Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী
পরীক্ষায় পাসের খুশিতে মা মলি রাণীকে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন ছেলে মৃন্ময় কুমার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
নাটোর


  • Font increase
  • Font Decrease

বয়সের বাধাকে উপেক্ষা করে নাটোরের বাগাতিপাড়ার আলোচিত সেই মা মলি রাণী (৩৭) এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ ৩ দশমিক ৯৬ পেয়ে পাস করেন তিনি। এর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে আলোচনায় আসেন তিনি।

চলতি বছর বাগাতিপাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মলি রাণী। তিনি ওই কলেজের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ট্রেডের ছাত্রী ছিলেন।

এদিকে ছেলে মৃন্ময় কুমার এসএসসি পাসের পর নাটোরের টিএমএস পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়ে বর্তমানে চতুর্থ সেমিস্টারে ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন।

এর আগে ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ছেলের চেয়ে ভালো ফলাফল করেন মা মলি রাণী। তিনি পেয়েছিলেন জিপিএ ৪ দশমিক ৫৩ এবং ছেলে মৃন্ময় কুমার পান জিপিএ ৪ দশমিক ৪৩ । সে সময় কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মলি বাগাতিপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ড্রেস মেকিং অ্যান্ড টেইলারিং ট্রেডের এবং ছেলে মৃন্ময় বাগাতিপাড়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।

উদ্যমী ওই নারী মলি রাণীকে নিয়ে ২০১৭ সালে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর আলোচনায় আসেন তিনি। সে সময় মলি রাণীর সাফল্যে তৎকালীন এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সদ্যপ্রয়াত বইপ্রেমী পলান সরকার তার বাড়িতে ছুটে আসেন। আর তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মা ও ছেলেকে ডিসি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপ উপহার দেন। উপজেলা প্রশাসন মা দিবসে সংবর্ধনা দেয় মলি রাণীকে। এরপর কলেজে ভর্তি হলে অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহম্মেদ বিনা খরচে মলি রাণীর পড়ালেখার দায়িত্ব নেন।

মলি রাণী জানান, যখন তিনি নবম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তার বাবা বাগাতিপাড়া উপজেলার গালিমপুরের মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবব্রত কুমার মিন্টুর সঙ্গে বিয়ে দেন। তার বাবার বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার প্রসাদপুরে। বাবার নাম অসিত কুন্ডু। এরপর আর পড়ালেখা করার সুযোগ হয়নি। সংসারের চাপে পিষ্ট হয়ে গৃহিণীই রয়ে যান। এরই মধ্যে দুটি সন্তানের জন্ম দেন। বড় ছেলে মৃন্ময় কুমার এবং ছোট ছেলে পাপন। ছেলেদের পড়ালেখা করাতে গিয়ে তিনি অনুভব করেন তার নিজের পড়ালেখা জানা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই স্কুলে ভর্তি হন মলি রাণী।

আপনার মতামত লিখুন :

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এই ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে মৈত্রী সড়ক পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি রয়েছে র্যা ব-পুলিশও।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566449298129.jpg
২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন‘ অভিযান পরিচালনা করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

আগে থেকেই আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ১১ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাইদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর থেকে সাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানান, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের বাউরকাপন এলাকার মৃত শফিক মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম গত ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সকালে বাড়ি থেকে টমটম গাড়ি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার বাগিচা বাজারের উদ্দেশে বের হয়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজের বড় ভাই ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন।

সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক জানান, তার ভাই জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কে প্রতিদিন টমটম গাড়ি চালাতো। গত ১০ আগস্ট বিশ্বনাথের বাগিচা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া তার মালামাল ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ভবের বাজারে পৌঁছে দিতে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক ১১ আগস্ট সকালের দিকে গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচা বাজারে যাওয়ার জন্য বের হয় সাইদুল। তার বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে ভাইয়ের মোবাইলে কল দেন সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র