Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জামানত হারাচ্ছেন সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থী

জামানত হারাচ্ছেন সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থী
সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
বগুড়া


  • Font increase
  • Font Decrease

সদ্য সমাপ্ত বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী জামানত হারাচ্ছেন বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপসহ পাঁচজন প্রার্থী। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

এরা হলেন- বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মনসুর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ এবং সৈয়দ কবির আহম্মেদ।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সোমবার (২৪ জুন) অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০। সে অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে প্রার্থীকে ১৬ হাজার ৭৩৩ ভোট পেতে হবে। পাঁচ জন প্রার্থীর কেউ সেই পরিমাণ ভোট পাননি।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম ওমর (লাঙল) নির্বাচন করে ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ২৭১ভোট। এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে নির্বাচন করে তিনি ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে জামানত ফেরত পেয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল শপথ না নেওয়ায় শূন্য ঘোষিত আসনে উপ-নির্বাচনে তিনি আবারও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন।

জামানত হারানো অপর চার প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (হারিকেন) পেয়েছেন ৫৫৪ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মনসুর রহমান (ডাব) পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ কবির আহম্মেদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে তিনি (ট্রাক) পেয়েছেন ৬৩০ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২০ ভোট।

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি ছাড়া অন্য প্রার্থীরা সব কেন্দ্রে নির্বাচনী এজেন্ট দিতে পারেনি। তবে এবারের নির্বাচনে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করায় স্মরণকালের শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। এ কারণে কোনো প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি।

আপনার মতামত লিখুন :

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই সন্তানসহ বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই ছেলেসহ বাবার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় হাফিজাবাদ ইউনিয়নে পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পানিমাছ পুকুরী মাহানপাড়া এলাকার আইজুদ্দীনের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৬৩) এবং তার দুই ছেলে নাজিরুল ইসলাম (৩৬) ও আশাদুল (২২)।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পাশে একটি খালে কারেন্ট জাল বসিয়েছিলেন নাজিরুল। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে যাওয়ায় জাল তুলতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এরপর নাজিরুলের ছোট ভাই আশাদুল তার বড় ভাই ও বাবাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ছেলেসহ বাবাকে আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু আক্কাস আহম্মেদ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে জানান' এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

রায়পুরায় ডাকাতের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

রায়পুরায় ডাকাতের গুলিতে গরু ব্যবসায়ী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২
নিহত গরু ব্যবসায়ীর মরদেহ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নরসিংদীর রায়পুরার ডাকাতের গুলিতে মোন্তাজ উদ্দিন ( ৪০) নামে এক গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছের আরও দুই গরু ব্যবসায়ী।

শনিবার (২০ জুলাই) রাতে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নে চংপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠানো হয়।

নিহত মোন্তাজ উদ্দিন রায়পুরার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের সাধু মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন চরসুবুদ্ধি গ্রামের আসাদ মিয়া (৩০) ও রায়পুরায় বাহেরচর গ্রামের মানিক (৩৫)।

রায়পুরা থানা পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সলিমগঞ্জ বাজারের সাপ্তাহিক গুরুর হাট বসে। হাটে রায়পুরার নিলক্ষাসহ বিভিন্ন উপজেলার গরু ব্যবসায়ীরা গরু নিয়ে সলিমগঞ্জ বাজারে যায়। হাটে বেচাকেনা শেষে শনিবার রাতে গরু ব্যবসায়ীরা নৌকা যোগে নিলক্ষা আসছিলেন।

ব্যবসায়ীদের নৌকাটি নিলক্ষায় চরমধুয়া এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে একটি স্পিডবোট নিয়ে ডাকাতরা তাদের ধাওয়া করেন। ওই সময় তারা জীবন বাঁচাতে নিলক্ষার চংপাড়া এলাকায় নৌকা ভিড়িয়ে নামার চেষ্টা করে। এ সময় ডাকাতরা ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ডাকাতের ছোড়া গুলি গরু ব্যবসায়ী মোন্তাজ উদ্দিনের মাথায় বিদ্ধ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে চরসুবুদ্ধি গ্রামের আসাদ মিয়া ও রায়পুরায় বাহেরচর গ্রামের মানিক মিয়া নামে আরও দুই গরু ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। এ সময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ডাকাতদের ধাওয়া করে। পরে ডাকাতদল পালিয়ে যায়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মহসিনুল কাদির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ডাকাতদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় পাঠায়।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র