Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

পাবনায় ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৫, চিকিৎসাধীন ৪০

পাবনায় ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৫, চিকিৎসাধীন ৪০
ডেঙ্গু রোগীদের মশারির ভেতর রাখা হয়েছে, ছবি: ফাইল ফটো
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পাবনা


  • Font increase
  • Font Decrease

পাবনায় ক্রমাগত বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও ৪০ জন।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ঘুরে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে।

এদিকে, পাবনার এই সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত কিট সরবরাহ না থাকায় ব্যক্তিমালিকানা হাসপাতাল ও ডায়গোনস্টিক সেন্টারগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য ভিড় বাড়লেও সেখানে মিলছে না পর্যাপ্ত কিট।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রঞ্জন কুমার দত্ত মঙ্গলবার দুপুরে জানান, সোমবার রাত পর্যন্ত হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৫ জন। গেল রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন আরও ১৫ জন। ৪০ জন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ডা. রঞ্জন বলেন, ‘গত ২৬ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১১১ জন। ভর্তিকৃত রোগীর মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।’

নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির বিষয়ে একাধিক চিকিৎসক জানান, পাবনায় ডেঙ্গুবাহী মশার অস্তিত্ব মেলেনি এমনটি দাবি করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে আসা রোগী এবং ট্রাভেলর মশার কারণে এ জেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হতে পারে।’

পাবনা পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু বলেন, ‘পৌরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আগামীকাল বুধবার র‌্যালি করা হবে। পরে প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ময়লা আবর্জনা অপসারণসহ মশার জন্মস্থানগুলো ধ্বংস করা হবে।’

পাবনার সিভিল সার্জন মেহেদী ইকবাল বলেন, ‘ডেঙ্গুর শুরু থেকেই সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের মেডিকেল টিম কাজ করছে। মঙ্গলবার পর্যন্তও পাবনার কোথাও কোনো ডেঙ্গু বা এডিস মশার অস্তিত্ব পায়নি এই টিম।’

এদিকে, ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবে পাবনাতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রশাসনসহ নানা দফতরের সমন্বিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যক্রম হাতে নেয়ার কথা হলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত এই সমন্বিত কার্যক্রম চালু হয়নি। তবে বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করছে, মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে সমন্বিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিহত করতে বৈঠক হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম
হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের বাজার চড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম।

পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং বন্যার কারণে হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি কমে গেছে ভারতীয় পেঁয়াজের তাই দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। প্রকারভেদে এসব পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566632868081.jpg

 

দফায় দফায় দাম বাড়ায় পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়েছে পাইকাররা। খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করেন আমদানি কম হওয়ায় বন্দরের পাইকার ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশের চাহিদার বেশীর ভাগ পেঁয়াজ আমদানি হয়ে থাকে। আর এ পেঁয়াজ আমদানির কারণে বন্দর এলাকায় গড়ে উঠেছে পেঁয়াজের আড়ত। যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কিনতে আসে পাইকাররা। সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলতে পেঁয়াজের বেচা-কেনা।

ব্যবসায়ীরা বলছে, ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে বন্যার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে হঠাৎ পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, দুইকর্ম দিবসে ৫১টি ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাক আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

 

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি
আহত মো. সোহান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়েছে মাদকসেবীরা। এ হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া নামে দুজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মামলার অপর আসামি বাইরে থাকায় পাল্টা অভিযোগ দিয়ে বাদীপক্ষকে হয়রানি ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মির্জা বাড়ির নুরুল আলমের ছেলে মো. সোহানকে কুপিয়ে জখম করে মাদকসেবীরা।

মামলার আসামিরা হলেন- মানুরী মজুমদার বাড়ির লিটন মজুমদার, ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে প্রধান আসামি লিটন মজুমদার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ আগস্ট সোমবার মানুরী মজুমদার বাড়ির সামনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় মাদকসেবীরা সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে সোহানকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা সোহানের কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সোহানের ভাই বিল্লাল হোসেন সুমন মির্জা বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমার ভাই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গতকাল শুক্রবার আসামি লিটন মজুমদার ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদকে নিয়ে এসে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মূলত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে কথা বলেছি।’

একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উনু মং মারমা জানান, আসামি ওয়াসিম ও লিটন মজুমদার পূর্ব থেকেই মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। হামলার মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহানের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে কেন হয়রানি করা হচ্ছে বিষয়টি তার জানা নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র