Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

ব্যস্ততা বেড়েছে পঞ্চগড়ের কামার পল্লীতে

ব্যস্ততা বেড়েছে পঞ্চগড়ের কামার পল্লীতে
হাঁসুয়া, ছুরি, চাপাতি, দা, বঁটি বানাতে ব্যস্ত কামাররা। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
মোহাম্মদ রনি মিয়াজী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পঞ্চগড়


  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ততা বেড়েছে পঞ্চগড়ের কামার পল্লীতে। রাত-দিন হাতুড়ি ও লোহার টুং টাং শব্দে সরগরম থাকছে এলাকা। আর নাওয়া-খাওয়া ভুলে অবিরাম কাজ করে চলেছে কামাররা। তৈরি করছে হাঁসুয়া, ছুরি, চাপাতি, দা, বঁটি। পাশাপাশি চলছে পুরাতন সরঞ্জামে শান দেয়ার কাজ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার ৫ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও কামার পল্লীতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত কামাররা। সারা বছর কাজের চাপ না থাকলেও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কাজের চাপ বাড়ে।

কামারদের দাবি, এই কোরবানির মৌসুমেই তাদের সবচেয়ে বেশি কাজ হয়।

এদিকে, কোরবানির পশুর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে বা পুরতন সরঞ্জামে শান দিতে ভুলছে না মুসল্লিরা। এ জন্য ভিড় জমাচ্ছে কামার পল্লীতে। অনেকে পছন্দ করে কিনছে ছুরি, দা, কুড়াল, চাপাতি, হাঁসুয়া। সঙ্গে মাংস কাটার জন্য কাঠের গুঁড়ি কিনছে অনেকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/08/1565254682371.jpg

কামার পল্লীর বিভিন্ন দোকান ঘুরে জানা গেছে, প্রতিটি চাপাতি বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে দুইশ থেকে এক হাজার টাকা, দা ২০০-৩০০ টাকা, হাঁসুয়া ২০০-২৫০ টাকা ও ছোট ছুরি ২৭০-৬০০ টাকা। এছাড়া বঁটি প্রতি পিস ২০০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের দাবি, এ বছর পশু কোরবানির উপকরণের দাম তুলনামূলক বেশি। আর কামারদের দাবি, কয়লা ও লোহার দাম বেড়ে যাওয়ায় সরঞ্জামাদির দাম কিছুটা বাড়তি।

জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা চৌরাস্তা বাজারের কামার পল্লীর আমিনুল ইসলাম বাবু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'গত ১৫ বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত আছি। আমার পূর্বপুরুষরাও এই কাজ করতেন। এখন সারা বছর তেমন কোনো কাজ থাকে না। তবে কোরবানির ঈদের আগে কাজের চাপ থাকে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/08/1565254703629.jpg

পঞ্চগড় কামার পল্লীর বশির আলম জানান, চাপ থাকায় রাতদিন কাজ করতে হয়। নতুন সরঞ্জামের চাহিদার পাশাপাশি পুরাতনগুলোতে শান দেয়া হচ্ছে। নতুন সরঞ্জাম তৈরি ও শান দিতে আকার ভেদে টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বছর বেশিরভাগ ক্রেতা পুরাতন সরঞ্জাম মেরামত করতে নিয়ে আসছে।

পশু জবাইয়ের উপকরণ কিনতে আসা আবু সালেক নামে এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ঈদের আর কয়েকদিন বাকি। তাই আগে থেকেই পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম কিনে রাখছি।’

এ বিষয়ে পঞ্চগড় বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলিম খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘কেউ যাতে অধিক দামে পণ্য বিক্রি করতে না পারে এবং কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি।’

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। ঈদের আগে ও পরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৭ জন। এর মধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ৭৮ জন এবং অন্যরা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বগুড়ার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বগুড়ায় ৭২২ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬২৫ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তারা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566297690894.jpg

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ঈদে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা করা হলেও সেভাবে বাড়েনি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা এবং রোগ নির্ণয়ের সব রকম ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে। এ কারণে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এদিকে কোরবানি ঈদের পর পৌরসভার পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, মশক নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পৌরসভার ২১ ওয়ার্ডে ১০টি ফগার মেশিন, ৪৭টি স্প্রে মেশিন দিয়ে কাজ চলছে।

তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে পুলিশ কর্মকর্তাকে মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশের এই কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিনই পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম নিজেই মশা নিধন কার্যক্রম তদারকি করছেন।

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক
বালু উত্তোলনের অবৈধ যন্ত্রপাতি আটক করা হয়, ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীর পুটিয়া বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে নরসিংদী জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। নরসিংদী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শাহ আলম মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শাহরুখ খান উপস্থিত ছিলেন। নরসিংদী সদর উপজেলার সোনাতলা এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে।

ফলে আশপাশের মসজিদ ও দোকানপাট ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। এ অবস্থায় এই অভিযান পরিচালনা করে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিও জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র