Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

মংলায় ট্রেন চালু ২০২২ সালে: রেলমন্ত্রী

মংলায় ট্রেন চালু ২০২২ সালে: রেলমন্ত্রী
মোংলা-খুলনা রেললাইন নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী, ছবি: বার্তা২৪
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বাগেরহাট


  • Font increase
  • Font Decrease

রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত রেললাইন স্থাপনের কাজ চলছে। কাজ শেষে ২০২২ সালে মংলা-খুলনা রেল চালু হবে। যাত্রী পরিবহনসহ মংলা বন্দরের মালামাল পরিবহন করা হবে এ রেলের মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) দুপুরে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের রেস্ট হাউস পারিজাতে খুলনার রেল বিভাগ ও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকের এসব কথা বলেন।

Rail Minister

মন্ত্রী জানান, উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় থেকে বাংলাবন্ধ হয়ে ভারতের শিলিগুড়ির সাথে এ রেল যোগাযোগ সরাসরি সংযুক্ত হবে। এর ফলে ভারত, নেপাল ও ভুটানে রেল পথে পণ্য পরিবহনের মধ্য দিয়ে মংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

Rail Minister

বৈঠকে খুলনা সিটি করপোরেশনের (খুসিক) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) আফসানা ইয়াসমিন, মংলা-খুলনা রেল প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আ. রহিম, মংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মংলা-খুলনা রেললাইন ও খুলনার রূপসা নদীর উপর নির্মিতব্য রেলসেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

আপনার মতামত লিখুন :

উখিয়ায় অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

উখিয়ায় অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৫ আগস্ট) ভোরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাটোয়ার টেক এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনছুর বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তার নাম পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। পরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।

আস্থাহীনতায় প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনীহা

আস্থাহীনতায় প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের অনীহা
কয়েকজন রোহিঙ্গা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে দুই দফা চেষ্টার পরও রোহিঙ্গারা তাদের ওপর আস্থা রাখতে রাজি নয়। তাই বার বার রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে দেওয়া শর্ত না মানলে তারা স্বদেশে ফিরবেন না বলে জানান নেতারা।

ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন বলছে, সম্প্রতি ৩ হাজার ৫৪০ রোহিঙ্গার তালিকা পাঠায় মিয়ানমার। এ তালিকা ধরে দ্বিতীয়বারের মত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার চালু করতে সব প্রস্তিুত নেয় বাংলাদেশ সরকার। গত ২২ আগস্ট ছিল সেই দিন। কিন্তু রোহিঙ্গাদের শর্তের মুখে তা হয়ে ওঠেনি।

মিয়ানমারের পাঠানো তালিকার রোহিঙ্গা রয়েছেন টেকনাফের শালবন রোহিঙ্গা শিবিরের ২৬ নম্বর ক্যাম্পে। এখনো রোহিঙ্গাদের মতামত নিচ্ছেন ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন ও ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিরা। এসব প্রতিনিধিকে ‘শর্ত না মানলে যাবেন না’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াছ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, গত বৈঠকে আমাদের সঙ্গে আরও আলোচনা করার কথা দেন মিয়ানমার প্রতিনিধিরা। কিন্তু তারা সে কথা না রেখে হঠাৎ প্রত্যাবাসনের ঘোষণা দেন। এটি তাদের নতুন চক্রান্ত। তাই আমরা মিয়ানমারের ওপর আস্থা রাখতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক অধিকার, আমরা নিরাপত্তাসহ যেসব শর্ত দিয়েছি, সেগুলো না মানলে কখনো মিয়ানমারে ফিরব না। মিয়ানমার আমাদের চিহ্নিত করেছে, ঠিক আছে। কিন্তু শর্তগুলো না মানলে ফেরা অসম্ভব বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছি।

শালবন ক্যাম্পের ডি-২’র বাসিন্দা আবু ছিদ্দিক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আমরা সেই পুরনো দাবিগুলো তুলে ধরেছি। নাগরিত্ব ও মিয়ানমারের যে ১৩০ জাতি রয়েছে, তাদের মধ্যেও আমরা নেই। আমাদের দাবিগুলো পুরণ হলে ফিরব।

আরেক রোহিঙ্গা মো. সলিম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, দাবি না মানলে ফিরে যাওয়া কঠিন হবে। কারণ নিরাপত্তা ও নাগরিত্ব ছাড়া সেখানে গেলে আবার সহিংস হতে পারে মিয়ানমার। তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করে প্রত্যাবাসনের ঘোষণা দিয়েছে। এটা তাদের একটা চক্রান্ত।

s
কয়েকজন রোহিঙ্গা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

 

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, রোহিঙ্গারা যদি স্বেচ্ছায় যেতে রাজি হয়, তাহলে আমরা চূড়ান্ত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করব। তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছুই করব না আমরা। তাই তাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। কিন্তু রোহিঙ্গাদের শর্তের মুখে তা আর হয়ে ওঠেনি। পরে গত ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের সব প্রস্তুতি শেষ করে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু এবারও রোহিঙ্গাদের শর্তের মুখে আটকে যায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া।

জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন শুরু করে। ফলে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এ সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র