Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

রাজশাহীতে দিনে নারী-শিশু নির্যাতনের ১২ মামলা

রাজশাহীতে দিনে নারী-শিশু নির্যাতনের ১২ মামলা
বিচারাধীন রয়েছে প্রায় ১৬ হাজার মামলা, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা।

সুপ্রিম কোর্টের হিসেব মতে, বিভাগের জেলাগুলোতে অবস্থিত ১২টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন গড়ে ১২টি করে নতুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। একই সময়ে দিনে গড়ে ১৮টি মামলা নিষ্পত্তিও করা হয়েছে। বিভাগের নওগাঁ জেলায় প্রতিদিন গড়ে ৪টি নতুন মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরে প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী- ট্রাইব্যুনালগুলোতে বিচারাধীন রয়েছে ১৫ হাজার ৮৭৭টি নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা। নির্যাতনের ঘটনা বেশি ঘটেছে সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁয়। বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে শুধু সিরাজগঞ্জে ৪ হাজার ৫০৮ ও নওগাঁয় মামলার সংখ্যা ২ হাজার ৮৮০ রয়েছে। দুই জেলায় মামলা বিচারাধীন ৭ হাজার ৩৮৮ টি।

বিভাগের বাকি ৬ জেলায় মামলার সংখ্যা ৮ হাজার ৪৮৯টি। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১ হাজার ৩২০টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪২৯টি, নাটোরে ১ হাজার ৬২৩টি, বগুড়ায় ২ হাজার ৭২৯টি, জয়পুরহাটে ৬০৭টি, পাবনায় ১ হাজার ৭৮১টি মামলা বিচারাধীন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সিরাজগঞ্জে ৫ থেকে ১০ বছর বা তারও বেশি পুরোনো মামলা ১ হাজার ৫২৯টি বিচারাধীন রয়েছে। আর নওগাঁয় এর সংখ্যা ১ হাজার ৬০০টি। এই দুই জেলার হিসেবে বাকি ৬ জেলায় ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান মামলার সংখ্যা খুবই কম। রাজশাহীতে ২৫৭, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০, নাটোরে ৬১৭, বগুড়ায় ৯০৭, জয়পুরহাটে ১০৬, পাবনায় ৩৩১টি মামলা কমপক্ষে ৫ বছর ধরে চলমান রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁর পরে খারাপ অবস্থায় রয়েছে বগুড়া জেলা। বগুড়ায় দু'টি ট্রাইব্যুনালে ২ হাজার ৭২৯টি মামলা বিচারাধীন। সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ ও বগুড়ায় মামলার কার্যক্রম স্থগিতের হারও বাকি পাঁচ জেলার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৬২টি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ায় ২৬টি, সিরাজগঞ্জে ২০টি এবং নওগাঁয় ১৫টি মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

জজ মিয়া নাটকের প্রহসনকারীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত

জজ মিয়া নাটকের প্রহসনকারীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ২১ আগস্ট অত্যন্ত নৃশংস এবং কালো অধ্যায়। সেদিন রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার করে কিভাবে একটি রাজনৈতিক দলকে নেতৃত্ব শূন্য করা যায় সেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। প্রকৃতভাবে গ্রেনেড হামলা সাথে জড়িতদের আইনে ঊর্ধ্বে রেখে-কিভাবে মামলাটিকে অন্যখাতে প্রভাবিত করা যায়, কিভাবে তদন্ত ভিন্নখাতে নেওয়া যায় সেজন্য জজ মিয়া নাটক সাজানো হয়েছিল। যারা সেদিন জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনা উচিত।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির আইভি রহমান মিলনায়তনে বেগম আইভি রহমান এর ১৫তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।  আইভি রহমান মৃত্যু বার্ষিকী পালন কমিটি-২০১৯ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

স্পিকার বলেন, একুশের আগস্টের ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য সেদিন নোয়াখালীর সেনবাগের একজন সাধারণ লোক তাকে কিভাবে ২০০৫ সালের জুন মাসে নোয়াখালী থেকে গ্রেফতার করে এনে জোড়পূর্বক স্বীকারোক্তি দিয়ে মামলার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর প্রকত ঘটনা বেরিয়ে আসে। রায় প্রকাশিত হয় তৎকালিন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী হারিস চৌধুরী, তারেক রহমানরা এই ঘটনা ঘটিয়েছিল। রায় প্রকাশিত হয়েছে।

এ সময় নারী রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে স্পিকার বলেন, যে নারীরা আগামী প্রজন্মে রাজনীতিতে আসতে চান নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান আমি তাদেরকে বেগম আইভী রহমানের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানাব। সেখানে থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার রয়েছে। যেটা আমাদের আগামী দিনের এগিয়ে চলার পথকে আরও প্রশস্ত করবে।

স্পিকার বলেন, আইভি রহমান দীর্ঘদিন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দিয়েছেন। তিনি অনুকরণীয় এক নেতৃত্ব। আমরা জানি রাজনীতিতে একজন মহিলার উঠে আসা অনেক কঠিন বিষয়। যারা মহিলা আওয়ামী লীগ করেন বা যুব মহিলা লীগ করেন আপনারা জানেন মহিলা হিসেবে আমাদের রাজনীতিতে আসা বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়া এবং এগিয়ে যাওয়ার পথটা কিন্তু এত মসৃণ না। কিন্তু বেগম আইভী রহমান মেয়েদের জন্য সেই জায়গাটি তৈরি করার জন্য সারাজীবন কাজ করে গেছেন।

বেগম আইভি রহমান মৃত্যু বার্ষিকী পালন কমিটির সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম,ডেপুট অ্যার্টনি জেনারেল কাজী শাহানারা ইয়াসমিন প্রমুখ।

চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন অতিথি

চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন অতিথি
জাতীয় চিড়িয়াখানা

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে ছয়টি বাঘ, দুইটি হরিণ গোত্রীয় ইম্পালা ও তিনটি ক্যাঙ্গারু। ইতোমধ্যে চারটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার, দুইটি চিতাবাগ ও ইম্পালা এনে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি ক্যাঙ্গারু আসলেই তাদের খাঁচায় দেওয়া হবে।

নতুন অতিথিদের আগমনকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে সকল প্রস্তুতি। খাঁচা পরিষ্কার ও মেরামতের কাজ শেষ হয়েছে। ফ্লাইট চূড়ান্ত হলেই তিনটি ক্যাঙ্গারু আসবে, তখন সব প্রাণিকে একসঙ্গে খাঁচায় দেওয়া হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637609755.jpg

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা: মো: নূরুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, নতুন যে অতিথিরা চিড়িয়াখানায় যুক্ত হচ্ছে আমরা তাদের খাঁচাগুলো পরিষ্কার ও মেরামত করেছি। আশা করি, কিছুদিনের মধ্যে দর্শনার্থীরা নতুন বাঘ ও ক্যাঙ্গারু দেখতে পাবেন। বাইরে থেকে আনা প্রাণিগুলোর মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিতাবাঘ ও ইম্পালা সাউথ আফ্রিকা থেকে আনা হয়েছে।

এদিকে চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণিদের সঙ্গে গত এক সপ্তাহে বেশ কিছু নতুন অতিথি যুক্ত হয়েছে। সেখানে থাকা জিরাফ, জেব্রা, এরাবিয়ান হর্স ও জলহস্তী বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। সেসব বাচ্চার জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র