Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

'ত্রাণ চাই না, উজানে বেড়িবাঁধ চাই'

'ত্রাণ চাই না, উজানে বেড়িবাঁধ চাই'
তিস্তার ভাঙনের কবলে তাম্বুলপুর ও ছাওলা ইউনিয়ন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
আমিনুল ইসলাম জুয়েল
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পীরগাছা (রংপুর)


  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের পীরগাছায় বেড়িবাঁধের অভাবে তিস্তা নদীর ভাঙনে প্রতিবছর বিলীন হচ্ছে দুটি ইউনিয়নের একের পর এক জনপদ। পানি উন্নয়ন বোর্ড উজানে নতুন করে বেড়িবাঁধ নির্মাণ না করায় গত পাঁচ বছরে তিস্তার ভাঙনে উপজেলার তাম্বুলপুর ও ছাওলা ইউনিয়নের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সাতটি গ্রামের প্রায় সাত শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এ কারণে প্রতিবছর শত শত পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে সহায়-সম্বল ও বসতবাড়ি হারিয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, 'আমরা প্রতিবছর বন্যার সময় ত্রাণ চাই না, তিস্তার বন্যা ও ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে উজানে বেড়িবাঁধ চাই।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/26/1564129291989.jpg
ভাঙনে শেষ সম্বলটুকু নিয়ে অন্যত্র আশ্রয়ের খোঁজে 

 

জানা যায়, দীর্ঘদিন পূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের ভেঙে যাওয়া বাঁধটি পুনঃনির্মাণ করে। কিন্তু পাউবো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির উজানে শিবদেব চর এলাকায় বেড়ি বাঁধ নির্মাণ না করায় ২০০ মিটার বেড়িবাঁধসহ এক কিলোমিটার একটি সড়ক ভেঙে তিস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। শিবদেবচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির দ্বিতল ভবন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নতুন করে নদী ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।

চর ছাওলা গ্রামের আফছার আলী(৫২) ও  আবুল হোসেন (৬৪) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'পাউবোর ভুলের কারণে তারা এ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। যদি উজানে একটি বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হতো তাহলে লোকালয়ে নদীর পানি ঢুকতে পারত না, আর ক্ষতিও হতো না।'

চর ছাওলা গ্রামের কাদের আলী ও শিবদেব চর গ্রামের ফজল উদ্দিনসহ আরও অনেকে বলেন, 'আমরা  প্রতিবছর বন্যার সময় ত্রাণ চাই না, তিস্তার ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে উজানে একটি বেড়ি বাঁধ চাই।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/26/1564129301070.jpg
নৌকায় করে শেষ সম্বল্টুকু নিয়ে যাচ্ছেন

 

ছাওলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল হাকিম বলেন, 'প্রতিবছর বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেবচর, চরছাওলা, কামারের হাট, বজরাপাড়া, নয়ারহাট, রামশিং ও রহমতের চরসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়। উজানে বেড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হলে নদী ভাঙন ও বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে গ্রামগুলো।'

উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, 'তিস্তার ভাঙন রোধে ওই এলাকায় আরও বেশ কয়েকটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব নির্মাণ করা হলে কৃষকেরা আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।'

রংপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, 'তিস্তার ভাঙন রোধে উজানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ জরুরি হলেও ঐ এলাকায় পাউবোর কোনো নিজস্ব জমি নেই। এছাড়া বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ পেলে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।'

আপনার মতামত লিখুন :

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি পোশাক কারখানার স্টাফ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত বাস  চালক (দুরন্ত বাস) মেহেদী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের বার্মাশিল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে বাস চালক মেহেদীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাস্তায় প্রায় আধা ঘণ্টা তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628465553.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের দুরন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চাষাঢ়ার দিকে যাচ্ছিল আর বিপরীত দিক থেকে নীট কনসার্ন নামে পোশাক কারখানার বাস শিমরাইলের দিকে যাচ্ছিল। দুইটি বাস বার্মাশিল এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের চালক সহ অন্তত ১০জন আহত হয়। শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ বাস দুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে যানজট মুক্ত করে। স্থানীয়রা জানিয়েছে উভয় বাসের ১০জন যাত্রী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুরন্ত পরিবহনের চালক সহ আরো একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষনিক আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বরগুনায় ভাড়ানি খাল রক্ষায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান শুরু হয়। এ সময় বরগুনা ভাড়ানি খালের মাছ বাজার ব্রিজের পশ্চিম অংশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628110718.jpg

উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন- সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনিচুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজাম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া তাসমিন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেন জানান, খালটি রক্ষায় এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628193901.jpg

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক রাখতে মানববন্ধন, মিছিল, সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছিল। স্থানীয়দের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট বেঞ্চ বরগুনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) খাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র