Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বান্দরবানে ত্রিশ হাজার মানুষ পানিবন্দী

বান্দরবানে ত্রিশ হাজার মানুষ পানিবন্দী
অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে সাতটি উপজেলায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। ছবিটি জেলা শহরের মধ্যমপাড়া এলাকা থেকে তোলা।
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বান্দরবান


  • Font increase
  • Font Decrease

অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে সাতটি উপজেলায় প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রধান সড়ক প্লাবিত হওয়ায় গত ৪ দিনেও চালু হয়নি বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা। রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা, আলীকদম উপজেলার সঙ্গে অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় একের পর সড়ক ও গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। শুক্রবার (১২ জুলাই) সকালেও বান্দরবানে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, গত শনিবার থেকে বান্দরবানে অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান সদর, রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি, লামা, আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েন। উপজেলা এবং পৌরসভার বেশিরভাগ সড়ক প্লাবিত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/12/1562899026864.jpg
বন্যার পানিতে প্রধান সড়কের বাজালিয়া, দস্তিরদাহাট, বরদুয়ারা নামে তিনটি স্থানে সড়ক প্লাবিত হওয়ায় চারদিনেও চালু হয়নি সারাদেশের সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। চারদিন ধরে প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বান্দরবানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট দেখা দিয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে মন্দা ভাব।

জেলার সাতটি উপজেলায় ১২৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন হাজারো পানিবন্দী মানুষ। অবিরাম বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কাও বাড়ছে। পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করেছে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলী হায়দার (৫০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ এনে নিহতের স্বজনেরা বেসরকারি মাতৃছায়া হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

সোমবার (২২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন তারা।

নিহত হায়দার রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

Lakshmipur-Clash

নিহতের স্বজনেরা জানান, উপজেলার মরকম আলী সর্দার বাড়ির সামনের দোকানে চা পান করছিলেন আলী হায়দার। এসময় হঠাৎ মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন রোগীকে দেখে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বলে চিকিৎসা দেয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চাঁদপুরের মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। সেখানে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনরা মরদেহ নিয়ে রায়পুরের মাতৃছায়া হাসপাতালে দরজা, জানালার গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। এসময় নিহতের ছেলে সোহেল মাহমুদের হাত গ্লাসে কাটা পড়ে রক্তক্ষরণ হয় । পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের এক স্বজন মো. হারুন বলেন, স্ট্রোকের রোগীকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা দেওয়ায় আলী হায়দার মারা গেছে।

Lakshmipur-Clash

এ ব্যাপারে রায়পুর মাতৃছায়া হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা তুহিন চৌধুরী বলেন, ডায়রিয়ার রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে মতলব ডায়রিয়া নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়। রাতে হঠাৎ অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ১০-১৫ জন লোক এসে হাসপাতাল ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা মামলা করবে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোতা মিয়া জানান, ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ এনে স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন । খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনায় বন্যার পানিতে শিশুর মৃত্যু
বন্যার পানি, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে তামিম (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) বিকালে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের খলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু তামিম খলা গ্রামে সাইকুল মিয়ার ছেলে। এ উপজেলায় এর আগেও বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

নিহত শিশুর পারিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সোমবার বিকালের দিকে ঘর সংলগ্ন জমে থাকা বন্যার পানিতে পরিবারের সদস্যের অজান্তে পড়ে যায় তামিম। পরে পরিবারের লোকজন পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিমের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র