Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

মাগুরায় ডেঙ্গু টেস্টের ব্যবস্থা নেই

মাগুরায় ডেঙ্গু টেস্টের ব্যবস্থা নেই
মাগুরার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মাগুরা


  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু পরীক্ষার প্রয়োজনীয় উপকরণ নেই মাগুরায়। যদিও জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী।

মাগুরার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. স্বপন কুমার কুন্ডু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরে চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি, কিন্তু এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া পায়নি । স্থানীয়ভাবেও আজ পর্যন্ত কোনো উপকরণ যোগাড় করা সম্ভব হয়নি।’

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকালে মাগুরা সদর হাসপাতালের রেজিস্ট্রার থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে মহিলা ওয়ার্ডে ২৫ জন, পুরুষ ওয়ার্ডে ২৩ জন ও শিশু ওয়ার্ডে ১৩ জন জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে। যাদের শরীরে ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু আছে কিনা তা পরীক্ষা দ্বারা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসার পর্যাপ্ত উপকরণ ও ব্যবস্থা না থাকায় ভর্তি হওয়া রোগীরা ধোঁয়াশার মাঝে রয়েছে। জ্বরে আক্রান্ত একাধিক রোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, ডাক্তার তাদের ডেঙ্গু হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছেন।

মাগুরা সদর হাসপাতাল এখন পর্যন্ত আট জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছে। যারা অন্যত্র থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মাগুরায় এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ছয় জন পুরুষ ও দুই জন মহিলা।

ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. অমর প্রসাদ বিশ্বাস বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, হাসপাতালের বিশেষ কেয়ারে সকলে সুস্থ আছে। ধীরে ধীরে তারা সুস্থ হয়ে উঠবে।

শুধু মাগুরা সদর হাসপাতালে নয়, আশে পাশের উপজেলায় জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু শনাক্তকরণের উপায় না থাকায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘রক্তের সিবিসি পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু শনাক্ত করা সম্ভব। আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে সকলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছনতার দিকে নজর দিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম

হিলিতে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম
হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের বাজার চড়া, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম।

পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং বন্যার কারণে হিলি বন্দর দিয়ে আমদানি কমে গেছে ভারতীয় পেঁয়াজের তাই দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা। প্রকারভেদে এসব পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকা। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566632868081.jpg

 

দফায় দফায় দাম বাড়ায় পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়েছে পাইকাররা। খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করেন আমদানি কম হওয়ায় বন্দরের পাইকার ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশের চাহিদার বেশীর ভাগ পেঁয়াজ আমদানি হয়ে থাকে। আর এ পেঁয়াজ আমদানির কারণে বন্দর এলাকায় গড়ে উঠেছে পেঁয়াজের আড়ত। যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কিনতে আসে পাইকাররা। সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলতে পেঁয়াজের বেচা-কেনা।

ব্যবসায়ীরা বলছে, ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে বন্যার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে হঠাৎ পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানায়, দুইকর্ম দিবসে ৫১টি ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাক আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

 

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি

হামলার পর মামলা তুলে নেয়ার হুমকি
আহত মো. সোহান। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় যুবককে কুপিয়েছে মাদকসেবীরা। এ হামলার বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া নামে দুজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এদিকে মামলার অপর আসামি বাইরে থাকায় পাল্টা অভিযোগ দিয়ে বাদীপক্ষকে হয়রানি ও মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার মানুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের মির্জা বাড়ির নুরুল আলমের ছেলে মো. সোহানকে কুপিয়ে জখম করে মাদকসেবীরা।

মামলার আসামিরা হলেন- মানুরী মজুমদার বাড়ির লিটন মজুমদার, ওয়াসিম মজুমদার ও আশু মিয়া। এদের মধ্যে পলাতক রয়েছে প্রধান আসামি লিটন মজুমদার।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ আগস্ট সোমবার মানুরী মজুমদার বাড়ির সামনে মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় মাদকসেবীরা সোহানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে সোহানকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। সেখান থেকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা সোহানের কাছে থাকা একটি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী সোহানের ভাই বিল্লাল হোসেন সুমন মির্জা বলেন, ‘আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। মাথায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। আমার ভাই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গতকাল শুক্রবার আসামি লিটন মজুমদার ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদকে নিয়ে এসে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছে।’

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমি মূলত ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে কথা বলেছি।’

একই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উনু মং মারমা জানান, আসামি ওয়াসিম ও লিটন মজুমদার পূর্ব থেকেই মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। হামলার মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে সোহানের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে কেন হয়রানি করা হচ্ছে বিষয়টি তার জানা নেই।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র