Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গৌরীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর নাজিম উদ্দিন

গৌরীপুর পৌরসভার কাউন্সিলর নাজিম উদ্দিন
নাজিম উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)


  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মো. নাজিম উদ্দিন পাঞ্জাবি প্রতীকে ৫৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রফিকুল ইসলাম পানির বোতল প্রতীকে ৪৯৮ ভোট পেয়েছেন।

কাউন্সিলর পদে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মো. ছাবেদ আলী টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে ২৩১ ভোট, মো. অলি উল্লাহ উটপাখি প্রতীকে ২০০ ভোট, মো. সেলিম ডালিম প্রতীকে ৬৫ ভোট, মো. সামাল ব্ল্যাকবোর্ড প্রতীকে ৪২ ভোট, মো. আবু সুফিয়ান ব্রিজ প্রতীকে ৫ ভোট পেয়েছেন।

ভোট গণনা শেষে সোমবার (২৪ জুন) রাতে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সজল চন্দ্র সরকার ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার কমল কুমার রায় জানান, নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২১৯৪ জন।

প্রসঙ্গত, গৌরীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন খান। চলতি বছরের ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত গৌরীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণ করতে কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এতে ৭ নাম্বার ওয়ার্ডটি শূন্য হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা

শিবিরে অপরাধ বন্ধে তৎপর রোহিঙ্গা নেতারা
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প/ ফাইল ছবি

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর রয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। শিবিরে নানা অপরাধ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতারা ইতোমধ্যে স্বোচ্ছার হয়েছেন।

শনিবার (২০ জুলাই) দুপুরে টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ অপরাধ বন্ধে এক সভার আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরের নেতাদের স্ব-উদ্যোগে ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে এই সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় উপস্থিত রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে তৎপর থাকার আহ্বান জানান লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলম।

সভা শেষে বিকালে মো. আলমের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা নেতারা শিবিরের ইয়াবা মজুদের খবরে বি-ব্লকের ছালেহ আহমদ, মো. সেলিম, খালেদা ও জহুরার বাড়িতে তল্লাশি চালান। এ সময় পাচারের জন্য তৈরি করা ইয়াবার প্যাকেটসহ এক নারীকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় মো. আলম জানান, শিবিরে অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। শিবিরে ইয়াবা ও মানব পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ বন্ধে সবাই একই সঙ্গে কাজ করছে। তারই সূত্র ধরে শনিবার বিকালে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মো. আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জায়গা দিয়ে কি অপরাধ করেছে? যদি তা না হয় গুটি কয়েক রোহিঙ্গা অপরাধীদের জন্য গোটা রোহিঙ্গারা বদনামের ভাগ নেবে না। এখন থেকে রোহিঙ্গা শিবিরে কাউকে অপরাধ কর্মকাণ্ড করতে দেওয়া হবে না। ইয়াবায় আসক্ত রোধে বিশেষ করে পরিবারের লোকজনকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী এদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবন যাপন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধ প্রবণতা বন্ধে রাত ৮টার পর লোকজন শিবিরে ঘোরাফেরা করতে পারবে না। শিবিরের ছয়টি ব্লকে তিন হাজার পরিবারের প্রায় ২২ হাজার লোকের বসতি। তাদের জন্য প্রায় ৬০ জনের মতো প্রহরী রয়েছে। তার মধ্যে বিশেষ জরুরি ভিত্তিতে ৩০ জন প্রহরী দায়িত্ব পালন করেন।’

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার

বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার
লাইনে দাঁড়িয়ে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করছেন বন্যা কবলিত জনগণ, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

বন্যায় গাইবান্ধা জেলার প্রায় চার লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের টিউবয়েলগুলো পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ফলে বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। বিশুদ্ধ পানির জন্য তাদের মধ্যে শুরু হয়েছে হাহাকার।

ডেভিট কোম্পানিপাড়ার বাসিন্দা স্বপন মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘এমনিতে আমাদের অন্নের সঙ্কট, সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব।’

এদিকে দূষিত পানির কারণে কারো যাতে ডায়রিয়া বা অন্য কোনো পানিবাহিত রোগ না হয়, সে জন্য কাজ করে যাচ্ছে ‘এভারগ্রিন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ও ভলান্টিয়াররা প্লাবিত এলাকার মানুষদের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। শুধু পানিই নয়, তারা দিচ্ছেন পানি বিশুদ্ধ করণ ট্যাবলেট, খাবার স্যালাইন, কার্বলিক এসিড, অ্যামোডিস ও প্যারাসিটামলসহ বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী।

এরই মধ্যে জেলার গোদারহাট, পুলবন্দি, ফারাজিপাড়া ও কোটিপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় এক হাজার ৩০০ পরিবারের মধ্যে এসব বিতরণ করেছে সংগঠনটি।

গাইবান্ধা শাখার এ সংগঠনের সমন্বয়ক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দাতদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং সংগঠনের অর্থ সমন্বয় করে বন্যা কবলিত মানুষের মধ্যে নিরাপদ পানিসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করে আসছি। দানশীল মানুষরা সহযোগিতা করলে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র