Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

'প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য'

'প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য'
চাল সংগ্রহ করছেন এক বৃদ্ধ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঠাকুরগাঁও


  • Font increase
  • Font Decrease

'প্রতি ঈদেই চাল পাই। একটা সময় ছিল যে, ঈদের আগেই চিন্তায় পড়ে যেতাম সকলেই, কী করব না কী করব? কিন্তু এখন আর চিন্তা নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ, আমাদের মতো অসহায় গরিবদের পাশে থাকার জন্য।'

বুধবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও সালন্দর ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল পাওয়ার ঠিক এভাবেই মনের আবেগ তুলে ধরেন আঞ্জুমানআরা বেগম, হোসনে আরা, মানিক হোসেন সহ আরও অনেকেই।

এর আগে ইউনিয়ন পরিষদে আনুষ্ঠানিক ভাবে এক হাজার ৮০০ জন কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলম মুকুল।

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ আমাদের পাশে থাকার জন্য

চাল হাতে পেয়ে মুখে হাসি নিয়ে আব্দুল মালেক নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, 'গরিব বলে একটা সময় কেউ আমাদের মূল্যায়ন করত না। এই চেয়ারম্যান আসার পর থেকেই প্রতিবার আমরা এই চালটা পাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের মতো এই অসহায়দের পাশে থাকছে, এটার মতো ভালো জিনিস আর কী হতে পারে।'

এ সময় প্রায় ঐ ইউনিয়নের কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মাঝে ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আশরাফুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সালন্দর ইউনিয়নরে চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম মুকুল বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি সময় জনগণের কথা চিন্তা করেন। যার বাস্তব প্রমাণ এই ভিজিএফের চাল। ঈদ হওয়ার ঠিক আগেই তিনি এই অসহায় মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এই ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রীকে।'

আপনার মতামত লিখুন :

শীতের আগে কাজে ফিরতে চান রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা

শীতের আগে কাজে ফিরতে চান রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা
তালতলীর রাখাইন পল্লীতে কাপড় বুনছেন এক তাঁত শিল্পী/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বরগুনা জেলার দক্ষিণে সর্বশেষ উপজেলা তালতলী। ১৭০০ সালের শেষের দিকে মিয়ানমারের আরাকানের মেঘাবতীর সান্ধ্যে জিলার ছেং ডোয়ে, রেমেত্রে, মেং অং অঞ্চল ত্যাগ করে রাখাইনরা এখানে বসবাস শুরু করেন।

তারপর থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য রাখাইন নারীরা তাঁতের কাপড় বোনা শুরু করেন। সেই থেকে কয়েক বছর আগেও তালতলীতে রাখাইনদের তাঁত শিল্ল ছিল জমজমাট। কিন্তু রাখাইন পল্লীতে তাঁত শিল্পের সেই সূবর্ণ দিন এখন আর নেই।

তাঁত বুনার যন্ত্রপাতি পড়ে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। এই শিল্পের কারিগররা বেছে নিয়েছেন অন্য পেশা। গুটিকয়েক যারা আছেন, ভালো নেই তারা। এখন অনেকটা মানবেতর জীবন পার করছেন এই উপজেলার রাখাইন পল্লীর মানুষজন। বিলুপ্তির পথে এই তাঁত শিল্প।

শীতকালে জনপ্রিয় পোশাক এ তাঁতের কাপর। তাই আগামী শীত মৌসুমের আগে তাঁত শিল্পতে ফিরতে চাচ্ছেন রাখাইন পল্লীর তাঁতিরা, চাচ্ছেন সরকারি সহযোগিতা। উপজেলা প্রশাসনও বলছে, তাদের নতুন করে প্রশিক্ষণ ও ঋণ দিয়ে তাঁত শিল্পে ফিরিয়ে আনা হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566618833416.gif

