Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চাকরি দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ, পুলিশের এসআই কারাগারে

চাকরি দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ, পুলিশের এসআই কারাগারে
ছবি: প্রতীকী
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
পটুয়াখালী


  • Font increase
  • Font Decrease

চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের মামলায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম আকনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে শামীম আকন ওই তার ভাই জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালতের বিচারক আমিরুল ইসলাম পুলিশ শামীম আকনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশের এসআই শামীম আকন বর্তমানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় কর্মরত এবং তার ছোট ভাই পুলিশ কনস্টেবল আল-আমিন আকন বরগুনা থানায় কর্মরত রয়েছেন।

গত সোমবার উল্লেখিত আদালত ওই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আসামিরা পটুয়াখালী সদর উপজেলার জামুরা তেলিখালী গ্রামের মৃত ইউছুব আকনের ছেলে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন রেজা জানান, এসআই শামীম আকন ও তার ছোট ভাই কনস্টেবল আল-আমিন পুলিশে চাকরি দেয়ার কথা বলে মামলার বাদী মিলন ডাকুয়ার কাছ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে ১৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নেন। চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বাদী টাকা ফেরত চান। তবে আসামিরা টাকা ফেরত না দিয়ে বারবার সময়ক্ষেপণ করেন। পরে মিলন ডাকুয়া আদালতে একটি অভিযোগ দাখিল করেন এবং আদালতের বিচারক তা আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর মঙ্গলবার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত শামীম আকনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র