Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে কৃষকের সর্বনাশ

বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে কৃষকের সর্বনাশ
গৌরীপুর উপজেলার পূর্ব শালীহর গ্রামে কৃষকের জমির ওপর বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে/ছবি: বার্তা২৪.কম
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আবাদী জমির ওপর বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি ভেঙে পড়ায় আমন মওসুমে জমিতে ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না ভুক্তভোগী কৃষকরা। ভেঙে পড়া খুঁটির সঞ্চালন লাইনে  বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকায় কৃষক ও পথচারীরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রায় দুই মাস আগে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের খুঁটি ভেঙে পড়ে। খুঁটির তারে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু আছে। বিষয়টি বিদ্যুৎ অফিসের লোকজনকে জানানো হলেও তারা খুঁটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে ২ নং গৌরীপুর ইউনিয়নের পূর্ব শালীহর গ্রামে দেখা যায় কৃষক নূরুল ইসলামের সবজি বাগানের ওপর বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের বাঁশের খুঁটি ভেঙে পড়ে আছে। খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে বিদ্যুতের তাঁর ন্যুয়ে পড়েছে গ্রামের গোরস্থান ও স্থানীয় ৩ কৃষকের জমির ওপর। ন্যুয়ে পড়া বিদ্যুতের তারে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আমন মওসুমে কৃষকরা তাদের জমিতে ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না।

কৃষক নূরুল ইসলাম বলেন,  ভেঙে পড়া খুঁটির তারে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু থাকায়  আমি ও আমার তিন প্রতিবেশী  জমিতে হালচাষ করার পরেও ভয়ে ধানের চারা রোপন করতে পারছিনা। বিষয়টি বিদ্যুৎ অফিসে জানানোর পরও কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই অবস্থায় যেকোনো মুহূর্তে বিদ্যুতায়িত হয়ে যে কারো প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবাসিক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) তহুর উদ্দিন বলেন,  ঘটনার পরপরই আমাদের লোকজন খুঁটি সংস্কারের পূর্বশালীহর গ্রামে যায়। কিন্তু গ্রামের লোকজন নিজেদের বিবাদের কারণে আমাদের খুঁটি ঠিক করতে দেয় না। তারপরও আমি আবার লোক পাঠাবো।

আপনার মতামত লিখুন :

অনার্স পড়তে হলুদ ক্ষেতে কাজ করেন জিপিএ-৫ পাওয়া রুবেল

অনার্স পড়তে হলুদ ক্ষেতে কাজ করেন জিপিএ-৫ পাওয়া রুবেল
রুবেল হোসেন। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

প্রাইভেট বা কোচিং করা ভাগ্যে জোটেনি। তবে শুধুমাত্র নিয়মিত ক্লাস করেই এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন রুবেল হোসেন। কিন্তু ভালো ফলাফল করেও শুধুমাত্র অর্থাভাবের কারণে এখন উচ্চ শিক্ষা (অনার্স) নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

রুবেল হোসেন চলতি বছর নাটোরের বাগাতিপাড়ার তকিনগর আইডিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

শনিবার (২০ জুলাই) উপজেলার তকিনগর মাঠে হলুদ ক্ষেতে দিনমজুরের কাজ করার সময় কথা হয় রুবেলের সঙ্গে।

রুবেল জানান, তার বাড়ি বাগাতিপাড়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী লালপুর উপজেলার কামারহাটি গ্রামে এবং দিনমজুর এনামুল হকের ছেলে। তিনি বাগাতিপাড়ার তকিনগর গ্রামে স্থানীয় আবুল কালামের বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করছেন। অভাব অনটনের কারণে মাঠে শ্রমিকের কাজ করতে হয় তাকে। আর তা থেকে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পড়ালেখা করেন তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563616571411.jpg

জানা গেছে, একই প্রতিষ্ঠান থেকে কারিগরি শাখার কম্পিউটার ট্রেডে এসএসসি পরীক্ষাও জিপিএ ৫ পেয়েছিলেন রুবেল। এবার কারিগরি বিএম শাখার হিসাবরক্ষণ ট্রেড থেকে জিপিএ ৫ পেলেন তিনি।

রুবেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অথবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে অনার্স পড়তে চান। কিন্তু টাকার অভাবে ভর্তির জন্যও কোনো কোচিং করতে পারছেন না।

এদিকে দিনমজুর বাবা এনামুল হকের একার পক্ষে সংসারের খরচের পাশাপাশি ছোট বোন ইমা খাতুন ও রুবেলের পড়া-লেখার খরচ জোগাড় করা একেবারেই অসম্ভব।

তবে কী অভাবের কাছে হার মানবে রুবেলের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা? এমন প্রশ্ন তার মা সাবিনা বেগমের।

তিনি বলেন, ‘ছেলে ভালো ছাত্র। নিজের চেষ্টায় এ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। এখন উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য মানুষের হলুদের ক্ষেতে কাজ করছে। কিন্তু সেই টাকায় কী বাইরে গিয়ে পড়াশোনা করা সম্ভব। আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তবে কেউ সাহায্য করলে ছেলের স্বপ্ন হয়তো পূরণ হতো। বিভিন্ন জায়গায় ভর্তির পরীক্ষাগুলো দিতে পারত।’

নাটোরের বাগাতিপাড়ার তকিনগর আইডিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের হিসাবরক্ষণ ট্রেডের শিক্ষক রেজাউল করিম জানান, রুবেল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। সুযোগ পেলে জীবনে অনেক বড় কিছু করতে পারবে সে।

মাছই হবে প্রধান রফতানি সম্পদ: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মাছই হবে প্রধান রফতানি সম্পদ: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
নেত্রকোনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন, মাছে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। তবুও মৎস্য উৎপাদন আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। মৎস্য আমাদের প্রধান রফতানি সম্পদ হবে।

শনিবার (২০) দুপুরে নেত্রকোনায় ‘স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি’র মৎস্য খামারে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষের প্রতিদিন ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদা রয়েছে। আর বর্তমানে মাছ মজুদ আছে জনপ্রতি সাড়ে ৬২ গ্রাম। মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

Netrokona

আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকারিভাবে উন্মুক্ত নদী, হাওর ও বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়ে থাকে। কিন্তু সেসব পোনা কারেন্ট জাল ও মশারি জালের মাধ্যমে নিধন করা হচ্ছে, যা আইনগতভাবে অপরাধ। এভাবে মাছ না ধরতে এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানাই।

কারেন্ট ও মশারি জাল দেখলেই ধরে পুলিশকে খবর দিতে স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী।

আলোচনা সভায় ‘স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মতীন্দ্র সরকারের সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুন্নেছা আশরাফ দীনা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আল মজিদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীলিপ সাহা প্রমুখ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র