Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফরিদপুরে ডেঙ্গু জ্বরে গৃহবধূর মৃত্যু

ফরিদপুরে ডেঙ্গু জ্বরে গৃহবধূর মৃত্যু
হাসপাতালে ডেঙ্গু পরিস্থিতির একটি চিত্র, ছবি: ফাইল ফটো
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ফরিদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে হাসপাতালে ডেঙ্গুতে নিহতের সংখ্যা তিনজন আর জেলায় নিহতের সংখ্যা সাতজনে উন্নীত হলো। বাকি ৪ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

নিহত ওই নারীর নাম লিপি আক্তার (৩০)। সে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ডোমরাকান্দি গ্রামের মাহাবুব খলিফার স্ত্রী। তিনি একজন গৃহিনী। তার ৭ বছরের একটি ও ৩ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ আগস্ট জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন লিপি আক্তার। দুইদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শুক্রবার মারা যান তিনি।

লিপির ছোট দেবরের স্ত্রী (জা) নাছিমা আক্তার জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লিপি আক্তারকে ভর্তি করা হয়। পরে তার রক্ত পরীক্ষা করে জানা যায় তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দুপুরে মারা যান তিনি।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কামদা প্রসাদ সাহা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দুইদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন লিপি আক্তার। পরে তার রক্ত পরীক্ষা করে জানা যায় সে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। চিকিৎসাধীন অবস্থার শুক্রবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।’

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৬০ রোগী ফরিদপুরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. এনামুল হক জানান, গত ২০ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫১৫ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন ১৮৬ জন। ৪১ জনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। মারা গেছেন ২ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮৬ জন।

এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২০৯ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ২১জন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২জন, বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪জন, মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন ভর্তি রয়েছেন।

এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে ২৮ জন, আরোগ্য সদন হাসপাতালে ১৫ জন, সমরিতা হাসপাতালে ২জন ভর্তি আছেন।

এর আগে গত পহেলা আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শারমীন (২২) নামের এক তরুণীর মৃত্যু হয়। তিনি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকার মো.রুবেলের মেয়ে।

এরপর ৭ আগস্ট বুধবার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে মারা যান আব্দুল জলিল সরদার (৫০) নামের এক ব্যক্তি। তিনি পেশায় একজন কৃষক। নগরকান্দা উপজেলার মুকুল সরদারের ছেলে তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

কুষ্টিয়ায় পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন ইয়াবাসহ আটক ৫

কুষ্টিয়ায় পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন ইয়াবাসহ আটক ৫
আটক হওয়া ৫ আসামি, ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় ১টি পিস্তল, পিস্তলের ২ রাউন্ড গুলি, ১টি ম্যাগাজিন এবং ২০০ পিস ইয়াবাসহ ৫ জনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া ঈদগা মাঠের মিনারের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতের সার্বিক দিক নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মোঃ সাহেব আলীর নেতৃত্বে কুষ্টিয়া মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া মন্ডলপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে মোঃ আবু সাইদ (৪০), আড়ুয়াপাড়া ১নং মসজিদ বাড়ি লেনের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে মোঃ কাউছার বাবু ওরফে করিয়া বাবু (৪৫),

সাংউত্তর চর আমলাপাড়া এলাকার মুন্সি ফয়েজুল ইসলামের ছেলে মোঃ শফিউল ইসলাম লিটু (৪২), হাউজিং বি ব্লক,সম্প্রসারণ-১৬ এলাকার মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম রানা (৩৯), রাজবাড়ী জেলার পশ্চিম ভবানীপুর রেল কলোনী ৮নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত হাজী আব্দুস সাত্তারের ছেলে মোঃ ইমরুল হাসান মধু (৩৮)।

এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

১৮ দিনেও উদ্ধার হয়নি শিশু মুরসালিন, গ্রেফতার ২

১৮ দিনেও উদ্ধার হয়নি শিশু মুরসালিন, গ্রেফতার ২
শিশু মুরসালিন সরদার। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে মুরসালিন সরদার (৬) নামে এক শিশু অপহরণ মামলায় ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে ১৮ দিনেও উদ্ধার হয়নি শিশুটি। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের আমডাকুয়া গ্রামের আসাদ মুন্সী (৬০) ও হারুন সরদার (৫৭)।

রোববার (১৮ আগস্ট) নিখোঁজ মুরসালিনের বাবা বাচ্চু সরদার বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে সোমবার (১৯ আগস্ট) জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট দুপুরে শিশু মুরসালিন পাশের মসজিদে নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে সাজাইল পুরানো ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত ৫-৬ লোক একটি সাদা মাইক্রোবাসে মুরসালিনকে জোর করে তুলে নিয়ে দ্রুত ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দিকে যায়।

মুরসালিন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর সাজাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্র ও আমডাকুয়া গ্রামের বাচ্চু সরদারের ছেলে।

কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুর রহমার জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র