জানা যায়, রাখাইন পল্লীতে এক সময় দিন রাত সমান তালে তাঁতের ঠক ঠক আওয়াজ শোনা যেত। তাঁতিদের কর্মব্যস্ততায় সরগরম ছিল রাখাইন পাড়া। উপজেলার রাখাইন মার্কেটে ছিল তাঁতের শাড়ি-কাপড় ক্রয় করার ধুম।

আর এখনে সেই মাকের্টে নেই বেচা-কেনার জট, নেই রাখাইন পল্লীতে কর্মব্যস্ততা। একদিকে যেমন সুতার সংকট, অন্যদিকে সুতার মাত্রাতিরিক্ত দাম, পাচ্ছেন না সরকারি কোনো সহায়তা, পণ্য বিক্রির পরিবেশ না থাকাসহ নানা সমস্যায় স্থবির হয়ে আছে রাখাইনদের তাঁত শিল্প।

এদিকে দুয়েকটি পাড়ায় তাঁত শিল্প দেখা গেলেও শুধু নিজেদের প্রয়োজনে কাপড় বুনছেন তারা। বাজারজাত করতে হলে সরকারি সহযোগিতা চান সাধারণ এ তাঁত শিল্পীরা।

রাখাইন তাঁত শিল্পী লাচা নো বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘সুতার দাম বেমি থাকায় এখন আর কাপড় বোনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের জীবন যাপন কষ্টে কাটতেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566618864981.gif

মনুকে পাড়ার চিং খে উই রাখানই বলেন, ‘এখন নিজেদের প্রয়োজনে দুয়েকটি কাপড় বোনা হয়। আগে কাপড় বুনে শেষ করতে পারতাম না।’

কবিরাজ পাড়ার তাঁতি খেনাচিং বলেন, ‘সুতার দাম বেশি ও কাপড় বিক্রির সুযোগ না থাকায় হারিয়ে যেতে বসেছে আমাদের প্রিয় শিল্প। আর তরুণরা ঝুঁকছে অন্য পেশায়।’

তালতলী উপজেলা তাঁতি সমিতির সভাপতি মংচিন থান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম.কে বলেন, ‘এক সময় রাখাইনদের ঐতিহ্য তাঁত শিল্প এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। সুতার দাম বেশি ও বিক্রির ব্যবস্থা না থাকায় রাখাইন পল্লির মানুষগুলো অন্য পেশার দিকে ঝুঁকছেন। এ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে দরকার সরকারি সহযোগিতা।’

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নিবার্হী অফিসার দীপায়ণ দাস শুভ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘তাঁত শিল্পিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। যুব উন্নয়ন থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যাল থেকে রাখাইনের তাঁত শিল্পিদের জন্য মার্কেট বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় নিহত ২

স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় নিহত ২
শ্লীলতাহানির চেষ্টাকারী আকবরের ছুরিকাঘাতে নিহত হন স্কুলছাত্রীর মামা হাসান/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও অপহরণচেষ্টাকালে অপহরণকারীর ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্রীর মামা হাসান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহত হাসানের পিতা হামিদুল ও স্কুলছাত্রী সুমাইয়া (১৪) আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এ সময় এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে অপহরণচেষ্টাকারী আকবর আলীকে আটক করে এবং পরবর্তীতে গণপিটুনিতে আকবর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। নিহত আকবার আলী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বড় মদনা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে চুয়াডাঙ্গার সদর থানার আমিরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সদর থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে আকবর আমিরপুর গ্রামে হামিদুলের বাড়িতে স্কুলছাত্রী সুমাইয়ার ঘরে ঢুকে অপহরণ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকারে তার নানা হামিদুল ও মামা হাসান এগিয়ে আসেন।

অপহরণে বাধা দেওয়ায় হামিদুল ও হাসানকে কুপিয়ে জখম করেন আকবর। এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আকবরকে আটক করে ও আহতদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক হাসানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ খবর গ্রামে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলে নিহত হন অপহরণচেষ্টাকারী আকবর।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র