Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে বাঁচলো অপহৃত স্কুলছাত্রী

মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে বাঁচলো অপহৃত স্কুলছাত্রী
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রাজশাহী


  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুর থেকে অপহৃত এক স্কুলছাত্রীকে রাজশাহীতে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টা দিকে রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। একটি মাইক্রোবাসে করে তিনজনকে অপহরণ করা হলেও সে গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। অপর দুইজনকে মাইক্রোবাসটি নিয়ে পালিয়ে যায় বলে ওই স্কুলছাত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন।

উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রীর নাম মিতা আক্তার বর্ষা (১৪)। সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শান্তিনগর গ্রামের মতিউর রহমানের মেয়ে। সে স্কুল ড্রেস পরিহিত রয়েছে। অন্য দুইজনের নাম মেঘলা ও জুথি। তারাও একই এলাকার বাসিন্দা এবং মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।

রাজশাহীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাত হোসেন খান উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রীর বরাত দিয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে জানান, বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে তিন স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। তাদেরকে অচেতন করে রাখা হয়েছিল। মাইক্রোবাসে তাদেরকে রাজশাহীর দিকে নিয়ে আসা হচ্ছিল। নগরীর তালাইমারী এলাকায় মাইক্রোবাসটি থামানো হয়। এসময় চেতনা ফিরে পান বর্ষা। কৌশলে মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে পড়ে পাশের শাওন ফার্মেসীতে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে ঘটনা খুলে বলে। এরপর মাইক্রোবাসটি সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ফার্মেসীর মালিক মতিহার থানায় খবর দিয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, রাত ১০টা পর্যন্ত অপহৃত অন্য দু’জনকে উদ্ধার করা যায়নি। তবে মাইক্রোবাসের বর্ণনা দিয়ে পুলিশকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী ও এর আশেপাশের জেলার পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। সবাই সতর্ক রয়েছে, আশা করি দ্রুত বাকি দুই জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

চামড়া বিক্রির অনিশ্চয়তায় ব্লু পদ্ধতি চান আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা

চামড়া বিক্রির অনিশ্চয়তায় ব্লু পদ্ধতি চান আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা
নাটোরের মোকামে চামড়ার স্তুপ

চামড়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম নাটোর মোকামের দুই শতাধিক আড়তদার। ঈদের পর থেকে এই মোকামে আসা চামড়া কিনছেন আড়তদাররা। অথচ চামড়া বিক্রির কোনো লক্ষণ নেই। ঈদের এক সপ্তাহ পর থেকেই জমে ওঠা এই বাজারে এবার নেই বড় লটে চামড়া বিক্রির আমেজ। দু-একজন ব্যবসায়ী ছাড়া প্রায় সকলেরই কেনা চামড়া অবিক্রিত রয়েছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, একমাত্র ওয়েট ব্লু পদ্ধতিই চামড়ার সব অনিশ্চয়তা দূরীকরণের একমাত্র সমাধান। বাতিলকৃত এই ওয়েট ব্লু পদ্ধতি পুনরায় চালু করলেই নায্য দাম পাবে চামড়া ব্যবসায় জড়িত সব পক্ষের। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566467408464.jpg

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) চকবৈদ্যনাথ মোকামে সাপ্তাহিক চামড়ার হাট ঘুরে দেখা যায়, নাটোরসহ আশেপাশের জেলাগুলো থেকে কাঁচা চামড়া আসা অব্যাহত রয়েছে। মোকামের আড়তদাররা জানান, চামড়া আসা অব্যাহত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনও ট্যানারি মালিক বা তাদের প্রতিনিধি চামড়া কিনতে আসেননি। ঈদের দিন থেকে প্রতিযোগিতা করে মোটামুটি সকল আড়তেই চামড়া কেনাবেচা হয়েছে। অথচ বর্তমানে গরুর চামড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা বর্গফুট এবং খাসির চামড়া ২০ থেকে ২৫ টাকা বর্গফুট হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। তখন খুব কম লাভ হলেও বর্তমানে বিক্রি কমে যাওয়ায় লোকসানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই সাথে ট্যানারির মালিকরা না আসায় বিক্রি কমে যাওয়ায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

নাটোরের বেশ কয়েকজন চামড়া ব্যবসায়ী জানান, চার দশক আগেও তারা চামড়া বিক্রি করে নায্য দাম পেয়েছেন। তখন ব্লু পদ্ধতিতে চামড়া বিদেশে রফতানি করা হতো। কাঁচা চামড়ার মাংসপৃষ্ঠে লবণ ও পশমপৃষ্ঠে চুন মাখিয়ে ৪ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত চামড়া পচনের হাত থেকে রক্ষা করা যেত। কিন্তু ১৯৯০ সাল থেকে সরকার ব্লু চামড়া রফতানি বন্ধ করে দিলে বিদেশি ক্রেতা ও দেশি বিক্রেতা জিম্মি হয় পড়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের ওপর। তখন থেকেই অনিশ্চয়তা ভর করেছে এক সময়ের সম্ভাবনাময় এ শিল্পপণ্যের উপর।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/22/1566467423097.jpg

সিংড়ার পুটিমারী গ্রামের মুক্তার আলী জানান, তারা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে ২৭ পিস গরুর চামড়া ও ৩০ থেকে ৬০ টাকা দরে ৮২ পিস খাসির চামড়া কিনেছিলেন ঈদের দিন। প্রায় ১০ দিন নিজস্ব প্রক্রিয়ায় প্রক্রিয়াজাত করে আজ নাটোর মোকামে এসে ৪৫০টাকা দরে গরুর চামড়া এবং ৩০ থেকে  ৩৫ টাকা দরে খাসির চামড়ার বিক্রি করেছেন।

মৌসুমী ব্যবসায়ী ফরিদ বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, চামড়ার এত কম দাম কোনো সময় দেখিনি। ট্যানারি ও আড়তদাররা সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমিয়েছে। তাদের কাছে সবাই এখন জিম্মি। এ পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকারের উচিত ওয়েট ব্লুর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা।

জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সহ-সভাপতি হাজী লুৎফর রহমান জানান,  দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চামড়া আসা শুরু হয়েছে। মোকামের প্রত্যেক ঘরে ঘরে চামড়া জমে স্তুপ হয়ে রয়েছে অথচ এখনো কোন ক্রেতা নেই। ক্রেতা কমে যাওয়ায় কেনা চামড়া নিয়ে শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। ব্লু পদ্ধতি চালু হলে চামড়া শিল্প ঘুরে দাঁড়াবে।

ব্যবসায়ী গ্রুপের উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম বলেন, যেহেতু আমরা লাভের আশায় ব্যবসা করি তাই সরকারেরও উচিত আমাদের বাঁচিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে ব্লু যদি কার্যকর সমাধান হয় তবে সরকারের উচিত পদ্ধতিটি পুনবির্বচনা করে চালু করা। 

মানিকগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

মানিকগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার মৌহালী এলাকায় বজ্রপাতের আঘাতে মঙ্গল চন্দ্র সরকার (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে মৌহালী এলাকার নিজ বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মঙ্গল চন্দ্র সরকার মৌহালী এলাকার লালু চন্দ্র সরকারের ছেলে।

মঙ্গল চন্দ্র সরকারের ছেলে কার্তিক চন্দ্র সরকার বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে
জানান, দুপুরে কৃষি জমিতে কাজ শেষে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে গুরুতরভাবে আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র