Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাবনায় এডিস মশার লার্ভার সন্ধান, নতুন করে আতঙ্ক

পাবনায় এডিস মশার লার্ভার সন্ধান, নতুন করে আতঙ্ক
এডিস মশা। ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনা শহরের পৌর এলাকার বিআরটিসি ডিপোতে ও এক ব্যক্তির বাড়ির ছাদে জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে।

এদিকে এ খবরটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরসহ পুরো জেলায় ডেঙ্গু আতঙ্ক নতুন করে দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে নতুন করে নড়েচড়ে বসেছে জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শহরের বিভিন্ন স্থানে এডিস মশার লার্ভা আছে কিনা তার অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।

এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়ার বিষয়টি বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে নিশ্চিত করেন পাবনার সিভিল সার্জন মেহেদী ইকবাল।

তিনি জানান, বুধবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় পাবনা শহরের পৌর এলাকার বিআরটিসি ডিপোতে পরিত্যক্ত গাড়ির টায়ারে এবং জনৈক ব্যক্তির বাড়ির ছাদের উপর জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে। পাবনা জেলা সিভিল সার্জন অফিসের গঠিত ৫ সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম এই এডিস মশার লার্ভার সন্ধান পায়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তারা এডিস মশার লার্ভার জীবাণু ধ্বংস করে।

মেহেদী ইকবাল আরও জানান, এ ঘটনায় আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সম্মিলিত ভাবেই এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তবে এর আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জুলাই মাসে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে রোগী ভর্তি হলেও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, আক্রান্ত রোগীরা ঢাকা থেকে এই ডেঙ্গু রোগ বহন করে এসেছেন।

সবশেষ জুলাই মাসের শেষের দিকে পাবনা সদরের মনোহরপুর গ্রামের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী রঞ্জু মালিথা গণমাধ্যমে জানান, তিনি গত ৪ মাসে পাবনা থেকে কোথাও যাননি। অথচ তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

এমনিভাবে হাসপাতালে সবশেষ ৩৭ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন পাবনা ছেড়ে কোথাও যাননি। এমন প্রশ্নে হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. আনান জানিয়েছিলেন, রোগীরা ঢাকায় আক্রান্ত এবং এডিস মশা ট্রাভেলস হিসেবে আসতে পারে।

তখন পাবনার সিভিল সার্জন মেহেদী ইকবাল দাবি করেছিলেন, ডেঙ্গু মহামারি হলেও তার কার্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ টিম পাবনায় কোনো এডিস মশা বা লার্ভার অস্তিত্ব পায়নি।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রঞ্জন কুমার দত্ত জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১৩ জন। চিকিৎসাধীন আছেন ৩৭ জন। আর সুস্থ হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বাড়ি ফিরেছেন ১৭ জন। এ নিয়ে হাসপাতালে ১২৪ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি
আহত মো. সোহান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়েছে মাদকসেবীরা। এ হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া নামে দুজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মামলার অপর আসামি বাইরে থাকায় পাল্টা অভিযোগ দিয়ে বাদীপক্ষকে হয়রানি ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মির্জা বাড়ির নুরুল আলমের ছেলে মো. সোহানকে কুপিয়ে জখম করে মাদকসেবীরা।

মামলার আসামিরা হলেন- মানুরী মজুমদার বাড়ির লিটন মজুমদার, ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে প্রধান আসামি লিটন মজুমদার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ আগস্ট সোমবার মানুরী মজুমদার বাড়ির সামনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় মাদকসেবীরা সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে সোহানকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা সোহানের কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সোহানের ভাই বিল্লাল হোসেন সুমন মির্জা বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়। আমার ভাই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার আসামি লিটন মজুমদার ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদকে নিয়ে এসে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মূলত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে কথা বলেছি।’

একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উনু মং মারমা জানান, আসামি ওয়াসিম ও লিটন মজুমদার পূর্ব থেকেই মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহানের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে কেন হয়রানি করা হচ্ছে বিষয়টি তার জানা নেই।

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ
টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

নিরাপত্তাজনিত কারণে আগামী রোববার (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সকল ধরনের এনজিও ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টেকনাফের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কায় লেদা, জাদিমোর, শালবাগান ও নয়াপাড়া ক্যাম্পে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুইদিন ধরে এ নির্দেশ চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে অবরোধ

এদিকে, শনিবার ভোররাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহ ও মোহাম্মদ শুক্কুর। জাদিমোরা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, টেকনাফের জাদিমোরা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১১ টার দিকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র