি বছর কোরবানির ঈদে স্ত্রী জমিলাকে নিয়ে বগুড়া শহরে আসেন মাংস সংগ্রহ করতে। শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা মাংস সন্ধ্যায় বিক্রি করে রাতের ট্রেনে ফিরে যান বাড়িতে।

এবারো তারা সংগ্রহ করেছেন প্রায় ১২ কেজি মাংস। বিক্রি করেছেন ৫ হাজার টাকায়। এটা তাদের ঈদ উপলক্ষে বাড়তি আয়।

শাহীন ও জমিলার মতো কয়েক হাজার নারী পুরুষ ও শিশু ঈদের দিন দুপুরের মধ্যে পৌঁছে যান বগুড়া শহরে। সন্ধ্যার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ব্যাগ নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাংস সংগ্রহ করেন। আর এসব সংগ্রহ করা মাংস বিক্রির জন্য অস্থায়ী বাজার বসে শহরের সাতমাথা, রেলস্টেশন, কলোনি বাজার ছাড়াও রেললাইনের বিভিন্নস্থানে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/12/1565617447879.jpg

সোমবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যার আগে শহরের সাতমাথায় মাংস কিনতে এসেছেন শাজাহানপুরের শাকপালা এলাকার মুদি দোকানি বাবুল মিয়া। বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে তিনি জানান, আগামী শুক্রবার তার ছেলের বিয়ে। কম দামে মাংস পাওয়া যায় ভেবে এখানে এসেছেন। কিন্তু দোকানের মতো এখানেও মাংসের কেজি চাওয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কনস্টেবল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, এবার কোরবানি দিতে পারেননি। ছুটিতেও গ্রামের বাড়ি যেতে পারেননি। তিনি ৪২০ টাকা দরে ১০ কেজি মাংস কিনেছেন।

এসব মানুষ ছাড়াও বিভিন্ন হোটেল মালিক এবং ফুটপাতে কাবাব বিক্রেতারা এখান থেকে মাংস কিনে নিয়ে গিয়ে মজুদ করে রাখেন।

অস্থায়ী মাংস বিক্রির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই ঘণ্টার এই বাজারে মাংস মেপে দেয়ার জন্য ডিজিটাল মেশিন নিয়ে বসেছেন কয়েকজন। তারা ১০ টাকার বিনিময়ে ব্যাগসহ মাংস মেপে দিচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম
হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের বাজার চড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম।

পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং বন্যার কারণে হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি কমে গেছে ভারতীয় পেঁয়াজের তাই দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। প্রকারভেদে এসব পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566632868081.jpg

 

দফায় দফায় দাম বাড়ায় পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়েছে পাইকাররা। খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করেন আমদানি কম হওয়ায় বন্দরের পাইকার ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশের চাহিদার বেশীর ভাগ পেঁয়াজ আমদানি হয়ে থাকে। আর এ পেঁয়াজ আমদানির কারণে বন্দর এলাকায় গড়ে উঠেছে পেঁয়াজের আড়ত। যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কিনতে আসে পাইকাররা। সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলতে পেঁয়াজের বেচা-কেনা।

ব্যবসায়ীরা বলছে, ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে বন্যার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে হঠাৎ পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, দুইকর্ম দিবসে ৫১টি ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাক আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

 

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি
আহত মো. সোহান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়েছে মাদকসেবীরা। এ হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া নামে দুজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মামলার অপর আসামি বাইরে থাকায় পাল্টা অভিযোগ দিয়ে বাদীপক্ষকে হয়রানি ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মির্জা বাড়ির নুরুল আলমের ছেলে মো. সোহানকে কুপিয়ে জখম করে মাদকসেবীরা।

মামলার আসামিরা হলেন- মানুরী মজুমদার বাড়ির লিটন মজুমদার, ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে প্রধান আসামি লিটন মজুমদার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ আগস্ট সোমবার মানুরী মজুমদার বাড়ির সামনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় মাদকসেবীরা সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে সোহানকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা সোহানের কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সোহানের ভাই বিল্লাল হোসেন সুমন মির্জা বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমার ভাই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গতকাল শুক্রবার আসামি লিটন মজুমদার ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদকে নিয়ে এসে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মূলত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে কথা বলেছি।’

একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উনু মং মারমা জানান, আসামি ওয়াসিম ও লিটন মজুমদার পূর্ব থেকেই মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। হামলার মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহানের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে কেন হয়রানি করা হচ্ছে বিষয়টি তার জানা নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র