Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

সরাইলে শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ

সরাইলে শিক্ষকের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ
প্রজ্ঞাপন ও সাধারণ ডায়েরির কপি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

শিক্ষকদের বেকায়দায় ফেলতে তাদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

জেলার সরাইল উপজেলার দেওড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মনিজুর রহমান তার স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে সরাইল থানায় জিডি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলার সরাইল উপজেলার দেওড়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেলায়েত খাঁ শিক্ষক ও কর্মচারী তথ্য বিবরণীতে শিক্ষক মনিজুর রহমান, শিক্ষিকা শিরীন আক্তার ও ফারহানা বেগমের স্বাক্ষর জাল করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, অ্যাডহক কমিটির নিয়োগের এখতিয়ার না থাকলেও আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেলায়েত খাঁ এনটিআরসিতে শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগের আবেদন করেন। পরবর্তীতে এনটিআরসি তিনজন শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ দেয়। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত এসব শিক্ষকদের আবশ্যিক শিক্ষক দেখিয়ে মো. মনিজুর রহমান এবং ফারহানা বেগমকে অতিরিক্ত শিক্ষক হিসেবে দেখানো হয় শিক্ষক এবং কর্মচারী তথ্য বিবরণীতে।

কিন্তু মনিজুর রহমান, শিরীন আক্তার ও ফারহানা বেগম ওই তথ্য বিবরণীতে স্বাক্ষর করেননি। পরে অ্যাডহকের সাবেক সভাপতি এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজেরা তাদের স্বাক্ষর দিয়ে তথ্য বিবরণী পূরণ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছেন।

এ ঘটনায় শিক্ষক মনিজুর রহমান হাইকোর্টে রিট করলে আদালত এনটিআরসি’র সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিও স্কিম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন।

এ ব্যাপারে দেওড়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক মুনিজুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেলায়েত খাঁ আমাদের স্বাক্ষর জাল করেছেন। বিষয়টি আমি লিখিতভাবে থানায় জানিয়েছি।

দেওড়া আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সাবেক সভাপতি আনোয়ার মিয়ার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেলায়েত খাঁর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেলায়েত খাঁর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে মোবাইলে নয়, সরাসরি কথা বলবেন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে

প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে রোহিঙ্গাদের মতামত নেয়া হচ্ছে
রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমারের দেয়া প্রত্যাবাসনের তালিকায় যে সব রোহিঙ্গার নাম রয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই শুরু হবে প্রথমবারের মতো মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে কক্সবাজার টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে এ মতামত নেয়া শুরু হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, মূলত মিয়ানমার যাদের নাম দিয়েছে তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে। তাদের মতামতের ওপর নির্ভর করছে আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সূচনা হবে কী হবে না। মতামত নেয়ার কাজ করছে ইউএনএইচসিআর ও আরআরআরসি’র প্রতিনিধিরা। রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের পৃথকভাবে মতামত নেয়া হচ্ছে।

টেকনাফের জাদিমোরা শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ খালেদ হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জ অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৩১০ জনের পর্যায়ক্রমে মতামত নেওয়া হবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যদি স্ব-ইচ্ছে যেতে রাজি হয় তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাস প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেয়া হচ্ছে।’

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ, ছবি: সংগৃহীত

আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৬ সালের আজকের এই দিনে ৮৬ বছর বয়সে তৎকালীন ঢাকা পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) রাতের শেষ প্রহরে তিনি ইন্তেকাল করেন।

মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার তারুটিয়া গ্রামে এক পীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতা আজিজুন্নেছা।

আজীবন সংগ্রামী মানুষ ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ। তার নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়। ১৯৫২ সালে তারই নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন হয়। ১৯৫৫ সালে ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলার দাবিতে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বক্তব্য দেন।

১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি কৃষক আন্দোলন, খেলাফত আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলনসহ দেশ ও জাতীর ক্রান্তিকালে সকল মুক্তির আন্দোলনে সামনে থেকে জাতীর অধিকার আদায়ে আজীবন সচেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন।

এ মহান জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে রায়গঞ্জের নুরুন্নাহার তর্কবাগিশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, উল্লাপাড়া উপজেলার চড়িয়া মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ বিজ্ঞান মাদরাসা, পাটধারী মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ উচ্চ বিদ্যালয়, সলঙ্গা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ পাঠাগার, সলঙ্গা সমাজ কল্যাণ সমিতি, মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র