Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেটে মেঘনার ভাঙন রোধে বরাদ্দের আকুতি

বাজেটে মেঘনার ভাঙন রোধে বরাদ্দের আকুতি
মেঘনার ভাঙন রোধে বরাদ্দের দাবিতে কমলনগরে ওলামা পরিষদের মানববন্ধন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
লক্ষ্মীপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় ২৭ বছর ধরে ভাঙছে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের মেঘনা উপকূল। ভয়াবহ ভাঙনে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদসহ হাজার হাজার কোটি টাকার স্থাপনা। বর্তমানে এই উপকূলীয় জনপদের ১৭ কিলোমিটার এলাকা ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। মেঘনার ভাঙন রোধে চলতি বাজেটে বরাদ্দ দেওয়ার আকুতি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মেঘনার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে বরাদ্দের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ওলামা পরিষদের উদ্যোগে হাজিরহাট বাজারে মানববন্ধন করেছে স্থানীয়রা।

কমলনগর উপজেলা ওলামা পরিষদের সভাপতি আবুল কাশেম আমিনীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কমিটির সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, হুসাইল আহমদ, মাইনুদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/20/1561031866996.jpg

বক্তারা বলেন, ১৯৯৩ সাল থেকে কমলনগরে মেঘনার ভাঙন শুরু হয়। এরপর থেকে ভাঙনে হারিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদসহ হাজার হাজার কোটি টাকার স্থাপনা। নিঃস্ব হয়ে গেছে হাজার হাজার মানুষ। ভাঙন থেকে জন্মভূমিকে রক্ষা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ অত্যন্ত জরুরি।

এজন্য চলতি বাজেটে কমলনগরে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা। তা না হলে বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে কমলনগর উপজেলাটি হারিয়ে যাবে বলেও জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী

৩৭ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন সেই মা মলি রাণী
পরীক্ষায় পাসের খুশিতে মা মলি রাণীকে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন ছেলে মৃন্ময় কুমার। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

বয়সের বাধাকে উপেক্ষা করে নাটোরের বাগাতিপাড়ার আলোচিত সেই মা মলি রাণী (৩৭) এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ ৩ দশমিক ৯৬ পেয়ে পাস করেন তিনি। এর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করে আলোচনায় আসেন তিনি।

চলতি বছর বাগাতিপাড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মলি রাণী। তিনি ওই কলেজের উদ্যোক্তা উন্নয়ন ট্রেডের ছাত্রী ছিলেন।

এদিকে ছেলে মৃন্ময় কুমার এসএসসি পাসের পর নাটোরের টিএমএস পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়ে বর্তমানে চতুর্থ সেমিস্টারে ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন।

এর আগে ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ছেলের চেয়ে ভালো ফলাফল করেন মা মলি রাণী। তিনি পেয়েছিলেন জিপিএ ৪ দশমিক ৫৩ এবং ছেলে মৃন্ময় কুমার পান জিপিএ ৪ দশমিক ৪৩ । সে সময় কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মলি বাগাতিপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ড্রেস মেকিং অ্যান্ড টেইলারিং ট্রেডের এবং ছেলে মৃন্ময় বাগাতিপাড়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।

উদ্যমী ওই নারী মলি রাণীকে নিয়ে ২০১৭ সালে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর আলোচনায় আসেন তিনি। সে সময় মলি রাণীর সাফল্যে তৎকালীন এমপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সদ্যপ্রয়াত বইপ্রেমী পলান সরকার তার বাড়িতে ছুটে আসেন। আর তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মা ও ছেলেকে ডিসি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপ উপহার দেন। উপজেলা প্রশাসন মা দিবসে সংবর্ধনা দেয় মলি রাণীকে। এরপর কলেজে ভর্তি হলে অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন আহম্মেদ বিনা খরচে মলি রাণীর পড়ালেখার দায়িত্ব নেন।

মলি রাণী জানান, যখন তিনি নবম শ্রেণির ছাত্রী, তখন তার বাবা বাগাতিপাড়া উপজেলার গালিমপুরের মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবব্রত কুমার মিন্টুর সঙ্গে বিয়ে দেন। তার বাবার বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার প্রসাদপুরে। বাবার নাম অসিত কুন্ডু। এরপর আর পড়ালেখা করার সুযোগ হয়নি। সংসারের চাপে পিষ্ট হয়ে গৃহিণীই রয়ে যান। এরই মধ্যে দুটি সন্তানের জন্ম দেন। বড় ছেলে মৃন্ময় কুমার এবং ছোট ছেলে পাপন। ছেলেদের পড়ালেখা করাতে গিয়ে তিনি অনুভব করেন তার নিজের পড়ালেখা জানা দরকার। সেই ভাবনা থেকেই স্কুলে ভর্তি হন মলি রাণী।

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ফাইল ছবি

লালমনিরহাটের ধরলা নদীর বন্যার পানিতে ডুবে ইশি মনি (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজারের পাশে ধরলা নদী থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।

শিশু ইশি মনি সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের ওয়াবদা বাজার এলাকার মজনু মিয়ার ছেলে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। ওই বন্যার পানি বাড়িতে ওঠায় শিশু ইশি মনিকে উঁচু স্থানে রেখে কাজ করছিল পরিবারের লোকজন। তবে সবার অজান্তে বন্যার পানিতে পড়ে ওই শিশুটির মৃত্যু হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র