Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ফাইল ছবি
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
লালমনিরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর বন্যার পানিতে ডুবে ইশি মনি (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজারের পাশে ধরলা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিশু ইশি মনি সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ওই বন্যার পানি বাড়িতে ওঠায় শিশু ইশি মনিকে উঁচু স্থানে রেখে কাজ করছিল পরিবারের লোকজন। তবে সবার অজান্তে বন্যার পানিতে পড়ে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এই ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে মৈত্রী সড়ক পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি রয়েছে র্যা ব-পুলিশও।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566449298129.jpg
২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন‘ অভিযান পরিচালনা করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

আগে থেকেই আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ১১ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাইদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর থেকে সাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানান, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের বাউরকাপন এলাকার মৃত শফিক মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম গত ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সকালে বাড়ি থেকে টমটম গাড়ি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার বাগিচা বাজারের উদ্দেশে বের হয়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজের বড় ভাই ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন।

সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক জানান, তার ভাই জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কে প্রতিদিন টমটম গাড়ি চালাতো। গত ১০ আগস্ট বিশ্বনাথের বাগিচা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া তার মালামাল ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ভবের বাজারে পৌঁছে দিতে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক ১১ আগস্ট সকালের দিকে গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচা বাজারে যাওয়ার জন্য বের হয় সাইদুল। তার বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে ভাইয়ের মোবাইলে কল দেন সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র