Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

মেঘনায় ইলিশ নেই, জেলেদের ঈদে ভাটা

মেঘনায় ইলিশ নেই, জেলেদের ঈদে ভাটা
মাছ ধরতে প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মোকাম্মেল মিশু
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ভোলা


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় ইলিশের ভরা মৌসুমেও মিলছে না পর্যাপ্ত ইলিশ। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন ওই এলাকার জেলেরা। এনজিও আর মহাজনের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মাটি হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। অনেকে আবার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

জানা গেছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার জলসীমানায় ইলিশ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন ভোলার প্রায় সাড়ে তিন লাখ জেলে। ইলিশের মৌসুমে অনেক জেলে বিভিন্ন এনজিও এবং মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে নতুন জাল-নৌকা নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে যান। কিন্তু ভরা মৌসুমে জালে উঠছে ৩-৪টি জাটকা।

মহাজনের ঋণ পরিশোধ দূরের কথা, ট্রলারের তেলের খরচও উঠছে না। দোকান থেকে বাকিতে চাল, ডাল, তেল কিনে টাকা পরিশোধ করতে পারছে না অনেকে। ফলে এখন দোকানদাররা আর বাকিতে মালামালও দিচ্ছেন না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565079200182.jpg

এদিকে, অনেক জেলে ঋণ ও সংসার চালানোর চাপে নৌকা ও জাল বিক্রি করে বাড়ি ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ পেশা পরিবর্তন করছেন।

আড়তদার মোহাম্মদ নোয়াব জানান, জেলেরা তাদের কাছ থেকে যেভাবে দাদন নিয়েছে, তারাও ব্যাংকের কাছ থেকে লোন নিয়েছে। জেলেরা মাছ দিতে না পারায় তারাও ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে আড়তদাররা অসহায় হয়ে পড়েছেন। এখন ব্যাবসা ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অ্যাডডভোকেট নজরুল হক অনু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘অযৌক্তিকভাবে সাগরে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করায় জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আর ভরা মৌসুমেও সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই ঈদের আগে জেলেদের বিশেষ প্রণোদনার আওতায় আনা উচিত।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565079218424.jpg

ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় প্রচুর বৃষ্টি হয়, আর এ সময় ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। আগস্টের মাঝামাঝিতে বৃষ্টিপাত বাড়লে নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে।’

আপনার মতামত লিখুন :

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি পোশাক কারখানার স্টাফ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত বাস  চালক (দুরন্ত বাস) মেহেদী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের বার্মাশিল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে বাস চালক মেহেদীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাস্তায় প্রায় আধা ঘণ্টা তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628465553.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের দুরন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চাষাঢ়ার দিকে যাচ্ছিল আর বিপরীত দিক থেকে নীট কনসার্ন নামে পোশাক কারখানার বাস শিমরাইলের দিকে যাচ্ছিল। দুইটি বাস বার্মাশিল এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের চালক সহ অন্তত ১০জন আহত হয়। শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ বাস দুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে যানজট মুক্ত করে। স্থানীয়রা জানিয়েছে উভয় বাসের ১০জন যাত্রী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুরন্ত পরিবহনের চালক সহ আরো একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষনিক আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বরগুনায় ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এ সময় বরগুনা ভাড়ানি খালের মাছ বাজার ব্রিজের পশ্চিম অংশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628110718.jpg

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন- সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনিচুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজাম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া তাসমিন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন জানান, খালটি রক্ষায় এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628193901.jpg

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক রাখতে মানববন্ধন, মিছিল, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিল। স্থানীয়দের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট বেঞ্চ বরগুনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) খাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র