Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপরে যমুনার আরিচা পয়েন্টের পানি

বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপরে যমুনার আরিচা পয়েন্টের পানি
পানি বাড়ায় যমুনার পাড়ে ভাঙন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যমুনা নদীর মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা পয়েন্টের পানি। এরই মধ্যে বিভিন্ন শাখা নদী নালা হয়ে যমুনার এই বাড়তি পানি প্রবেশ করেছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। যমুনায় পানি বাড়ার প্রভাবে পানি বাড়ছে পদ্মায়ও।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) মানিগঞ্জের আরিচা কার্যালয়ের গ্রেজ রিডার আলমগীর হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, প্রায় মাসখানেক ধরেই পানি বাড়ছিল যমুনা নদীর আরিচা পয়েন্টে। তবে বর্তমানে পানি বাড়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সবশেষ শুক্রবার (১৯ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যমুনার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপরে যমুনার আরিচা পয়েন্টের পানি

যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জের তিনটি উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। তবে ভাঙনের কবলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার দৌলতপুর উপজেলা। এছাড়া যমুনায় পানি বৃদ্ধির ফলে পানি বাড়ছে পদ্মায়ও। এতে করে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফেরি চলাচল। ভোগান্তিতে রয়েছেন ফেরিঘাটে অপেক্ষারত যানবাহনের যাত্রী ও শ্রমিকরা।

বিপদসীমার ২০ সে.মি. উপরে যমুনার আরিচা পয়েন্টের পানি

মানিকগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বাবুল মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, যমুনা নদীতে দ্রুতগতিতে বাড়ছে পানি। যার প্রভাব পড়ছে পদ্মা নদীতেও। পদ্মা যমুনার ভাঙনে মানিকগঞ্জের শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার কয়েকশ পরিবার বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আট মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন সতর্ক রয়েছ বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

শেরপুরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা
শেরপুরের ম্যাপ

শেরপুরে ফরিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর পৌর এলাকার গৌরিপুর মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরিদা ওই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের স্ত্রী।

নিহতের নাতি শিহাব বলেন, ‘আমি শেরপুরে একটি মোটরসাইকেল শো-রুমে কাজ শেষে বাসায় যাই। এসময় ঘরে সামনে গিয়ে দরজা খোলার জন্য দাদীকে ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি দরজা না খোলায় পাশের বাসা থেকে হাতুড়ি এনে তালা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে দাদীকে গলা কাটা অবস্থায় পাই। এরপর চিকৎকার করলে আশপাশের লোকজন আসে। আমি আর কিছু জানি না।’

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা বৃদ্ধার গলা কেটে রেখেছে আমরা ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করছি।

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র