Barta24

মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

English

টানা বর্ষণে নরসিংদীর সড়ক সংস্কার বিঘ্নিত, জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি

টানা বর্ষণে নরসিংদীর সড়ক সংস্কার বিঘ্নিত, জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
নরসিংদী


  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণে নরসিংদীর অধিকাংশ এলাকাই পানিতে তলিয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ পড়েছেন ভোগান্তিতে। তাছাড়া বেশিরভাগ সড়কে পানি জমে থাকায় বিটুমিন উঠে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক সড়কেই গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, নরসিংদী পৌরসভার পক্ষ থেকে অনেক রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এজন্য সড়ক খোঁড়াখুড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একাজে ড্রেনেজ ব্যবস্থা আপাতত অকার্যকর থাকায় পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই।

এর মধ্যে টানা বর্ষণ সীমাহীন ভোগান্তি জুড়ে দিয়েছে। একেতো কাদা অন্যদিকে জলাবদ্ধতা। এসবের মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে নরসিংদী পৌরবাসীর।

Narsigdi

শুধু তাই নয়, শহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য বেশ কিছু ছোট কালভার্ট ও পাইপ ভরাট করে দোকানপাট নির্মাণ করায় জলবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় নরসিংদী জেলা প্রশাসক কার্যালয়, আদালত চত্ত্বর, স্টেডিয়াম মার্কেট, জেলা প্রশাসক সার্কিট হাউজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের আবাসিক এলাকা, ফায়ার সার্ভিস অফিস, বাজির মোড় এলাকাসহ শহরের ব্যাংক কলোনি, মানিক রোড, দাসপাড়া, ব্রাহ্মন্দী, বিলাসদী, টাওয়াদি, বানিয়াছল, রাঙ্গামাটি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় হাটু পানি থেকে শুরু করে কোমর পর্যন্ত পানি জমেছে।

এবিষয়ে নরসিংদী পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে নরসিংদী শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। আর এই কাজ বৃষ্টির আগে থেকেই ধরা হয়েছে। রাস্তার কাজ যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে অবিরাম বৃষ্টি কাজের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এর ফলে কিছু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে গেছে। তবে বৃষ্টি থামলে পানি আবার শুকিয়েও যায়। আশা করি, দ্রুত এই কাজ শেষ হবে। আর শেষ হলেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবে পৌরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন :

নানা সমস্যায় জর্জরিত 'আশ্রয়ণ' এর বাসিন্দারা

নানা সমস্যায় জর্জরিত 'আশ্রয়ণ' এর বাসিন্দারা
আশ্রয়ণ এর বাসিন্দারা মানবেতর জীবনযাপন করছে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত অসহায় মানুষের জন্য প্রতিষ্ঠিত বারুগ্রাম আশ্রয়ণের ৬১টি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত। মানবেতর জীবন যাপনের পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেড়ে উঠছে এখানকার শিশুরা।

তবে প্রশাসন বলছে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের যে সমস্যাটুকু রয়েছে তা খুব অচিরেই সমাধান করা হবে। কারণ এরই মধ্যে আশ্রয়ণের নানা সমস্যা চিহিৃত করে বড় একটি প্রকল্প তৈরি করে অর্থ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই আশ্রয়ণের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566279467620.jpg

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৮ একর ৩২ শতাংশ খাস জমির ওপর ২০০৮ সালে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার যাদের মাথা গোজার ঠাঁই নেই তাদের জন্য বারুগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। এই আশ্রয়ণটিতে ১৮০টি পরিবারের থাকার জন্য ১৮টি ব্র্যাক তৈরি করা হয়। আর প্রতিটি ব্র্যাকের জন্য দুটি করে টয়লেট ও নলকূপের ব্যবস্থা করা হয়। আশ্রয়ণের শুরুর দিকে ১৮০টি পরিবার থাকলেও এখন রয়েছে মাত্র ৬১টি পরিবার। নানা সমস্যার কারণে ১১৯টি পরিবার অন্যত্র চলে গেছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আশ্রয়ণের মধ্যে ছোট রাস্তাটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে চলাচল কঠিন হয়ে যায়। এখানকার মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত কোনো স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা। আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের জন্য নির্মিত টয়লেটের সবগুলোই নষ্ট। অন্যদিকে ৬১টি পরিবারের জন্য মাত্র ৬টি টিউবওয়েল রয়েছে। বাকি সবগুলোই নষ্ট। আশ্রয়ণে যারা থাকছে তাদের থাকার ঘরগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেগুলো এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566279480912.jpg

অন্যদিকে, আশ্রয়ণটির বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য নেই কোনো বেষ্টনী। আশ্রয়ণটি খোলা মাঠের মধ্যে হওয়ায় সেখানে দিনরাত বহিরাগত বিভিন্ন মানুষ অবাধ যাতায়াত করছে। ফলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এই পল্লীর বাসিন্দারা।

আশ্রয়ণের একাধিক বাসিন্দা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আমরা এখানে ১১ বছর ধরে বাস করছি। সরকার আমাদের যা দেয় তাতে আমরা খুশি। কারণ আমাদের মাথা গোঁজার মতো কোনো জায়গা ছিলনা। তবে এই আশ্রয়ণটি তৈরি হওয়ার পর এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি। যার কারণে এখানে আমাদের নানা সমস্যা হচ্ছে। আমাদের এখানে টয়লেট নষ্ট, নলকূপ একেবারেই অল্প সংখ্যক। আশ্রয়ণের মধ্যে যে রাস্তা রয়েছে বৃষ্টি হলে আর চলতে পারিনা। আশ্রয়ণের চারপাশেই খোলা। রাতে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/20/1566279493855.jpg

বারুগ্রাম আশ্রয়ণ প্রকল্প সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল আজিজ মোল্লা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আশ্রয়ণে কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা সমস্যাগুলোর কথা প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারা বলেছে খুব দ্রুতই সমস্যার সমাধান করা হবে।’

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত জাহান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পটিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজরদারি রয়েছে। আমরা বারুগ্রাম আশ্রয়ণের উন্নয়নের জন্য এরই মধ্যে ৭৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৬৪৮ টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। অর্থ বরাদ্দ পেলেই আমরা দ্রুতগতিতে আশ্রয়ণের সকল সমস্যা দূর করার চেষ্টা করব।’

কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

কুষ্টিয়ায় অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার
মরদেহ উদ্ধার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অজ্ঞাত এক নারীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর বাঁশের সাঁকো সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর বাঁশের সাঁকো সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দী মরদেহ দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঐ অজ্ঞাত নারীর বস্তাবন্দী মরদেহটি উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র