Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদের আনন্দ নেই জেলে পরিবারে

ঈদের আনন্দ নেই জেলে পরিবারে
গত তিন মাসে কোনোদিন কাঙ্ক্ষিত মাছ ধরা পড়েনি জালে, তাই ঈদের আনন্দ নেই জেলে পরিবারে ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
হাসান মাহমুদ শাকিল
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। কিন্তু এই আনন্দটুকু উপভোগ করতে পারছে না লক্ষ্মীপুরের জেলেরা। তাদের ঈদ মানে আনন্দ নয়, এটি শুধু একটি নাম। কারণ গত তিন মাস নদীতে গেলেও একদিনও কাঙিক্ষত ইলিশ পায়নি তারা। অধিকাংশ দিনই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মতিরহাট এলাকায় নদীর পাড়ে দাড়িয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে কথাগুলো বলেছিলেন জেলে হাফিজ উল্যা ও আবদুর রশিদ।

তারা জানান, ফজরের আজানের পর তারা নদীতে ইলিশ শিকারে গিয়েছিলেন। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর তারা ডাঙ্গায় ফিরে আসে। কিন্তু তাদের জালে মাত্র দুই থেকে তিন কেজি ইলিশ ধরা পড়েছে। যা বিক্রি করে তেল খরচ ও সহযোগীদেরকে দিয়ে সামান্য কিছু টাকা ভাগে পড়বে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/12/1565582871340.jpg

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর জেলা সদর, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতি উপজেলায় প্রায় ৬২ হাজার জেলে রয়েছে। গত মার্চ-এপ্রিল দুই মাস নদীতে মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা ছিল। এরমধ্যে প্রায় ২৫ হাজার জেলে সরকারি খাদ্য সহায়তা পেয়েছে। বাকি জেলেরা এর থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নদীতে নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও গত তিন মাসে আশানুরূপ ইলিশ মিলছে না জেলেদের জালে। এতে তারা সংসার খরচ, দাদনদার ও মহাজনদের দেনা শোধ করতে পারছে না। বরং আরো ধার নিতে হচ্ছে তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/12/1565582904672.jpg

জানতে চাইলে হাফিজ উল্যা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, গত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিদিনই তিনি নদীতে গেছেন। ঈদ উপলক্ষে ছেলে-মেয়েদের মুখে একটু ভালো খাবার তুলে দেওয়ার আশায় প্রতিদিনই জাল ফেলেছেন। কিন্তু আশানুরুপ ইলিশ পাওয়া যায়নি। যা পাওয়া গেছে, তা বিক্রি করে তেল খরচ আর সহকারীদের দিয়ে কোন রকম চাল কিনছেন। তবে ঈদ উপলক্ষে ছেলে-মেয়েদের জন্য রুচি সম্মত খাবার কিনতে পারেনি। আর তার কাছে ঈদে সন্তানদের নতুন জামা দেওয়াটাও এখন স্বপ্নের মত।

কোরবানির কথা জানতে চাইলে আবদুর রশিদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, খাইতেই পারি না। কোরবানি কিভাবে দেব। মাঝে মাঝে ছেলেমেয়েদের মুখে খাবার তুলে দেওয়াটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। বাকি দিনগুলোর মত, ঈদেও আমাদের একই রকম সময় কাটে। কোন তফাৎ নেই। নদীতে মাছ পাওয়া গেলে, অন্যদের মত আমাদেরও ঈদ আনন্দে কাটত।

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার

বগুড়ায় বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার
বগুড়া জেলার মানচিত্র, ছবি: সংগৃহীত

বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযান চালিয়ে বর-কনে, কাজীসহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ এদেরকে গ্রেফতার করে। শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নান্নু খান।

জানাগেছে, শুক্রবার রাতে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ বিহার, জামগ্রাম, কানুপুর, ধাওয়াগীর ও শংকরপুর গ্রামে বাল্য বিয়ে বিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় ধাওয়াগীর গ্রামে চান মিয়ার ১৩ বছর বয়সী মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে পুলিশ অভিযান চালালে মেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এসময় পুলিশ বর শংকরপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মিলন (২৩), মেয়ের বাবা চান মিয়া কাজী আব্দুল আজিজ (৩৫) ছাড়াও তিনজন বরযাত্রীকে গ্রেফতার করে।

একই সময় পুলিশের আরেকটি দল কানুপুর গ্রামে আয়োজন করা বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানে অভিযান চালায়। সেখানে বর পালিয়ে গেলেও বরযাত্রীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নান্নু খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাল্যবিয়ে বিরোধী ব্যাপক প্রচার প্রচারনা সত্বেও শুক্রবার রাতে এক সাথে কয়েকটি গ্রামে বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য,গত ১৩ আগস্ট শিবগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বাল্যবিয়ে বিরোধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বাল্য বিয়ের দিক থেকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ২য় স্থানে রয়েছে বলে জানান বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম। তিনি বলেন, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সমাবেশ করা হয়। 

ফরিদপুরে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে বাস, নিহত ৬

ফরিদপুরে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে বাস, নিহত ৬
হতাহতদের উদ্ধারের কাজ করছেন স্থানীয়সহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ফরিদপুর সদর উপজেলায় ব্রিজের রেলিং ভেঙে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ছয় যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ধুলদী রেলগেট এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566638875062.JPG

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক এবিএম মমতাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হতাহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র