Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!

ঘুরে আসুন সাগরের তলদেশ থেকে!
পটকা জাতীয় সামুদ্রিক মাছ, ছবি: বার্তা২৪
মুহিববুল্লাহ মুহিব
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কক্সবাজার


  • Font increase
  • Font Decrease

চলার পথে চারপাশে ঘুরছে নানা প্রজাতির মাছ। যার মধ্যে হাঙর ও পিরানহাও আছে। এর মধ্য দিয়েই হেঁটে চলেছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদন দিতে সাগরের তলদেশের আদলে দেশে প্রথমবারের মতো গড়ে উঠেছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড, যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন করেছে নতুন মাত্রা। ফলে ছুটিতে যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন এই কৃত্রিম সাগর তলদেশ থেকে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ার প্রকৌশলীদের সহায়তায় কক্সবাজারে নির্মাণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের এই অ্যাকুরিয়াম। নির্মাণে সময় লেগেছে দুই বছর। ২০১৭ সালে এই অ্যাকুরিয়াম উদ্বোধন করা হয়। এটি শুধু কক্সবাজারের জন্য নয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বড় ভূমিকা রাখছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555737557.JPG

অ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগর থেকে নানান প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে অচেনা ও বিলুপ্তপ্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। এটা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, সাগরের জীববৈচিত্র ও প্রাণী সম্পর্কে জানার শিক্ষাকেন্দ্র বলেও মনে করেন পর্যটকরা।

সিলেট থেকে আসা আরিফুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আগে অনেকের মুখে এ অ্যাকুরিয়ামের কথা শুনেছি। কিন্তু আজ বাস্তবে দেখলাম। এখান থেকে জীববৈচিত্র ও নানান প্রজাতীর প্রাণি সম্পর্কে অনেক কিছু শেখার আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555757095.JPG

নড়াইল থেকে আসা মুরাদ হোসেন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘অ্যাকুরিয়ামে প্রবেশের সময়ই মনে হয়েছে গুহায় প্রবেশ করছি। কিন্তু ভেতরে আসার পর সেটা অনেকটা সাগরের তলদেশের মতো। উপরে নিচে পানি আর পানি। আর সেই পানিতে খেলা করছে নানান প্রজাতির মাছ।’

ঢাকা থেকে আসা আরিফা ইসলাম রাখি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘এক সঙ্গে এতো প্রজাতীর মাছ আমরা আগে কখনো দেখিনি। অ্যাকুরিয়ামটা আসলে খুবই সুন্দর। সাগরের তলদেশের আদলে তৈরি করায় সেখানে পাহাড় ও উঁচু-নিচু পথ আছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555773332.JPG

অ্যাকুরিয়ামে রাখা হয়েছে সামুদ্রিক শৈল মাছ, হাঙর, পিতম্বরী, আউস, শাপলা, পাতা, সাগর কুচিয়া, বোল, পানপাতা, পাংগাস, চেওয়া, কাছিম, কাঁকড়া, জেলি ফিসসহ অর্ধশতাধিক প্রজাতির মাছ। কিছু বিরল প্রজাতির মাছও এখানে রয়েছে।

কক্সবাজার রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান চৌধুরী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করছে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড। মাছও যে একটা বিনোদন উপাদন হতে পারে সেটা আমাদের দেশের মানুষের আগে জানা ছিল না। আশা করছি, সামনে দেশের পর্যটন শিল্পে এটা বড় অবদান রাখতে পারবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/26/1561555797532.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক আসেন। তবে যারা রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের কথা জানেন তারা এখানে আসেন। এখানে নিরাপত্তাসহ গাড়ি পার্কিংয়ের সু-ব্যবস্থা আছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

নুসরাত হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন অভিযুক্ত পপির চাচি

নুসরাত হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন অভিযুক্ত পপির চাচি
নুসরাত জাহান রাফি। ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার। তিনি আসামি উম্মে সুলতানা ওরফে পপির আপন চাচি।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে সাক্ষ্য দেন তিনি।

আদালতে মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘১৯ এপ্রিল পুলিশ পপিদের বাড়িতে যায়, আমি পুলিশকে দরজা খুলে দেই। এ সময় পুলিশের সঙ্গে পপিও ছিল। পপিদের ঘরের রুম দুইটি। পপি যে রুমে থাকত তাকে নিয়ে ওই রুমে যায় পুলিশ। ওই রুমে একটি নেভি ব্লু রঙয়ের বোরকা, পেস্ট কালারের ওড়না দেখিয়ে পুলিশ আমার কাছে জানতে চায় এগুলো কার? আমি বলি পপির বোরকা। পপি এই বোরকা পরে মাদরাসায় যেত। পরে আমি জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করি।’

নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার ১৯তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ ফেনীর লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফজলুল করিম, মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার, ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেন ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জাফর ইকবালের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

সেতু নির্মাণের এক মাসেই ফাটল, খসে পড়ছে পাথর-সিমেন্ট

সেতু নির্মাণের এক মাসেই ফাটল, খসে পড়ছে পাথর-সিমেন্ট
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

পাবনার চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রীদাস খালী-রাউৎকান্দি রাস্তার ওপর নির্মিত সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও এক মাস আগে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ওই সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়। ফাটল দেখা দেওয়ায় সেতুর রড ও রেলিং থেকে খসে পড়ছে পাথর ও সিমেন্ট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের কারণেই এমনটি হয়েছে। তবে ঠিকাদারের দাবি, কাজ শেষে দ্রুত মাটি ভরাট করায় কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কয়েকদিন আগে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুজ্জামান সেতুর ফাটলের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপরই বিষয়টি ভাইরাল হয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রিজ/কালভার্ট শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। যার ব্যয় ধরা হয় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৯ টাকা। ৩২ ফুট দৈর্ঘ্যের ওই সেতু নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাজেদা অ্যান্ড আতাহার। কিন্তু কাজটি সাব কন্ট্রাক্ট হিসেবে পাবনার চাটমোহরের স্থানীয় ঠিকাদার সিরাজুল ইসলামকে দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563881038833.jpg

জানা গেছে, নির্মাণের শুরুতে এলাকাবাসী নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তোলে। কিন্তু ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় অল্প দিনে কাজটি সম্পন্ন করা হয়। অথচ নির্মাণের একমাসের মাথায় সেতুর বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেয়। এছাড়া সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কে মাটি না দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে জানতে মূল ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে সাব কন্ট্রাক্টের ঠিকাদার সিরাজুল ইসলাম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘ইতোমধ্যেই পিআইওকে সঙ্গে নিয়ে সেতুটি দেখে এসেছি। পিআইও ঢাকার প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ ঠিক না।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুন মাসে ক্লোজিংয়ে বিল ছাড় করানোর জন্য তড়িঘড়ি করে মাটি ভরাট করা হয়। ফলে সেতুর কিছু স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয়রা ষড়যন্ত্র করে হাতুড়ি পিটিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে দিয়েছে। শিগগিরই ত্রুটিপূর্ণ অংশ মেরামত করে দেওয়া হবে।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএম শামীম এহসান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান, স্থানীয় ঠিকাদার ত্রুটিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র