Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে

দুদকের মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা কারাগারে
প্রতীকী ছবি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ফরিদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির বিবরণ জমা না দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় এক সহকারী পুলিশ সুপারকে (এএসপি) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের হাকিম মো. সেলিম মিয়া আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঐ পুলিশ কর্মকর্তার নাম এস এম বদরুল আলম। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা। এস এম বদরুল আলম বর্তমানে গাজীপুর জেলার হাইওয়ে পুলিশের এএসপি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে এস এম বদরুল আলম যশোরের ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঐ বছরের ৪ মে তার সম্পত্তির হিসাব চেয়ে সাত দিনের মধ্যে তা দুদকে জমা দিতে বলা হয়। বদরুল আলম দুদকের নোটিশের ঐ চিঠিটি ৫ মে গ্রহণ করেন। সেই হিসেবে ১৪ মে’র মধ্যে তার সম্পত্তির হিসাব দেওয়ার কথা ছিল।

বদরুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির হিসাব জমা না দেওয়ায় দুদকের ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বাদী হয়ে ২০০৯ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বদরুল আলমকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

মামলা দায়েরের পর বদরুল আলম হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তিকালীন জামিন নেন। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ২০১৪ সালের ১৬ জুন এ ব্যাপারে একটি রুল জারি করে রুল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বদরুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন। গত ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই হাইকোর্ট বদরুল আলমের দায়ের করা রুলটি খারিজ করে দেন।

জেলা দুদকের আইনজীবী নারায়ন চন্দ্র দাস জানান, হাইকোর্ট রুল খারিজ করে দিলেও বদরুল আলম সেই তথ্য গোপন রাখেন। অতপর বুধবার তিনি ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। তবে আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক

নিরাপত্তার চাদরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক। এই ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে টেকনাফের জাদিমোড়া থেকে মৈত্রী সড়ক পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি রয়েছে র্যা ব-পুলিশও।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে যেকোন সময়ে শুরু হতে পারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566449298129.jpg
২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ‘জাতিগত নিধন‘ অভিযান পরিচালনা করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

আগে থেকেই আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরাসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। এদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ১১ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
নিহত কিশোর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ১১ দিন নিখোঁজ থাকার পর সাইদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর থেকে সাইদুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানান, উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের বাউরকাপন এলাকার মৃত শফিক মিয়ার ছেলে সাইদুল ইসলাম গত ১১ আগস্ট (ঈদের আগের দিন) সকালে বাড়ি থেকে টমটম গাড়ি নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী বিশ্বনাথ উপজেলার বাগিচা বাজারের উদ্দেশে বের হয়। এরপর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজের বড় ভাই ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন।

সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক জানান, তার ভাই জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়কে প্রতিদিন টমটম গাড়ি চালাতো। গত ১০ আগস্ট বিশ্বনাথের বাগিচা বাজারের ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী রাসেল মিয়া তার মালামাল ১১ আগস্ট জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ভবের বাজারে পৌঁছে দিতে চুক্তি করেন। চুক্তি মোতাবেক ১১ আগস্ট সকালের দিকে গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বাগিচা বাজারে যাওয়ার জন্য বের হয় সাইদুল। তার বাড়ি ফিরতে দেরি দেখে ভাইয়ের মোবাইলে কল দেন সাইদুলের বড় ভাই রিয়াজুল হক। কিন্তু ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান না পেয়ে তিনি জগন্নাথপুর থানায় জিডি করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র