Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

কুড়িগ্রামে ৩১ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি ১৮ জন

কুড়িগ্রামে ৩১ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি ১৮ জন
কুরিগ্রাম হাসপাতাল, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামে এ পর্যন্ত ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৮ জন রোগী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৪ আগস্ট) পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে শনাক্তকৃত ২৮ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৬ জনকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আর বাকি ছয়জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। এছাড়াও রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে দুই জন এবং ফুলবাড়ীতে চিকিৎসা নিয়েছেন একজন।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর পরীক্ষা করানোসহ ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে।

কুড়িগ্রামে এ পর্যন্ত ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৮ জন রোগী।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর রহমান সরদার বলেন, 'জেনারেল হাসপাতালে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনকে রেফার করা হয়েছে, ছয়জন ছুটি নিয়ে চলে গেছে। আর বাকী ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছি। হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ডেঙ্গু কর্নার খুলে সেখানে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।'

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. এসএম আমিনুল ইসলাম বলেন, 'এ পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলায় ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ২৮ জন, রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন এবং ফুলবাড়ীতে একজন। আমরা ডেঙ্গু রোগীর বিষয়ে সতর্ক আছি।'

আপনার মতামত লিখুন :

‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম পন্থা’

‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম পন্থা’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম পন্থা। এ জন্য জাতিসংঘসহ বাংলাদেশ সরকার কাজ করে চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ে জাতির জন্য দায়বদ্ধদের অপমান অপদস্ত না করে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

এর আগে মন্ত্রী হবিগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে নির্মিত কিচেন মার্কেট উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান এমপি ও গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা ও পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সরকারের বিএমডিএফ ও হবিগঞ্জ পৌরসভার যৌথ অর্থায়নে ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এ কিচেন মার্কেট নির্মাণ করে হবিগঞ্জ পৌরসভা।

বগুড়ায় বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার

বগুড়ায় বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেফতার
বগুড়া জেলার মানচিত্র, ছবি: সংগৃহীত

বাল্যবিয়ে বিরোধী অভিযান চালিয়ে বর-কনে, কাজীসহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ এদেরকে গ্রেফতার করে। শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নান্নু খান।

জানাগেছে, শুক্রবার রাতে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ বিহার, জামগ্রাম, কানুপুর, ধাওয়াগীর ও শংকরপুর গ্রামে বাল্য বিয়ে বিরোধী অভিযান চালায়। এ সময় ধাওয়াগীর গ্রামে চান মিয়ার ১৩ বছর বয়সী মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে পুলিশ অভিযান চালালে মেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এসময় পুলিশ বর শংকরপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মিলন (২৩), মেয়ের বাবা চান মিয়া কাজী আব্দুল আজিজ (৩৫) ছাড়াও তিনজন বরযাত্রীকে গ্রেফতার করে।

একই সময় পুলিশের আরেকটি দল কানুপুর গ্রামে আয়োজন করা বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানে অভিযান চালায়। সেখানে বর পালিয়ে গেলেও বরযাত্রীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করে।

শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নান্নু খান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাল্যবিয়ে বিরোধী ব্যাপক প্রচার প্রচারনা সত্বেও শুক্রবার রাতে এক সাথে কয়েকটি গ্রামে বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেফতারের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

উল্লেখ্য,গত ১৩ আগস্ট শিবগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বাল্যবিয়ে বিরোধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বাল্য বিয়ের দিক থেকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ২য় স্থানে রয়েছে বলে জানান বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বিপিএম। তিনি বলেন, বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সমাবেশ করা হয়। 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র