Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফারুক হত্যা: সা‌বেক এম‌পি রানা‌কে আদালতে হা‌জির

ফারুক হত্যা: সা‌বেক এম‌পি রানা‌কে আদালতে হা‌জির
টাঙ্গাইলের আদালতে সা‌বেক এম‌পি রানা‌। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
টাঙ্গাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা মু‌ক্তি‌যোদ্ধা ফারুক আহ‌ম্মেদ হত্যা মামলায় সা‌বেক সাংসদ আমানুর রহমান‌ খান রানা‌কে আদাল‌তে হা‌জির করা হ‌য়ে‌ছে। সেই সঙ্গে এই মামলায় চি‌কিৎসকসহ দুইজ‌নের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হ‌য়ে‌ছে। এ নিয়ে এই মামলার মোট ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

বৃহস্প‌তিবার (২০ জুন) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রাশেদ কবিরের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

এর আগে বুধবার (১৯ জুন) এম‌পি রানা‌কে ঢাকার কা‌শিমপুর কারাগার থে‌কে টাঙ্গাইলে আনা হয়।

টাঙ্গাইলের কোর্ট প‌রিদর্শক তানভ‌ীর আহা‌ম্মেদ জানান, রাষ্ট্রপক্ষ থে‌কে দুই সাক্ষীকে হা‌জির করা হয়। এরা হ‌লেন- চি‌কিৎসক আশরাফ আলী এবং আব্দুল আওয়াল। দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শে‌ষে আসামি পক্ষ থে‌কে তা‌দের জেরা সম্পন্ন করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহম্মে‌দের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান‌ খান রানা‌ ও তার ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় আমানুর রহমান‌ খান রানা‌ ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

বন্যায় ভেঙেছে সড়ক, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

বন্যায় ভেঙেছে সড়ক, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
সড়ক ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা-বড়খাতার তালেব মোড়ের বাইপাস সড়কটি ভেঙে গেছে প্রায় দুই সপ্তাহেরও বেশি। অথচ এখনো পাকা রাস্তাটি মেরামত করা হয়নি। প্রতিদিন বাধ্য হয়ে হাঁটু পানিতে আবার কখনো কর্দমাক্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে ওই এলাকার শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে গত শনিবার (১২ জুলাই) মধ্যরাতে হাতীবান্ধা থেকে বড়খাতার বাইপাস সড়কের তালেব মোড় এলাকার পাকা সড়কটির বড় একটি অংশ ভেঙে যায়। এতে হাতীবান্ধা-বড়খাতা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ব্যাহত হচ্ছে এখানকার লোকজনের স্বাভাবিক কার্যক্রম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563796596308.JPG

সরেজমিনে দেখা যায়, হাতীবান্ধা-বাড়খাতা শহরের সঙ্গে একমাাত্র পাকা রাস্তাটির ৭০ ফিট ভেঙে গেছে। সড়ক যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এলাকার ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানিতে চলাচল করছে। বিকল্প না থাকায় এ পথেই যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নৌকা বা ভেলায় চলাচল করতে হচ্ছে।

সড়ক ভাঙন কবলিত এলাকার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইরিন, তাপস রায়, অনামিকা মীম, মিথিলা সরকার বলেন, আমাদেরকে হাঁটু পানিতে যেতে হলেও অনেকেকে কোমর পানিতে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় বই-খাতা ভিজে যায়। আমরা দ্রুত এই পাকা রাস্তাটি সংস্কারে দাবি জানাই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563796612549.jpg

গড্ডিমারী দ্বি-মুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যাালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এলজিডিকে জানানো হয়েছে। জানানোর পরও প্রকৌশল অধিদফতর থেকে এখনো রাস্তাটি সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়নি।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভেঙে যাওয়া তালেব মোড়ের পাকা রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করা হবে।

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে গুলি করে হত্যা/

বান্দরবানে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মংমং থোয়াই মারমাকে (৫০) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোয়াংছড়ি উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান জেলা সদরে আসার পথে রোয়াংছড়ি-বান্দরবান সড়কের শামুকছড়ি এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাকে ৫ রাউন্ড গুলি করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মংমং থোয়াই মারমার। সে তারাছা ইউনিয়নের বাসিন্দার মিক্যা জাই মারমার ছেলে।

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে সড়কের পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সদর হাসপাতালের চিকিৎসক চিংম্রাসা বলেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার সময় তার দেহে প্রাণ ছিলো না।

এদিকে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে ছুটে যান।

আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন নিয়ে রোয়াংছড়ি বাজারের একটি হলরুমে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে মোটরসাইকেল চালিয়ে ফেরার পথে ব্রাশ ফায়ার করে আওয়ামী লীগ নেতা মংমং থোয়াই মারমাকে হত্যা করা হয়েছে। সে তারাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র