Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

চাঁদপুরে বিরল প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার

চাঁদপুরে বিরল প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার
চাঁদপুরে তক্ষক ধরল শিশু, ছবি: সংগৃহীত
ডিস্ট্রিক করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
চাঁদপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় বিরল প্রজাতির এক তক্ষক উদ্ধার করেছে শহরাস্তি থানা প্রশাসন।

বুধবার (১৯ জুন) উপজেলার পৌর এলাকার নিজমেহার দাইমদ্দিন বাড়ির মো. মোশারফ হোসেনের ছেলে মো. ইব্রাহীম (১১) ও তার সহপাঠীদের থেকে তক্ষকটি উদ্ধার করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে হাবীবা মীরা বিষয়টি বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করে বলেন, 'শাহরাস্তি থানার এসআই সৈকত সহ কনস্টেবল নুর হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের উপস্থিতিতে তক্ষকটি উপজেলা সংলগ্ন গণজঙ্গলে অবমুক্ত করা হয়েছে। তক্ষকটি দেখতে টিকটিকির মতো হলেও আকারে বড়। এর গায়ে ফোঁটা ফোঁটা দাগ রয়েছে। এটি বিভিন্ন পোকা-মাকড় ও ছোট ছোট বিষাক্ত প্রাণি খেয়ে বেঁচে থাকে। তক্ষক আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই উপকারী।'

তিনি আরও জানান, শিশুদের কাছ থেকে এটি উদ্ধার করা হয়েছে। তারা এখনও শিশু বিধায় তাদেরকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব নয়। এ ধরনের ভুল আর হবে না মর্মে মো. ইব্রাহীমের (১১) বাবা মো. মোশারফ হোসেন পুলিশকে মুচলেকার দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

চা চারার দাম কম, লোকসানের আশঙ্কা

চা চারার দাম কম, লোকসানের আশঙ্কা
চারার পরিচর্যা করছেন এক চা চারা নার্সারির শ্রমিক, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চা চারার দাম কম হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন পঞ্চগড়ের চা নার্সারি মালিকরা। ফলে চরম হতাশায় দিন কাটছে তাদের।

জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ও বড় অনেক চা চারার নার্সারি গড়ে উঠেছে। চায়ের কুড়ি রোপণের ১১-১২ মাস পর বিক্রির উপযোগী হয় এসব চারা। নার্সারি করে অনেকই স্বাবলম্বী হলেও বর্তমানে দাম একেবারে কম। ফলে লাভতো দূরের কথা খরচের টাকাও উঠবে না বলে আশঙ্কা করছেন নার্সারি মালিকরা।

এদিকে টানা বৃষ্টিতে নার্সারিতে পানি প্রবেশ করায় বিপাকে পড়েছেন অনেকে। কারণ ইতোমধ্যে পানিতে চারার সমস্যা দেখা দিয়েছি।

জেলা চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়রে উৎপাদিত চার চাহিদা কম ও নিম্নমানের হওয়ায় চারা বিক্রির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কারণ চা পাতার দাম ২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমে ১৬ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে এসেছে। ফলে ক্ষুদ্র চা চাষিরা বিপাকে পড়েছেন।

চা চারার দাম কম, লোকসানের আশঙ্কা

এদিকে জেলার সদর উপজেলাধীন চাকলার হাট এলাকার সিদ্দিকী টি স্টেটের মালিক মিজানর সিদ্দিকী রঞ্জু বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'আমি চলতি মৌসুমে নার্সারিতে দুই লাখ চারা তৈরি করেছি। কিন্তু যে চারার দাম ছিল ৩০ টাকা ছিল, সেই চারা ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে অনেক লোকসানে পড়েছি।'

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের নার্সারি মালিক হায়দার আলী মোল্লা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'চা চারার দাম কমে যাওয়ায় আমরা চরম হতাশ। খরচের টাকা ওঠা নিয়েও আমরা শঙ্কায় আছি।'

এ বিষয়ে পঞ্চগড় চা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. শামীম আল মামুন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'চা চারার দামের বিষয়টি পুরোপুরি মুক্ত বাজারের ওপর নির্ভর করে। চায়ের দাম কম হওয়ায় প্রভাব পড়েছে চারা বিক্রির ওপর। তবে পঞ্চগড়ের নার্সারিতে উৎপাদিত চায়ের চারা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য জেলায়ও পাঠানো হয়।'

রাস্তায় তাদের রান্না ঘর!

রাস্তায় তাদের রান্না ঘর!
রাস্তায় সংসার পেতেছেন গাইবান্ধ্যার বন্যা কবলিত মানুষ/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

গাইবান্ধায় বন্যার পানি কমতে শুরু হলেও, কমছে না পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ। এখনো ঘরে ফিরতে পারে নি বানভাসি মানুষ। ফলে গৃহহারা পরিবারের গৃহিনীরা রাস্তার মধ্যে চুলা বসিয়ে রান্নার কাজ করছে।

জানা যায়, চলমান বন্যায় গাইবান্ধা জেলার পাঁচ লাখ মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ ১৮০টি আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করছে। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা না পেয়ে বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও বাঁধের উপরে বসবাস করছে।  এসব মানুষ মাথার উপর পলিথিন ও ট্রিপল টাঙ্গিয়ে দিন পার করছেন। আবার অনেকে খোলা আকাশের নিচে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। আকাশের কাল মেঘ জমলেই তাদের মধ্যে ভীতি বিরাজ করে। কারণ একটু বৃষ্টি হলেও তাদের ভিজে যাবে বিছানাপত্র।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797351450.jpg

 বন্যা কবলিত এসব মানুষের নেই কোনো বাসস্থান। খাবার ও চিকিৎসাসহ নানান কিছুর অভাবে ভুগছেন। কে, খাবার দিবে এমন সন্ধানে তারা ছুটাছুটি করছেন। এসব পরিবারের খেটে খাওয়া মানুষরা কোথাও শ্রম বিক্রি করতে পারছেন না। কারণ চারিদিকে থৈ থৈ পানি। কৃষকের ফসলের মাঠ ডুবে আছে পানির নিচে। ফলে কারো কেনো শ্রমিকের প্রয়োজন হচ্ছে না। এ জন্য দিনমজুর মানুষদের শ্রমের চাহিদা নেই। বন্যায় আশ্রিত মানুষদের মধ্যে অনেকে বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে ভিক্ষবৃত্তি শুরু করেছে। দিন শেষে যেটুকু পায়, সেই টুকু দিয়ে কোনো মতে খেয়ে বেঁচে আছেন। সবমিলে নানাবিধ আহাজারি শুরু হয়েছে।

আশ্রিত বানভাসি লুৎফর রহমান জানান, ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছি। কবে নাগাদ ঘরে ফিরতে পারব তার কোনো অন্ত নেই। টাকা পয়সার অভাবে কোনো মতে জীবন যাপন করছি।

বাচ্ছারাণী সরকার নামের এক বৃদ্ধা বলেন, এবারের বানের পানিতে ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে রয়েছে। আশ্রয় নিয়েছি শহর রক্ষা বাঁধে। সারাদিন ভিক্ষাবৃত্তি করে যা পাই, রাস্তায় চুলা বসিয়ে তা রান্নাবান্না করে খাই।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, বন্যা দুর্গত মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যা চলমান থাকবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র