Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে বাস চলাচল বন্ধ

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে বাস চলাচল বন্ধ
মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে বাস চলাচল বন্ধ
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মেহেরপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

বাস মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে মেহেরপুর জেলার অংশে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে মেহেরপুর জেলা বাস মালিক সমিতির কোন বাস চলাচল করছে না। অপরদিকে ধর্মঘটের কারণে কুষ্টিয়া থেকে কোন বাস মেহেরপুর জেলায় আসছে না।

এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। শ্যালো ইঞ্জিনচালিত বিভিন্ন প্রকার অবৈধ যানবাহনই এখন যাত্রীদের একমাত্র ভরসা।

মেহেরপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান বলেন, আন্তঃজেলার সকল রুটে টানা ৩৬ দিন বাস বাস চলাচলের পর ৪৬ দিন বাস বন্ধ রাখতে হয়। এ সময় কোন কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হয় শ্রমিকদের। বন্ধের সময়সীমা কমাতে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে প্রতিটি বাস দিনে দু’বার চলাচলের পরিবর্তে একবার চালানোর দাবি আমাদের। মালিকপক্ষ দাবি না মানায় বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের এ দাবির প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাস চলাচলে ভাটা পড়ে। মেহেরপুর কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে দুই জেলার মালিকদের বাস চলাচল করে থাকে। শ্রমিকদের অঘোষিত ধর্মঘটের কারণে কুষ্টিয়া বাস মালিক সমিতির বাসগুলো মেহেরপুর জেলার সীমান্তে প্রবেশ করছে না। মেহেরপুর জেলার সীমান্ত খলিসাকুন্ডি পর্যন্ত চলাচল করছে কুষ্টিয়া বাস মালিক সমিতির বাসগুলো। এতে মেহেরপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী যাত্রীরা শ্যালো ইঞ্জিনচালিত অবৈধ বিভিন্ন যানে খলিসাকুন্ডি পর্যন্ত চলাচল করছেন।

এদিকে বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল জানান, শ্রমিকদের এ দাবি আগেও মানা হয়েছিল। পরবর্তীতে শ্রমিকরাই তা পরিবর্তন করেছে। মালিকদের সাথে না বসেই শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

বাস মালিক-শ্রমিক উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলে জানান মেহেরপুর ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন :

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলী হায়দার (৫০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে নিহতের স্বজনেরা বেসরকারি মাতৃছায়া হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

নিহত হায়দার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Lakshmipur-Clash

নিহতের স্বজনেরা জানান, উপজেলার মরকম আলী সর্দার বাড়ির সামনের দোকানে চা পান করছিলেন আলী হায়দার। এসময় হঠাৎ মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন রোগীকে দেখে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুরের মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। সেখানে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা মরদেহ নিয়ে রায়পুরের মাতৃছায়া হাসপাতালে দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এসময় নিহতের ছেলে সোহেল মাহমুদের হাত গ্লাসে কাটা পড়ে রক্তক্ষরণ হয় । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের এক স্বজন মো. হারুন বলেন, স্ট্রোকের রোগীকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা দেওয়ায় আলী হায়দার মারা গেছে।

Lakshmipur-Clash

এ ব্যাপারে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী বলেন, ডায়রিয়ার রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়। রাতে হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ১০-১৫ জন লোক এসে হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা মামলা করবে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া জানান, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু
বন্যার পানি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তামিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের খলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু তামিম খলা গ্রামে সাইকুল মিয়ার ছেলে। এ উপজেলায় এর আগেও বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

নিহত শিশুর পারিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার বিকালের দিকে ঘর সংলগ্ন জমে থাকা বন্যার পানিতে পরিবারের সদস্যের অজান্তে পড়ে যায় তামিম। পরে পরিবারের লোকজন পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র