Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

খাগড়াছড়িতে পানিবন্দী সহস্রাধিক পরিবার

খাগড়াছড়িতে পানিবন্দী সহস্রাধিক পরিবার
ভারী বর্ষণের ফলে খাগড়াছড়িতে পানিবন্দী সহস্রাধিক পরিবার। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
খাগড়াছড়ি


  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়িতে ভারী বর্ষণের ফলে পাঁচটি এলাকা প্লাবিত হয়ে সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি।

বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে খাগড়াছড়ি শহরের গঞ্জপাড়া, মেহেদীবাগ, মুসলিমপাড়া, বটতলী ও কালাডেবা এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। এ সব এলাকার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে।

এ কারণে খাগড়াছড়ি জেলায় ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে পৌর শহরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

জানা গেছে, মহালছড়িতে সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ডুবে গেছে মহালছড়ি সরকারি কলেজও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562746729509.jpg

এদিকে খাগড়াছড়ি শহরের শালবাগান এলাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী অর্ধশতাধিক পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলছে পুরোদমে।

খাগড়াছড়িতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬.২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি ব্যাপক পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পাহাড় ধসে যুগেন্দ্র চাকমা (৪০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি দীঘিনালার বাবুছড়া ইউনিয়নের দুর্গম উল্টাছড়ি এলাকার সুবধন চাকমার ছেলে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পুরো জেলায় ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় ২শ মেট্রিক টন চাল ও দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ

টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সব কার্যক্রম বন্ধ
টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবির

কক্সবাজারের টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

নিরাপত্তাজনিত কারণে আগামী রোববার (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে সকল ধরনের এনজিও ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টেকনাফের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কায় লেদা, জাদিমোর, শালবাগান ও নয়াপাড়া ক্যাম্পে কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুইদিন ধরে এ নির্দেশ চলমান থাকবে।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে অবরোধ

এদিকে, শনিবার ভোররাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহ ও মোহাম্মদ শুক্কুর। জাদিমোরা পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, টেকনাফের জাদিমোরা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুককে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ১১ টার দিকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

নারায়ণগঞ্জে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি পোশাক কারখানার স্টাফ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১০ জন আহত হয়েছে। নিহত বাস চালক মেহেদীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি মারা যান। 

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের বার্মাশিল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে বাস চালক মেহেদীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রাস্তায় প্রায় আধা ঘণ্টা তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566628465553.jpg

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ-আদমজী-শিমরাইল সড়কের দুরন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস চাষাঢ়ার দিকে যাচ্ছিল আর বিপরীত দিক থেকে নীট কনসার্ন নামে পোশাক কারখানার বাস শিমরাইলের দিকে যাচ্ছিল। দুইটি বাস বার্মাশিল এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের চালক সহ অন্তত ১০জন আহত হয়। শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আহতদের ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ বাস দুটি রাস্তা থেকে সরিয়ে যানজট মুক্ত করে। স্থানীয়রা জানিয়েছে উভয় বাসের ১০জন যাত্রী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুরন্ত পরিবহনের চালক সহ আরো একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাৎক্ষনিক আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র