Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

কুষ্টিয়ায় মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ায় মাদক কারবারির যাবজ্জীবন
ছবি প্রতীকী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
কুষ্টিয়া


  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক মামলায় জিয়াউর রহমান জিয়া নামে একজনের যাবজ্জীবন এবং অপর দুইজনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৩ জুন) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মাদক কারবারি জিয়াউর রহমান জিয়া দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা চামনাই গ্রামের মৃত শুকচাঁদ মণ্ডলের ছেলে।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন- একই এলাকার মৃত যাদু মণ্ডলের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও একই উপজেলার সোনাইকুন্ডি গ্রামের মৃত সিফাত মণ্ডলের ছেলে সাজ্জাত মণ্ডল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা চামনাই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় হেরোইনসহ আব্দুর রাজ্জাক, জিয়াউর রহমান জিয়া ও সাজ্জাত মণ্ডলকে আটক করে তারা।

জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন সীমান্ত থেকে আব্দুর রাজ্জাক ও সাজ্জাত হেরোইন এনে জিয়াকে দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিদর্শক তারেক মাহমুদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। 

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও বাকি দুই আসামিকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি

গুড়ায় গভীর রাতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও-ওসি
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গভীর রাতে বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টায় এই দুই কর্মকর্তা হাজির হন মির্জাপুর ইউনিয়নের মাড়র খোলা গ্রামের আকিমুদ্দিনের বাড়িতে। কেননা সেখানে গভীর রাতে আয়োজন করা হয়েছিল নবম শ্রেনীর ছাত্রী আদরী খাতুনের (১৩)। বর পার্শ্ববর্তী ভাদরা গ্রামের মহসিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (১৬)।

বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কাজী সাহেব এমন সময় সেখানে হাজির হন ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ ও শেরপুর থানার ওসি হুমায়ুন কবীর।

তাদেরকে দেখে বাল্য বিয়ের প্রস্তুতি ভন্ডুল হয়ে যায় মুহুর্তের মধ্যে। এসময় মেয়ের বাবা আকিমুদ্দিন তার মেয়েকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না মর্মে অঙ্গীকার নামা দেন।

এছাড়া বরকে ১০ দিনের কারাদণ্ড এবং মেয়েকে আটকের পর বয়স বিবেচনা করে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ছেলের বাবা ও কাজী সাহেবের অর্থ দণ্ড করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও লিয়াকত আলী শেখ।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে ইশরাত (৪) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২১ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আকরতমা গ্রামের একটি মসজিদের পুকুর থেকে ডুবরিরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।

ইশরাত উপজেলার পানিয়ালা গ্রামের জলার বাড়ির ইমরান হোসেনের মেয়ে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ইশরাতের বাবা-মা স্বপরিবারে আকরতমা গ্রামে ভুলুয়া বাড়ির নিকটাত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বিকেলে সবার অগোচরে শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির পুুকুর ও আশপাশের এলাকায় খুঁজেও তাকে পায়নি। কোথাও না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে যায় পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে এর আগেই রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুরের ডুবরির দল প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে পুকুর থেকে ইশরাতের ডুবন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা থানায় জিডি করার জন্য এসেছিল। জিডি নথিভূক্ত করার আগেই ডুবরিরা পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র