Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিষখালী নদীতে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

বিষখালী নদীতে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়
কচুয়া-কাঁঠালিয়া খেয়াঘাট। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বরগুনা


  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিষখালী নদীর ৪ পয়েন্টে খেয়া পারাপারে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বিষখালী নদীর কাঠবাজার সংলগ্ন কচুয়া-কাঁঠালিয়া খেয়াঘাট, কালিমন্দির সংলগ্ন বেতাগী-শৌলজলিয়া খেয়াঘাট, মোকামিয়া লঞ্চঘাট সংলগ্ন মোকামিয়া-কাঁঠালিয়া এবং বদনীখালি বাজার সংলগ্ন বদনীখালি-বামনা খেয়াঘাট থেকে পারাপারের সময় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

শনিবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেতাগী উপজেলার বিষখালী নদী সংলগ্ন এলাকায় ফেরি চলাচলের কোনো ধরনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে হাজার হাজার লোক ও কোরবানি উপলক্ষে শতশত গবাদি পশু নিয়ে খেয়ায় করে নদী পার হয়। খেয়ার মাঝি ও ইজারাদার কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কাছ থেকে ট্রলার পারাপারের জন্য জনপ্রতি নির্ধারিত ৩ টাকার পরিবর্তে অতিরিক্ত ১৫-২০ টাকা করে আদায় করছে।

স্থানীয় পৌর এলাকার মো. আরিফ হোসেন, সোহাগ হোসেন জানান, এ ঘাটে জনপ্রতি ৩ টাকার পরিবর্তে ১০-১৫ টাকা, সাইকেল ৪ টাকার পরিবর্তে ২০-২৫ টাকা এবং মোটরসাইকেল ১০ টাকার পরিবর্তে ৬০-৭০ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল বহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়।

এছাড়া রাতে দূরপাল্লার যাত্রীরা এলে তাদের কাছ থেকে ৩-৪শ টাকা নিয়ে নদী পার করা হয়। অন্যথায় স্থানীয় বাস কাউন্টার বা অন্য কোথাও ঝুঁকি নিয়ে রাত্রিযাপন করতে হয়। 

এ ব্যাপারে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজিব আহসান বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। শিগগিরই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। বর্তমানে উপজেলা প্রশাসন থেকে লোক তদারকির জন্য রাখা হয়েছে। অনিয়মের খবর পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি
আহত মো. সোহান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়েছে মাদকসেবীরা। এ হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া নামে দুজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মামলার অপর আসামি বাইরে থাকায় পাল্টা অভিযোগ দিয়ে বাদীপক্ষকে হয়রানি ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মির্জা বাড়ির নুরুল আলমের ছেলে মো. সোহানকে কুপিয়ে জখম করে মাদকসেবীরা।

মামলার আসামিরা হলেন- মানুরী মজুমদার বাড়ির লিটন মজুমদার, ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে প্রধান আসামি লিটন মজুমদার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ আগস্ট সোমবার মানুরী মজুমদার বাড়ির সামনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় মাদকসেবীরা সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে সোহানকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা সোহানের কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সোহানের ভাই বিল্লাল হোসেন সুমন মির্জা বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়। আমার ভাই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার আসামি লিটন মজুমদার ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদকে নিয়ে এসে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মূলত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে কথা বলেছি।’

একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উনু মং মারমা জানান, আসামি ওয়াসিম ও লিটন মজুমদার পূর্ব থেকেই মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহানের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে কেন হয়রানি করা হচ্ছে বিষয়টি তার জানা নেই।

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ
টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

নিরাপত্তাজনিত কারণে আগামী রোববার (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সকল ধরনের এনজিও ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টেকনাফের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কায় লেদা, জাদিমোর, শালবাগান ও নয়াপাড়া ক্যাম্পে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুইদিন ধরে এ নির্দেশ চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে অবরোধ

এদিকে, শনিবার ভোররাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহ ও মোহাম্মদ শুক্কুর। জাদিমোরা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, টেকনাফের জাদিমোরা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১১ টার দিকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র