Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভোগান্তির অপর নাম দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট

ভোগান্তির অপর নাম দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সোহেল মিয়া
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজবাড়ী


  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট। এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন পার হয় দুই হাজারের অধিক ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। আর এসব যানবাহন নদী পার করার কাজে ব্যবহৃত হয় ১৮টি ফেরি।

কিন্তু ঘাটে এসে বিভিন্ন কারণে যানবাহনগুলোকে পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছে না যাত্রী ও যানবাহনের চালক-শ্রমিকদের।

ঘাটে এসে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় নদী পারের জন্য। আর এই অপেক্ষা করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যায় জর্জড়িত হচ্ছেন তারা। মানসিক, শারীরিকসহ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হচ্ছে তাদের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563377707851.gif

ঘাটে এসে তিন দিন ধরে নদী পারের অপেক্ষায় থাকা ট্রাক চালক আলিমুদ্দিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘ঘাট পার হওয়ার কথা মনে পড়লেই যন্ত্রণা বেড়ে যায়। দিনের পর দিন ঘাটে এসে অলস বসে থাকা কতটা যে কষ্টের, তা ভুক্তভোগীরা ছাড়া কেউ বুঝবেন না।’

সূত্র জানায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি থাকার কথা থাকলেও বেশির ভাগ সময়ই বিভিন্ন কারণে কম সংখ্যক ফেরি চলাচল করে। এতে ঘাটে দেখা দেয় তীব্র যানজট। আবার যে কয়টি ফেরি চলাচল করে, সেই কয়টি ফেরির বয়স এতো বেশি যে নদীতে একটু স্রোত বেশি হলেই তা আর স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। ফেরিগুলোর ইঞ্জিন দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তাছাড়া ঘাট এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই ভোগান্তির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। আর আষাঢ় মাসজুড়ে ঘাটের অবস্থা থাকে খুবই শোচনীয়। ঘাটে কোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নকর্মী না থাকায় ঘাট থাকে সব সময় অপরিচ্ছন্ন। তাছাড়া পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলে বাসস্ট্যান্ডের সড়কে জমে হাঁটু পানি। সবকিছু মিলে ভোগান্তির অপর নাম এখন দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563377722548.gif

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘এই নৌরুটে চলাচল ফেরিগুলোর ইঞ্জিন অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। ফেরিগুলোর বয়স অনেক। তাই নদীতে স্রোত বাড়লে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। আর এ কারণে ফেরির ট্রিপ সংখ্যা কমে যায়। যার কারণে ঘাটে যানজটের সৃষ্টি হয়।’

আপনার মতামত লিখুন :

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এই ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে মৈত্রী সড়ক পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি রয়েছে র্যা ব-পুলিশও।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566449298129.jpg
২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন‘ অভিযান পরিচালনা করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

আগে থেকেই আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ১১ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাইদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর থেকে সাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানান, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের বাউরকাপন এলাকার মৃত শফিক মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম গত ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সকালে বাড়ি থেকে টমটম গাড়ি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার বাগিচা বাজারের উদ্দেশে বের হয়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজের বড় ভাই ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন।

সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক জানান, তার ভাই জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কে প্রতিদিন টমটম গাড়ি চালাতো। গত ১০ আগস্ট বিশ্বনাথের বাগিচা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া তার মালামাল ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ভবের বাজারে পৌঁছে দিতে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক ১১ আগস্ট সকালের দিকে গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচা বাজারে যাওয়ার জন্য বের হয় সাইদুল। তার বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে ভাইয়ের মোবাইলে কল দেন সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র