Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ফরিদপুরে বন্যায় ২৬ স্কুল বন্ধ

ফরিদপুরে বন্যায় ২৬ স্কুল বন্ধ
ফরিদপুর সদর ও চরভদ্রাসনে ১৪টি এবং সদরপুরে ১২টি বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ফরিদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ফরিদপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গোয়ালন্দ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২১ জুলাই) থেকে ফরিদপুরের বন্যা কবলিত তিনটি উপজেলার ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563723952612.jpg
সদরপুরে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, 'ফরিদপুর সদর ও চরভদ্রাসনে ১৪টি এবং সদরপুরে ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া সদরপুরে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে।' 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563724007023.jpg
গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি আরও ২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে

 

গোয়ালন্দ পয়েন্টের গেজ রিডার ইদ্রিস আলী বলেন, 'গত ২৪ ঘণ্টায় ওই পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি আরও ২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পানি বিপদসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার (৯ দশমিক ৩৩) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563724046748.jpg
 জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে 

 

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, 'ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলার পদ্মাপাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে বন্যার প্রকট রূপ ফরিদপুরে ধারণ করেনি। তারপরও যেটুকু কবলিত হয়েছে এবং যেসকল এলাকার মানুষ  বন্যা কবলিত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ত্রাণ সামগ্রীসহ সার্বিক খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এই ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে মৈত্রী সড়ক পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি রয়েছে র্যা ব-পুলিশও।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566449298129.jpg
২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন‘ অভিযান পরিচালনা করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

আগে থেকেই আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ১১ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাইদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর থেকে সাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানান, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের বাউরকাপন এলাকার মৃত শফিক মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম গত ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সকালে বাড়ি থেকে টমটম গাড়ি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার বাগিচা বাজারের উদ্দেশে বের হয়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজের বড় ভাই ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন।

সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক জানান, তার ভাই জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কে প্রতিদিন টমটম গাড়ি চালাতো। গত ১০ আগস্ট বিশ্বনাথের বাগিচা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া তার মালামাল ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ভবের বাজারে পৌঁছে দিতে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক ১১ আগস্ট সকালের দিকে গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচা বাজারে যাওয়ার জন্য বের হয় সাইদুল। তার বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে ভাইয়ের মোবাইলে কল দেন সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র