Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফেরি সঙ্কটে ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ঘাটে

ফেরি সঙ্কটে ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ঘাটে
পাটুরিয়ায় ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় ট্রাকের দীর্ঘ সারি
খন্দকার সুজন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মানিকগঞ্জ


  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীতে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুট। ফেরি সঙ্কট ও পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ভোগান্তি বাড়ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। তবে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নৌরুট পারাপার করায় দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রাক চালকেরা।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি। এছাড়াও পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকার ট্রাক টার্মিনাল দুটিও ভরপুর রয়েছে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলগামী ট্রাকে।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের বাণিজ্য বিভাগের প্রান্তিক সহকারী আমীর হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, নৌরুটে ছোট বড় মিলে ২০টি ফেরি থাকলেও যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করছে ছোট বড় মিলে ১৪টি ফেরি। বাকিগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে চারটি ও পাটুরিয়া ঘাটে একটি ফেরি মেরামতে রয়েছে। অপর একটি ফেরি রয়েছে মাওয়া ঘাটে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562903142990.jpg
এ কারণে যানবাহন পারাপারে ভোগান্তি হচ্ছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি নৌরুট পারাপার করা হচ্ছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। একই সুবিধা পাচ্ছে জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক। এই জন্য অধিক ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক চালকেরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিআইডব্লিউটিসি'র এক কর্মকর্তা জানান, বড় একটি ফেরি দিন রাত মিলে ৮টি ট্রিপ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে ৮টি ট্রিপে অনায়াসে শতাধিক বাস নৌরুট পার করা যায়। ট্রাক হলে আরও বেশি লোড নেওয়া যায়। অর্থাৎ বড় একটি ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারলে দিনরাতে দুই ঘাট মিলে দুই শতাধিক যানবাহন পারাপার করতে পারে। কিন্তু ফেরি সংকট থাকলে সেক্ষেত্রে আর কিছু করার থাকে না বলেও জানান তিনি।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দায়িত্বরত সার্জেন্ট আলী আকবর হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে। তবে বাস ও ছোট গাড়ির অপেক্ষামাণ কোন সারি নেই। বিকেলের মধ্যে ট্রাক পারাপার সম্পন্ন হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

আ’লীগ নেতা হত্যা: রোয়াংছড়িতে চলছে আধাবেলা হরতাল

আ’লীগ নেতা হত্যা: রোয়াংছড়িতে চলছে আধাবেলা হরতাল
রোয়াংছড়িতে চলছে অধাবেলা হরতাল, পুরনো ছবি

বান্দরবানের তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে হত্যার প্রতিবাদে রোয়াংছড়ি উপজেলায় আধাবেলা হরতাল কর্মসূচি পালন করছেন দলের নেতকর্মীরা।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়। এতে বান্দরবান-রোয়াংছড়ি উপজেলা সড়কসহ অভ্যন্তরীণ সবগুলো রুটে সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাসস্ট্যান্ড ছেড়ে যায়নি যাত্রীবাহী কোনো বাসও। বন্ধ রয়েছে বাস কাউন্টারগুলোও। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে।

এছাড়া খুলেনি রোয়াংছড়ি বাজারসহ আশপাশের হাট-বাজারগুলোতে কোনো দোকানপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

এদিকে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আধাবেলা হরতাল কর্মসূচি চলবে। হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে রাস্তায় নেমেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।’

উল্লেখ্য, সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান জেলা সদরে আসার পথে রোয়াংছড়ি-বান্দরবান সড়কের শামুকছড়ি এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা মংমং থোয়াই মারমাকে টার্গেট করে ১৫ রাউন্ড গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় পড়ে যান তিনি। এ সময় সন্ত্রাসীরা মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও ৫ রাউন্ড গুলি করে তাকে হত্যা করে।

মেহেরপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিনিময়, নিহত ১

মেহেরপুরে দু’দল মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিনিময়, নিহত ১
হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয় নিহতের মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভিপুর গ্রামে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে হামিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাত ৩টার দিকে গোভিপুর গ্রামের মাথাভাঙ্গা মোড় নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদুল ইসলাম সদর উপজেলার বুড়িপোতা গ্রামের আরোজ আলীর ছেলে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খান জানান, রাত ৩টার দিকে গোভিপুর গ্রামে দুই দল মাদক ব্যবসায়ী মধ্যে গুলিবিনিময় হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে গুলিবিদ্ধ একজনের মরদেহ পাওয়া যায়। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, দুই রাউন্ড গুলি ও ১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

মাদক ব্যবসার বিরোধ নিয়ে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র