Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

পুলিশ দেখে নদীতে লাফিয়ে নিখোঁজ আ’লীগ নেতা

পুলিশ দেখে নদীতে লাফিয়ে নিখোঁজ আ’লীগ নেতা
মাগুরা/ ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মাগুরা


  • Font increase
  • Font Decrease

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আমিরুল ইসলাম (পুলিশ বাদী মামলার আসামি) নামের এক ব্যক্তি নদীতে লাফিয়ে পড়েন। বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত নিখোঁজ তাকে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ আমিরুল ইসলাম শ্রীকোল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ডিবি পরিদর্শক নাসিরের নেতৃতে একদল পুলিশ শ্রীকোল বাজারে যায়। এ সময় আমিরুল ইসলাম চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। পুলিশ দেখে দৌড়ে পালাতে গিয়ে পার্শ্ববর্তী কুমার নদীতে লাফ দেন। লাফ দেওয়ার পর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিক্ষুব্ধ জনতা তখন পুলিশের উপর হামলা চালায় ।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস তল্লাশি চালিয়ে আমিরুলের কোনো খোঁজ পায়নি। শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার অধির কুমার বলেন, ‘এলাকাবাসীর সহায়তায় বেড়জাল টানা হয়েছে। স্থানীয় ডুবুরি না থাকায় খুলনায় খবর দেওয়া হয়েছে।’

শ্রীকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুতাসিম বিল্লাহ সংগ্রাম জানান, গত ১০ জুন স্থানীয় আওয়ামী লীগের অন্তঃকোন্দলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালান নেতাকর্মীরা। পুলিশ বাদী হয়ে ২১৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। আমিরুল ঐ মামলার একজন আসামি।

এদিকে বিবাদমান গ্রুপের নেতা হাফিজার মাস্টার বলেন, ‘পুলিশ শুধু ধাওয়া করেনি, ওসি ওলিয়ার রহমান ও কনস্টেবল প্রদীপ নৌকা নিয়ে নদীতে নেমে নির্যাতন চালান। পুলিশের নির্যাতনে আমিরুলের মৃত্যু হয়েছে।’

ডিবির পরিদর্শক নাসির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফারুক ও নাসিরকে ধরার জন্য শ্রীকোল বাজারে যাই। কিন্তু আমাদের দেখে কেউ দৌড়ে পানিতে লাফিয়ে পড়েছে কি-না বুঝতে পারিনি। কিন্তু হঠাৎ স্থানীয় লোকেরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।’

ঘটনাস্থলে উপস্থিত মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এলাকাবাসীর কাছ থেকে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করছি। তবে আমিরুলকে গ্রেফতার করার জন্য ডিবি পুলিশ সেখানে যায়নি। তাকে আটক করার জন্য থানা পুলিশ যাবে। একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

নিখোঁজ আমিরুলের স্ত্রী মরিয়ম নেছার অভিযোগ, পুলিশ পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করেছে। স্থানীয় লোকেরা বাঁচাতে গেলে তাদেরকেও গুলি করার হুমকি দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমেছে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বগুড়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। ঈদের আগে ও পরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯৭ জন। এর মধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ৭৮ জন এবং অন্যরা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বগুড়ার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বগুড়ায় ৭২২ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬২৫ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তারা বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566297690894.jpg

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আরিফুর রহমান তালুকদার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, ঈদে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা করা হলেও সেভাবে বাড়েনি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা এবং রোগ নির্ণয়ের সব রকম ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে। এ কারণে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

এদিকে কোরবানি ঈদের পর পৌরসভার পক্ষ থেকে মশা নিধনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

বগুড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, মশক নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পৌরসভার ২১ ওয়ার্ডে ১০টি ফগার মেশিন, ৪৭টি স্প্রে মেশিন দিয়ে কাজ চলছে।

তবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। জেলার প্রতিটি থানায় একজন করে পুলিশ কর্মকর্তাকে মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশের এই কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিনই পুলিশের পক্ষ থেকে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম নিজেই মশা নিধন কার্যক্রম তদারকি করছেন।

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক

নরসিংদীতে বালু উত্তোলনের দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক
বালু উত্তোলনের অবৈধ যন্ত্রপাতি আটক করা হয়, ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীর পুটিয়া বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে নরসিংদী জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। নরসিংদী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শাহ আলম মিয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় নরসিংদী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শাহরুখ খান উপস্থিত ছিলেন। নরসিংদী সদর উপজেলার সোনাতলা এলাকার একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে।

ফলে আশপাশের মসজিদ ও দোকানপাট ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। এ অবস্থায় এই অভিযান পরিচালনা করে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার দায়ে দু’ব্যক্তিকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিও জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র